মূল লেখায় যান

অবশেষে আমি যখন সোনেলায়

নাসির সারওয়ারএকান্ত অনুভূতি৫৬টি মন্তব্য

লুকিয়ে ভালো কিছু দেখা অপরাধ নয়। এই ধারনায় ছিলাম অনেক দিন। সোনেলার সংসারে অনেক তারা, যারা জ্বলছে তাদের মহিমাতেই। ভালো লাগে অনেকেরই লেখা। আবার মেজাজের তিরিক্ষি করি যখন দেখি মগজ তা কুলাতে পারছেনা। একজন লেখক রূপকথা নিয়ে লিখছেন। ভালো, তা “রূপকথার শিশু” টা ক্যামন কর্ম ? বুড়ো বাপটাও দেখুক না কালো মায়ের সঞ্চয় স্বপ্নের বড় হওয়া। আরেক জন আবার নিয়ে এলেন “রূপকথার জিরাফ” ! রূপকথা তো “এক দেশে ছিল এক রানী, তার ছিল এক রাজা” এমনই হবার কথা। অন্য আরেকজন লিখলেন “আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(পাঁচ)”। বাহ! কত সহজ ভাবে দেখিয়ে দিলেন একই অঙ্গে কতো রূপ। আমিতো সবাইকে চিনে ফেলেছি। আবার সেই লেখকই লিখলেন “আহ! (নিখাদ রাত্রি…)”। একি অত্যাচার! পরতে পরতে মুখস্ত করে ফেলেছি, কিন্তু ক থেকে ক্ষ, কিছুই বুঝিনি।

আরও একটা লেখার কথা না বললেই নয়। “প্যাঁচানো তারে রয়ে যায় ঝুলন্ত মায়ারা”। তাহলে সোজা তারের আত্মকাহিনী কি হবে। ভয় নেই, বলে যাব মরার আগে। আর হাত পা ভাঙ্গাতেও ছোঁয়া হয়ে যাবে। তিন যুগের কাহানী, আরও আসবে নিশ্চয়ই। অপেক্ষা অনেক কষ্টকর, তারপরও আমরা অপেক্ষায় থাকি একটু ভালবাসার ছোঁয়া পেতে।

আমি যদি সোনেলার এডমিন হতাম – দুটো তীর দিয়ে নির্দেশনা দিতাম। নির্বাচিত পাঠকেরা উত্তরে যান, নির্বোধরা (আমার মত) দক্ষিণে যান। এক সময় ঠিক ঠিক অকুল সাগরে পৌঁছে যাবেন। বেঁচে থাকো সোনেলা। তোমার প্রদীপের আংশিক জ্বালানী আমি হব।

মোট পড়েছেনঃ ৯৩৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৬টি মন্তব্য

  1. হা হা ঠিক ঠিক এডমিন রা এই দিক নির্দেশনা দিলে আমার আজকের এই হাল হতো না। তবে সাগরের আকর্ষণ কিন্তু আদি আর অকৃত্রিম। আমি জেনেশুনে বিষ করেছি পান এর মতো দিক নির্দেশনাও কাজে দেয়না ভাউ।
    আপনি যে মজার কিছু লিখবেন তা কিন্তু বুঝতে পেরেছি। খুব আকাল চলছে সোনেলায় তাই স্বাগতম. সুস্বাগতম আমাদের এই সোনেলায়। -{@

  2. “ভাউ”! ডিকশনারি খুঁজছি। আমারটাতে নাই। কাল বের হবো খুজতে নতুন উদ্দম নিয়ে।

    আপনি এটা কি বললেন? আপনার রাস্তাতো উত্তরে।
    সোনালার শেখরে আপনিওতো পানি দিচ্ছেন! ওর অকাল হবে কেন?

    1. উত্তর দক্ষিন জানিনা, পথিক আমি পথ হারায়েছি। 🙁
      হে হে ডিকশনারী খুঁজে লাভ নেই। সোনেলার ভাষায় ডিকশনারী বানাতে গিয়ে কিছু পথিকৃৎ চুল হারিয়েছে 🙂
      পানিতে আর্সেনিক ভাইয়া, গাছের নিজের সায়েন্টিস্ট থাকলে এতদিনে আমাদের খবর ছিলো।।

      1. মানলা্ম না। পথ কেউ হারায় না, হারাবার ভান করে।
        চুল হারাবার ভয় নেই, কা্রণ ওগুলোও তো অনেক আগেই হারিয়েছি।
        পানিতে আর্সেনিক! এটা আবার কি? সারছে আমারে, ডিকশনারি খোজরে বাপ…।।
        গাছেরও কিন্তু খিদা লাগে। আর পানিই মনে হয় ওর জীবন…।

      1. সাগর যদি দক্ষিণে তো উত্তর ঘুরে যাবো কেনো?
        “প্যাঁচানো তারে রয়ে যায় ঝুলন্ত মায়ারা” শিরোনামে আমাদের একটা লেখা ইতোমধ্যেই আছে। তাহলে “সোজা তারের আত্মকাহিনী” শিরোনামের লেখাটা আপনিই লিখে ফেলুননা। সেই হবে কিন্তু! 😀

