মূল লেখায় যান

আফিম উপশমের খোঁজে

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩০টি মন্তব্য

আকাঙ্ক্ষাগুলো ক্রমাগত ঢেউ হয়ে বালিয়াড়িতে জমে প্রবালের প্রাচীর হয়ে, প্রবাল দ্বীপ হয়ে,
সমুদ্রফেনা হয়ে, ভেসে আসে হাইড্রারা প্রগাঢ় জোয়ার জলে, তিমিরাও আসে, হয়ত বাঁচতে চায়! মরে বেঁচে যায়। স্বপ্নেরা জলে ভেসে ভেসে আসে, লোনা জলে। অপেক্ষার তটরৌদ্রে ঝিমোয়, চির অতৃপ্ততা নিয়ে, পায় না মদিরার সুবাস, এক রাত্রিব্যথা সয়ে আকাঙ্ক্ষার মায়ামৃগ জড়ায় নিত্যনতুনের জালে,ভয়াবহ অন্ধকার চেয়ে থাকে বিস্মিত জেরবার জীবন্মৃতের বেশে; আকাঙ্ক্ষা তুমি কি কিংবদন্তির অপরূপ কাচরূপসী রমণী?
শরীরী উপগ্রহে কি কনকচাঁপার একশ’ আটাশ কলার হিংস্রতা? চন্দ্রাহত আকাঙ্ক্ষার মৎস্য কন্যা ছুটে আসে চাতকিনী হয়ে, আফিমউপশমের খোঁজে, জলদিঘির ঘাটে;

মোট পড়েছেনঃ ১৮৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

  1. আমি কেনো কবিতা পড়তে এসে বেকুব বনে যাই? কেনো বুঝিনা?

    আমার বোধহয় কবিতা বুঝার গাইড কিনতে হবে। বইমেলায় না নীলক্ষেত নাকি বাংলা বাজার কই পাওয়া যাবে?

    স্বপ্নেরা লোনাজলে আসে। অতৃপ্তি নিয়ে ঘুমায়। আর তিমিরা বেচে মরে যায় না মরে বেচে যায়। তিমিরো সরিসৃপ নয় তবে সেও কি ১২৮ কলার খোজে ব্যাস্ত সময় কাটায়।

    অপু ১০/২০
    গুনি।
    ১০০ হইলেই যামু।
    বইমেলা অপু
    নীলক্ষেত ১০
    বাংলাবাজার ২০

  2. কই জানি পড়ছিলাম হাইড্রাদের খালি চোখে দেখা যায়না। সমুদ্রফেনায় হাইড্রারা ভেসে আসে তা খালি চোখেই দেখে ফেললেন? বাউরে! এ চোখ না মাইক্রোস্কোপ? 😮
    কিংবদন্তির অপরূপ কাঁচরূপসী রমণী কেমন থাকে দেখতে মুঞ্চায়। নমুনা আছে নাকি? 😀
    “শরীরী উপগ্রহে কি কনকচাঁপার একশ’ আটাশ কলার হিংস্রতা” – উপগ্রহ কোথায় থাকে? খুঁজছি তো খুঁজছিই। ^:^
    চন্দ্রাহত আকাঙ্ক্ষার মৎস্যকন্যা ছুটে আসে চাতক হয়ে – ক্যাম্নে পারেন এম্নে কইরা সব বদলাইতে?
    মৎস্যকন্যা হইতো যদি চাতকিনী
    যৎসামান্য বুঝতো এই পাতকিনী
    আফিমউপশমের খোঁজে – আফিম সত্যিই ব্যথা-বেদনা কমাতে পারে?
    জলদিঘির ঘাটে – খাইসেরে! এবারে সমুদ্র ফেলে দিঘির ঘাটে! আল্লাহ্‌ জানে আর কই কই যাইবে। ;?

  3. আকাঙ্খারা ক্রমাগত জমতে জমতে একদিন কঠিন আকারের প্রবালের ন্যায় প্রাচীর তৈরি করে বৈকি, কিন্তু বিনিময়ে নিজের ব্যক্তি মালিকানায় একখানা দ্বীপও কিন্তু পাচ্ছেন।
    হুম প্রবালের প্রাচির বডড অমসৃণ, সেখানে মৎসকন্যা প্রবেশে আহতও হয়ে যায় অনেক সময়। তাই অনুরোধ আকাঙ্খা গুলোর বাস্তবায়ন করুন যত দ্রুত সম্ভব। নইলে ব্যথার উপশম কখনোই সম্ভব নয়।
    নাহ আফিমে কাজ হবেনা।

    1. উপশমের ব্যবস্থা কেউ করে দেয় না, দূর থেকে মজা লয়।
      আজকাল মৎস কন্যারা ও খুব সাবলীল, কোনোকিছুতে তাদের আটকায় না,
      আটকানো যায় ও না।
      আফিম তো নস্যি, সে বুঝতেই পারছি।
      দ্বীপের অধিকার পেলেও তা রক্ষা করা খুব কঠিন।

  4. কবির আকাঙ্ক্ষা আফিম উপশমের খোঁজে কবিতা পর্যন্ত ছুটে এসেছে। হাত কাঁপা নবীন কবির ছুরি কাঁচির তলায় অপেক্ষায় জর্জরিত, এনেস্থেসিয়া থেকে ফের জীবনের শ্বাস নেয়া যাবেতো? কবিতা নিয়ে কিছু বলার সাহস করতে পারছিনা, ভাবছি ডায়াগনোসিস টা কি?

  5. তিমিরাও আসে, হয়ত বাঁচতে চায়! মরে বেঁচে যায়। এমন কিছু নিদৃষ্ট জায়গা আছে যেখানে মৃত্যুর আগে কচ্ছপেরা আসে মৃত্যু বরণ করতে, এমন একটা জায়গা আমি দেখেছিলাম ওমানে। তিমিরা ও বুঝি তেমন ?
    শরীরী উপগ্রহে কি কনকচাঁপার একশঽ আটাশ কলার হিংস্রতা? বাঃ বা দারুণ ভাই

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।