মূল লেখায় যান

উত্তরীয় সমীরণ

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২০টি মন্তব্য

 

মৃদু হাসির শীতটা বিছানায় আয়েশ করে বসেছে,
উত্তরের মলয়ে হেম-বাবু এসেছে নবান্নের উৎসব রাঙাতে।
সোনালী কিরীটে সবুজাভ জমিনটা রাজকন্যার সাজে,
দিগন্ত জুড়ে রাজকীয় আলো ঝলমল করছে ইন্দ্রধনু-রঙে।
দন্তহাসির দৈত্যটা হাড়ে কাঁপন ধরাতে ভীষণ ব্যাকুল;
ফাঁদ পেতে অপেক্ষায়-উন্মুক্ত রক্তমাংসে রসনাবিলাস মিটাতে।
কুয়াশার আবরণে ঢাকা প্রকৃতির উলঙ্গ ক্যানভাস।

কন্টক মান্দারের চিরল ফুলে শালিক-টিয়ার আগমন;
নতুন ধানের পিঠা-পুলিতে রসুইঘর ভরে উঠেছে অতিথি আপ্যায়নে।
সুমিষ্ট জলধারা টিপটিপ ঝরছে- গাছিদের সুনিপুণ কারুকার্যে।
সজনের ডালগুলো ধবল ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে,
শীত-কম্বলে বাঁধা পড়েছে উত্তরীয় সমীরণ;
পাড়া-পড়শির ঘুম কেড়েছে রঙীন-চালচিত্র।
পত্রপল্লব ঝরে পড়ছে নব উদ্যমে নবীন-বরণে;
বিনি সুতার রূপালী-হার জড়িয়েছে ঘাসকন্যার দল।

মোট পড়েছেনঃ ১১৬৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

২০টি মন্তব্য

  1. ঘন কুহক-শীতের সীমান্ত-বাঁধুনির আদিখ্যেতায়
    কে আর কাকে সঙ্গ দেয় /নেয় !
    অবশিষ্টের পথ রেখায়, বিহ্বল জগতের কলকল্লোল
    খোলা বাতাসের মত ঠিকানা বিহীন।

    1. প্রথম মন্তব্য করার জন্য অভিনন্দন। হুম সঙ্গ দেবার লোকের বড্ড অভাব ভাইয়া। চমৎকার মন্তব্য এর জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন শুভকামনা অবিরাম

  2. হেমন্ত এসেছে।
    কত আনন্দ গ্রামবাংলা জুড়ে।
    মাঠ জুড়ে ইরিধানের সুধাময় গন্ধ।
    কৃষকের ঘরেঘরে নতুন চালে নবান্নের উৎসব মেতে উঠে।
    .
    কবিতায় একরাশ মুগ্ধতা রেখে গেলাম,দিদি।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?