মূল লেখায় যান

করোনালাপ….(৬)

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২৮টি মন্তব্য

 

শূন্যতার ঘাসফড়িং

নিপুণ দর্শকের গাঢ়-চোখ এড়িয়ে
বিভ্রান্ত ঘাসফড়িং আয়না চোখে,
কী-যেন কিছু একটা খুঁজে বেড়ায়
আনন্দের সাজঘরে,
ঝাড়-বাতির মিহি ঘোলাটে আলোয়
শিশির-সম্ভ্রম ভুলে;

হেলতে-দুলতে থাকা ছায়াগুলো
গভীর ক্লান্তিতে নুইয়ে পড়ছে
ঝিলিক বিহীন শীতল নর্তকীর চোখের মত,
প্রদীপগুলো এক-চোখা হয়ে
এখনও জেগে আছে;

নিথর-পাথর ভেদ করে, ঘাসফড়িং শূন্যে মিলায়
মৌন সম্মতির উদ্ভাসন ফেলে
অনার্দ্র বুদ্বুদের মত, করোনার এই আকালে;

ছবি……নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ১২২৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

২৮টি মন্তব্য

  1. “শূন্যতার ঘাসফড়িং
    নিপুণ দর্শকের গাঢ়-চোখ এড়িয়ে
    বিভ্রান্ত ঘাসফড়িং আয়না চোখে,
    কী-যেন কিছু একটা খুঁজে বেড়ায়
    আনন্দের সাজঘরে,”

    যাক এই বিপন্ন করোনা কালে ও
    ঘাসফড়িং আনন্দের সাজঘরে খুঁজে
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  2. নিথর-পাথর ভেদ করে, ঘাসফড়িং শূন্যে মিলায়
    মৌন সম্মতির উদ্ভাসন ফেলে
    অনার্দ্র বুদ্বুদের মত, করোনার এই আকালে;

    খারাপ বলেননি ভাইজান, খুবই সত্য বলেছেন।

  3. নাম রাখলেন ঘাস ফড়িং আর ছবি দিলেন প্রজাপতি ফড়িং এর! আপনি তো শুরুতেই ধাধায় ফেলেছেন!!

    ঘাস ফড়িং উড়ে কম লাফায় বেশি। এক ঠ্যাং নিয়েও যেতে পারে বহুদূর। মানে চেষ্টায় তার কোনো কমতি রাখে না।

    নীল ফড়িং / প্রজাপতি ফড়িং ( ছোট বেলায় এই নামেই চিনেছি) এটা দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি খুব-খুব নাজুক। একটু স্পর্শ পেলেই দিশাহারা হয়ে যায়। শুধু কি তাই! এদের গায়ে শিশির বিন্দুও সহ্য হয়না। জমে যায় এক বিন্দু শিশিরের ভারে। উড়তে পারেনা, অসহায়ের মতো মৃত্যুর প্রতিক্ষায় পরে থাকে।

    এখন বলুন, এই লেখায় ঘাস ফড়িং এর কি কাজ? আর নাজুক ফড়িং এর অসহায়ত্ব কেন উন্মুক্ত করলেন?

    1. এত্ত কঠিন প্রশ্নের উত্তর হয় নাকি!!
      ঘাস ফড়িঙয়ের সবটুকু সহায়ত্ব/অসাহায়ত্ব সহ-ই ভালোবাসি।
      তাই উন্মুক্ত বা অ-উন্মুক্ততায় কী-ই বা আসে যায়।
      ধন্যবাদ দিচ্ছি, নিরাপদে আছেন বলে।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?