মূল লেখায় যান

অ-লেখকের অপেক্ষায় আছি

নীলাঞ্জনা নীলাকবিতা৪০টি মন্তব্য

কেউ কি একটা গল্প লিখবে জলে ভেসে থাকা পদ্মকে নিয়ে? সে, কী কথা বলে ওই আকাশের সাথে? কিংবা অযত্নে, অবহেলায় ফুটে থাকা জংলী ফুলকে নিয়ে? কেমন করে বিশাল অরণ্যকে সৌন্দর্য দিয়ে যাচ্ছে নিরন্তর? কোনো উপন্যাস চাই না আমি।
কে জানে কোনো একদিন গল্প হয়ে যাবে ওই ফুল,
অথবা পাখী,
নয়তো মেঘ,
হতে পারে অরণ্য, আকাশ কিংবা সাগর।
এমনও হতে পারে একদিন আমিই হয়ে যাবো সেই ফুল, পাখী, মেঘ, অরণ্য, আকাশ, সাগর।
কোনো এক অ-লেখক একদিন আচমকাই লিখে ফেলবে জীবনের গল্প, কবিতা এবং অসম্পূর্ণ উপন্যাস।

হ্যামিল্টন , কানাডা (এইমাত্রই লিখলাম। ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আজ।)

★ছবি আপলোড কিভাবে করবো? সাইজ কিছুতেই কমাতে পারছিনা।★

মোট পড়েছেনঃ ১০৭০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৪০টি মন্তব্য

    1. সময় অফুরন্ত আমার। আর তাই জানি অ-লেখক যে আপনি মোটেও নন। তাহলে তো আমি আপনাকেই সরাসরি বলতাম, পিলিজ একটা গল্প আর কবিতা লিখুন আমায় নিয়ে। আপনার লেখা পড়ি। প্লিজ বলার দরকার নেই গো কুবিরাজ ভাই। এত্তো পেরেমের লেখা লেখেন ক্যাম্নে কন সাই দ্যাহি!

      1. অলেখক বানিয়ে আপনার কপালে/মাথায়!! তুলুন!! নাচি!!
        অবশ্যই আপনাকে নিয়েই লিখব!!
        পেরেমগুলো জমা রেখে গিয়েছিলেন বলেই একটু একটু ঝেরে দিচ্ছি,
        সবই আপনার কল্যাণে।
        এখানে সব গুলোই আপনাকে নিয়ে লেখা(!!!!), একটু পড়ে পরে অভ্যাস করুন।

      2. অ-লেখক বানানো যায় নাকি? জানতাম না তো! আপনার কাছে কি রেসিপি আছে? প্লিজ প্লিজ দিন।

        আপনি চিরকালের লেখক। তা লেখকসাব এখানে কোথায় লেখা আমাকে নিয়ে(!!!), ব্রেকেটটা না দিলে তো বিশ্বাস করে নিতাম কনফার্ম।

  1. স্বপ্নকে নিয়ে স্বপ্ন। স্বপ্নের ভেতরে স্বপ্ন। ছোট সেই ফুলের বর্ননায় পুরো পৃথিবীই রাখতে পারে কবিরাই।

  2. আপনার মনোবাসনা পূর্ণ হোক আপু। এমন করে লিখলেন, মন খারাপ কি আজ কবির?

    আপু আমার পোষ্ট আছে ছবির সাইজ ছোট করবেন কিভাবে” ক’দিন আগেই দিয়েছি ব্লগে। পড়ে দেখতে পারেন।

    1. “মনের হদিস কেইবা রাখে!
      কে যে থাকে মনের ঘরে!!
      কেউ জানেনা, কেউ জানেনা, সেও জানেনা যে ধারণ করে।”
      ঠিক আছে পড়ে নেবো। মন খারাপের কালের ভেতরেই আছি। ভালো থাকবেন।

  3. লেখা হবে কিছু স্মৃতি কথা
    অ–লেখকের কাঁচা হাতে অসম্পূর্ণ
    গল্প–উপন্যাসের মতোই,

    সমাপ্ত জীবনীগ্রন্থে উঠে আসবে অসমাপ্ত
    স্বপ্ন গুচ্ছো, যা দেখা হয়েছিলো
    কোনো উদাসী প্রহরের ছায়া–ছায়া একাকিত্বের
    মিছিলে, উত্তেজিত আত্মনিমগ্নতায়…

    কবির সাধ জাগে লিখবে অ–কবিতা
    আনাড়ি মনে ঠিক ঠিক লেখায়
    গোপনে সাজাবে অক্ষরের আল্পনা,
    সমান্তরাল শব্দগুলো নেচে উঠে এলোমেলো
    হাওয়ায়, অ–লেখকের নির্বাক অনুভবে
    ভর করে বিষাদ নীল পদ্ম…

