মূল লেখায় যান

কালের প্রত্যাবর্তন

হালিম নজরুলকবিতা২৩টি মন্তব্য

মৃতপ্রায় শকুনটি একটা মরাপঁচা মশক গেলার পর

গ্রীবা উঁচু করে আকাশের খাঁদে খুঁজছে বিরহী শিকার।

শ্রান্ত-ক্লান্ত স্বপ্নগুলোকে কোমায় যেতে দেখে

প্রেয়সী সময় হাতড়ে মরছে ব্যাঘ্রযৌবন।

 

এখন মনে হচ্ছে চোখদুটো পেছনে থাকাই ভাল ছিল;

এই নির্লজ্জ সন্ধ্যার চেয়ে।

কিন্তু আত্মহননের পর ওলিরাও তো হয়ে যায় ভূতপ্রেত;

এমনটাই শুনেছিলাম গুরুজনদের কাছে।

তবুও! মহাপ্রলয়ের সর্বোচ্চ সতর্কতা পেয়েও

আমরা ছুটে যাচ্ছি সুতীব্র সুনামির পানে!

 

হয়তো আবার আমরা ফিরে পাবো পুরণো প্রস্তরযুগ

যেখানে বসে হাহুতাশ করবে আগামীর সকাল,

শেষবিকালের আলোক কিংবা মধ্যরাতের চাঁদ।

———————–0 0————————

মোট পড়েছেনঃ ৬৬৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

২৩টি মন্তব্য

  1. “এখন মনে হচ্ছে চোখদুটো পেছনে থাকাই ভাল ছিল;

    এই নির্লজ্জ সন্ধ্যার চেয়ে।”- একদম খাঁটি কথা। ভালো লাগলো কবিতা ‌। ভালো থাকুন সবসময় শুভ কামনা রইলো

  2. অস্তিত্ব হারিয়ে যাওয়ার পর গন্তব্য একটাই। মরে ভূত হয়ে যাওয়া। হারানো জিনিস খুঁজে আনার ছলে কেটে যায় প্রাপ্ত সময়,, এরপর কেবলই হা-হুতাশ বেঁচে থাকে অফুরন্ত সময়ের সাথে।

  3. “তবুও! মহাপ্রলয়ের সর্বোচ্চ সতর্কতা পেয়েও
    আমরা ছুটে যাচ্ছি সুতীব্র সুনামির পানে!”
    সব তো আর বি বাড়িয়া নয়
    যন্ত্রনা আর না বাড়ালেই হয়।
    শুভ কামনা।

  4. হয়তো আবার আমরা ফিরে পাবো পুরণো প্রস্তরযুগ
    যেখানে বসে হাহুতাশ করবে আগামীর সকাল,
    শেষবিকালের আলোক কিংবা মধ্যরাতের চাঁদ।

    চমৎকার লিখেছেন ভাইয়া

  5. প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলা বন্দিজীবন জীবনটা স্বাধীনতার ছোঁয়া দিতে হারিয়ে যাই মহল্লার অলি-গলিতে। আবার কখনো শীতলক্ষ্যার পাড়ে। এই সময় দেখা যায়, আগে যেখানে রাতদুপুর পর্যন্ত থাকতো শত মানুষের আনা-গোনা; আজকাল সেখানে জনশূন্য এই ভূতের গলি। অলি-গলির মানুষের সাথে সাথে মহল্লায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাস্তার কুকুরগুলো যেন হারিয়ে গোলো। অথচ যখন সময়টা সবেমাত্র সন্ধ্যাবেলা, তখন মনে হয় রাতদুপুর।
    বর্তমান সময়টা আমাদের চারপাশে এমনই দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এর শেষ কোথায়? কবে আবার জেগে উঠবে মানুষে হারিয়ে যাওয়া সেই সময়টা?

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?