মূল লেখায় যান

কর্পোরেট মুখোশ

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা১৯টি মন্তব্য

শিশির ভেজা কুহেলিকা আচ্ছন্ন করে রেখেছে তোমার-আমার পথচলা;

তবুও পথ চলছি মহাকালের গর্ভে দুঠোঁটের আমন্ত্রণে।

গন্তব্যবিহীন ছুটে চলায় কালের গর্ভে হারিয়ে যায় উপপাদ্য।

পৌরাণিক-কাব্যে বৃষ্টিভেজা প্রণয় অদৃশ্যের বেড়াজালে বন্দী;

তোমার-আমার হাতযুগলে ফাল্গুনী পূর্ণিমা মাখামাখি;

চোখের মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট -পথ আগলায় বিধিনিষেধের ট্রাফিক।

মস্তিষ্কের অনুরণনে সম্পাদ্যের আঁকিবুঁকি; গতিবিদ্যার আগ্রাসনে স্থিতিশীলতার পরাজয় হয়েছে।

স্বপ্ন-ঘেরা পদাবলী জীবন সংগ্রামে কলুষিত, ধূসর মেঘগুলো দলছুট অনাবৃত আকাশের আবক্ষে।

উড়ন্ত বলাকা শরতের কাশবনে আর্তনাদের স্বরলিপি বুনে যায়;

খাঁচায় বন্দী তোমার-আমার সঞ্চারিণী বুনো-শালিকের প্রেম;

যুক্তিবিদ্যার প্রচন্ড বেগে ঝরে পরছে কর্পোরেট মুখোশ।

মোট পড়েছেনঃ ১১১২জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. সব আছে কিছুই নাই
    জীবনটা এভাবেই চলে যাই
    আইন আছে প্রয়োগ নাই
    মাথা আছে মাথা ব্যাথা নাই
    বই আছে পাঠক নাই
    বিভিন্ন পথ আছে পথিকের সুরুচি নাই
    মায়া আছে আবেগ নাই
    ভাই/বোন আছে দরদ নাই
    বাবামা আছে কদর/সেবা নাই
    সবই আছে দেখার মানুষ নাই।
    এই যা বললাম ইচ্ছে নাই।

    স্বল্প সময়ে সঠিক বলতে পারলাম না।

  2. কি লিখেছেন দিদি ভাই!
    জীবন দর্শনের কী অনবদ্য উপলব্ধি!

    “তবুও পথ চলছি মহাকালের গর্ভে দুঠোঁটের আমন্ত্রণে।”
    এখন এটাই ট্রেন্ড, মুখে মুখ, তালে তাল মিলিয়ে চলা।

    “চোখের মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট -পথ আগলায় বিধিনিষেধের ট্রাফিক”

    অপ্রয়োজনীয় সামাজিক অবকাঠামো কখনো কখনো আমাদেরকে কয়েদ করে রাখে সেটা জেনে ও চুপ থাকি, থাকতে হয়।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।