    1. অ-লেখকের ডায়েরিতে কোনো গল্প, কবিতা থাকেনা।
      পাতায় পাতায় কেবল জীবনের ধারাপাত
      হিসেব ছাড়া হিসেব কষে বেড়ায় এলোমেলো পান্ডুলিপি
      বিবর্ণ বিষাদ মোড়া চাদরে লিপিবদ্ধ একেকটি স্মৃতি
      ফাল্গুণ এসে চলেও যায়, পথভোলা সেই পথিক আর ফিরে আসেনা
      বোশেখের আগমনী গানে লাল-সাদা রঙের ফাঁকে ফাঁকে কালবোশেখী আঘাত এনে বলে,
      অ-লেখকের কাছে কেউ থাকেনা।—-আপু আপনার চমৎকার কবিতার পাশে এই লেখা কিছুই নয়। আমি মুগ্ধ। কী দারুণ লেখেন আপনি! বিশাল পুরষ্কার পাওনা রইলো আপনার। বলুন কি চাই!

      1. পুরষ্কার পেয়ে গেছি আপনি ফিরে আসার সাথে সাথেই। বিশাল পুরষ্কার একটাই চাই, সব সময় সোনেলায় থাকুন। আমাদের সাথে ছায়া-মায়া হয়ে।

        ভালোবাসা নিরন্তর প্রিয় ❤❤

      2. কখনোই তো যাইনি, ছিলাম, আছি, থাকবোও। চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত যেনো নিজের সাথে নিজের একটিবার দেখা হয়। নিজেকে অসম্পূর্ণ দেখতে কেইবা চায় আপু?
        অনেক ভালো থাকুন আপু।

    1. পিচ্চি আপু যদি বলি ভালো আছি, তাহলে মিথ্যে বলা হবে। মনটা এখনও কেমন জানি বিবর্ণ হয়ে আছে। একদিন এই সময় পার হয়ে যাবে। কিন্তু শূন্যতা কখনোই কাটবে না।
      তুমি কেমন আছো আপু?

      1. আপু শূন্যতা পুরন হবে না হয়তো কিন্তু অন্য সকল শূন্যতা এই শূন্যতার কষ্টটাকে ঢেকে দিবে এক সময়।
        সব মিলিয়ে ভালোই আছি আপু। ব্লগে আপনাকে দেখে ভালো লাগছে।

    1. নানা তুমি অ-লেখক!!! তাহলে আমিও অ-লেখক। ঠিক আছে? কবে লিখে দেবে বলো, তা না হলে তোমার খবর আছে। হুমকি দিলাম কিন্তু!

      আইফোন না-পছন্দ। আমি সবসময়ই স্যামসাং এর।

  4. লেখাটিকে প্রিয়তে তুলে নিয়েছি। বললে অবশ্য অনেক কিছুই বলা যায় লেখাটি নিয়ে।

    প্রথমে আকুতি, আকুতির পর আকাঙ্ক্ষা, এবং সবশেষে নিজেকে প্রকাশ। এই তিনটি ধাপে লেখাটিকে প্রাণ দিতে পেরেছে লেখক। লেখাটি গল্পের উর্ধ্বে চলে গিয়েছে। ভালো লাগছে এই ভেবে যে অনেক অকবিতার ভিড়ে একটি প্রকৃত কবিতা পড়লাম।

    ভালো থাকুন আর লিখুনও। শব্দই পারে লীন ব্যথাগুলো প্রকাশ করতে, আপন ভেবেই।

    1. বিশাল বড়ো পাওয়া হয়ে গেলো আমার। ভেবেচিন্তে লিখতে পারিনা আমি। যখন যা মনে আসে লিখে ফেলি আর সেসবকে এই সোনেলা ভালোবেসে স্থান দিয়ে দেয়। যে কয়েকজনের মন্তব্যকে আমি প্রেরণা হিসেবে পাই, তাঁদের মধ্যে আপনিও একজন।
      এভাবেই লেখার পাশে থাকবেন সবসময়, এটুকুই চাওয়া।

  5. ‘লিখে ফেলব আমিই আমার অ-লেখা কবিতা, না লেখা গল্প যদি তুমি মুগ্ধ হয়ে শোনো।’
    কি হয় বলো লিখে! লেখা বা প্রেম, বা দুঃখ গাঁথা কি কারো মনোরঞ্জন?
    না, হতে চাই না কারো মনোরঞ্জন।
    খসড়া খাতা পড়ে আছে পড়ে থাক যত্নে অযত্নে।

    1. উফ! কী দারুণ লাইনটা!! “খসড়া খাতা পড়ে আছে পড়ে থাক যত্নে অযত্নে।”
      আপু গো আরোও ছাড়িয়ে যাও নিজেকে, এই প্রার্থনা করি ঈশ্বরের কাছে।

      ভালো থেকে ভালো রেখো নিজেকে।