মূল লেখায় যান

আহ্লাদী কৃষ্ণচূড়া

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৪টি মন্তব্য

 

আকাশে জলভরা মেঘ, ফ্যাকাসে মলিন, তথাপি-তবুও
যথারীতি কবিত্ব-ফবিত্ব ছাড়াই তো শরৎ এসে গেল
স্পর্শ-বিভ্রম ও;

স্বপ্ন-ধুতরা কুট কুট করে খেয়ে নিচ্ছে ভূত-ভবিষ্যৎ,
একটু একটু করে,পরস্ত্রী-অন্ধকার প্রহেলিকার মত
বিলাপ প্রহরের নীল-কান্নার ভান চালিয়ে।

একটু তুখোড় চুমুর মতো ধ্রুব-শরৎ-ঝড় আমার চাই,
হেঁজিপেঁজি এবং হাঁপানি বিহীন স্বতঃপ্রণোদিত উচ্ছ্বাসে
অজস্রের সহস্র জীবন, সত্য সুন্দরে।

ক্ষিপ্র কল্পতার নিয়মতান্ত্রিক গ্যাঁড়াকলের জুজু সে তো দেখেছি অনেক,
শ্রান্ত-স্বপ্নের বোঝা চুপিসারে ঝুলে পড়ে প্রশ্নবিদ্ধ আচরণে
চমৎকার নিত্য সঙ্গীদের মত।

চকচকে চকমকে মুহুর্মুহু কবিতা তো চাইনি, চাই- ও-না,
ভেজা গন্ধমাখা কুহেলি-ও-না,
শুধু ভেসে আসা ঝিনুক-সঙ্কেতের অবিরত উন্মোচন, নির্জনে,
নৈশ-বস্ত্র খুলে রত্ন-গভীর লালের কৃষ্ণচূড়ার মত আহ্লাদিত
সুরে-স্বরে।

ছবি নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৮৯৯জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. মুক্তার মতো ঝকঝকে আহ্লাদী আহবানে লাল কৃষ্ণচূড়ার মতো নির্জনে না বলা কথার মতো শরৎ আসুক গুটি গুটি পায়ে সাদা শুভ্র কাশফুলে। বাকিটা হাতে হাত রেখেই বলুক

  2. কবিতা চান না বলেই তো কবিতারা জড়ো হয় গুনগুন গুঞ্জরণে,
    শরতের টিপটপ কুয়াশা নাচে নুপূর নাচে।
    যদি সাগরের মতো গভীর কিছু হয়!
    ঠোঁট তবে কেঁপে উঠুক সে গভীরতায়, ঝিনুক আপন মনে খুলুক,,, নিজেই বিলাক মুক্তা।
    শরৎ! সে তো এসেই গেলো,,,,,

  3. প্রকৃতির নিয়ম কে আটকাতে পারে? আপনি লিখুন আর না লিখুন প্রকৃতি তার নিয়ম অনুযায়ী আপনার দ্বারে কড়া নাড়বেই। শরৎ ঝড় ছুঁয়ে যাক সবার অন্তরে, কৃপণের মতো একাই উপভোগ করলে চলবে না তাই শরৎ নিয়ে বন্দনা চালু থাকুক। অবিরাম শুভ কামনা রইলো।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।