আসলেই কি ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই?

চোখটা বন্ধ করুন। মনে করুন আপনি এখন জাপানে অবস্থান করছেন। তারিখ ১৯৪৫, ৬ আগস্ট, সকাল ৮ বেজে ১৫ মিনিট।
আমি আপনার সাথে বাজি ধরে বলতে পারি ৮ঃ২০ এর মধ্যে আপনাকে চোখটা খুলতে বললে আপনি পারবেন না কারন আপনি ততোক্ষণে এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে পরপারে চলে গিয়েছেন।
তখন কি সব মানুষগুলো জানত যে তাদের সাথে এমনটা হতে যাচ্ছে।
টাকা, কিংবা মনোবল দিয়ে সব কিছু হয় না।
তাই বলছি, ভয় পেতে হবে এবং এখন থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
এখন আপনি চাইলে উপদেশটা মেনে চলুন না হয় সুইসাইড করুন। নিজে মরুন, অন্যকে নিয়ে নয়।
মোট পড়েছেনঃ ৭৯৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন


১৪টি মন্তব্য
এটা মানুষ বোঝে না। চলে গোঁয়ার্তুমি। নিজে যা বোঝে সেটাই ঠিক। নিজে মরে, দশজনকে মারে।
এরাই মূলত থানকুনি পাতা খায়, গরুর মুত খায় আর হুজুরের “করোনার ইন্টার্ভিউ”-এর ওয়াজ শুনে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে।
সত্য
ভয়ের কারণ আছে।
আতংকিত হলে বডি Strength কমে যায়
সেটাই ভয়। মেকাবেলা করুন
নিজে বাঁচুন। অন্যকে বাঁচতে দিন।
সাস্হ্য বিধি মেনে চলুন।
শুভ কামনা।
শুভ কামনা
এরা আরো বেশি বুঝে সচেতনতাকে মনে করে শাস্তি।
এর মানেই বাঙ্গালী !!
ভয় পেয়ে বসে থাকলে চলবেনা, নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকুন
আপনিও ভালো থাকবেন !!
ঠিক বলেছেন। বাঙালি ভয় না পেলে সোজা হবে না।
কিচ্ছু করার নাই !!
টাকা, কিংবা মনোবল দিয়ে সব কিছু হয় না।
এই মহা বিপর্যয়ের সময় ভয় পেতেই হবে।
ভয় পেয়ে সঠিক পথে চলতে হবে।
আমরা বাঁচতে চাই, অন্যকেও বাঁচাতে চাই।
একমাত্র আল্লাহই রক্ষাকর্তা ।
সুরা আনফাল (৪৮ থেকে ৫৪) : কোন জাতির ভাগ্য পরিবর্তন আল্লাহ ততক্ষণ পর্যন্ত করেন না, যতক্ষণ সেই জাতি তার কর্মনীতির পরিবর্তন না করে।
তাই আমাদেরও চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই আল্লাহ্ আমাদের সাহায্য করবেন ।