        যাউজ্ঞা কথায় কথায় আসল কথাই কইতে ভুইলা গেছি।
        সোনেলায় স্বাগতম। -{@

      2. আমার মত নির্বোধরাই শুধু সরাসরি সাগরে (দক্ষিণে) ঝাঁপ দিতে পারে। আপনি আমার দলের না। তাই………
        ঐ প্যাঁচানো তারের গপ্প খুবই প্যাঁচানো, কিচ্ছু বুজিনাই। তার চাইতে সোজা তার ধইরা সাগরে ঝাঁপ দেওন ভালই হয়। খারান এত্তু…।

        আমার প্রবিসন শেষ, আহা কি আনন্দ আমার! আমি সোনেলার লাইসেন্স পাইছি আইজ। আপনারে এত্তোগুলা ধন্যবাদ…।

  3. যদিও এসে গিয়েছিলেন অনেক আগেই
    তারপরেও আপনার ব্লগ বাড়ির এটি প্রথম ঘড়
    এখানেই স্বাগত জানাচ্ছি আপনাকে
    সোনেলার ছোট পরিবারে আপনাকে স্বাগতম -{@

    প্রথম লেখায়ই তো বুঝিয়ে দিয়েছেন —
    হবে আপনাকে দিয়েই 🙂
    শুভ কামনা।

    1. গোলাপটা তুলে রাখলাম। উষ্ণতার ছোঁয়ায় নষ্ট হতে দেবনা। সোনেলার ছোট পরিবারে অনেক বড় মানুশেরা বাস করে। কুঁজো বুড়োর বেশি জায়গা লাগেনা। হয়ে যাবে।
      কিছুই হবেনারে নাসির তোকে দিয়ে কিচ্ছুই হবেনা।

  4. স্বাগতম আমাদের পরিবারে -{@ অপেক্ষা করছিলাম কবে আপনার লেখা পড়বো।প্রথম লেখা হিসেবে প্রত্যাশা পূরণ করেছেন।নিয়মিত লেখুন ভাইয়া।

  5. প্রথমেই সু-স্বাগতম আমাদের সোনেলার অঙ্গনে।
    ঘুম ভেঙ্গে গিয়েই সোনেলায়, রাত এখন ২:৪২। কিন্তু আপনার লেখাটি পড়ে মন্তব্য এখনই করতে বাধ্য হলাম। আমি আবার আনন্দ-পিয়াসী। হাসি পেলেই হাসতে বসে যাই। কেউ যদি দেখতো ঘুম ভেঙ্গে হো হো করা হাসি, কনফার্ম আমায় পাগলের হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতো।
    আকাশ ডাকে বলেই বলাকা ওড়ে যে লিখেছে, সে ভুল লিখেছে। আরে আকাশ তো আমাকেও ডাকে, তাহলে উড়িতে পারিনা কেন? :p পাখীদের মতো ডানা থাকলে না উড়বো :D)
    নিশ্চিত ওই আহ যে লিখেছে তার মনে হয় স্পন্ডোলাইসিস। হাড্ডিতে ব্যথা। :D)
    আমিও বুঝিনা এরা যে কি লেখে! :p রূপকথা থেকে আকাশ পাখী কিছুই বাকী রাখলো না। আপনার সাথে সহমত এভাবে রূপকথা চললে আমি যেদিন ঠাকুমা হবো সেদিন ঝুলি বের করলে তো জিরাফ আর বুনোলতাই চোখে পড়বে। 😀 :D)

    1. নীলাপু, আহ্‌ লিখছে যে তার হাড্ডিতে আসলেই ব্যাথা আছে। তুমিতো জিনিয়াস। আমারে তো একটা পোস্ট আইডিয়া দিয়া দিলা 😀
      রূপকথার কথা কি আর কমু, ভয়ে আমি আর রূপকথার বই-ই খুলিনা 🙂

    2. যাক, পাওয়া গেলো একজন যে আমার সাথে একমত। কিসব লেখে ওনারা, আরো বেশি বেশি বলুন।
      তবে আপনি সপ্নডানা মেলে মায়ামেঘের সাথে উড়ছেন, তা আমি দেখে ফেলেছি। কাউকে বলিনি কিন্তু।

      ঠাকুমার ঝুলি থেকে আরো অনেক অনেক বেসম্ভব ভালো লেখাগুলো বের করতে থাকুন। চুরি করবো।

      1. নাসির ভাই আর বলবেন না একা কথায় কাজ হচ্ছিলো না। দলে উনারাই ভারী। উনাদের সাথে মডুও আছে। জানেনই তো জোর যার মুল্লুক তার! যা মন চাইছে, তাই এনে পোষ্ট করে দিচ্ছেন। মায়া ঝোলে তারে আজব। তাহলে আমাদের মায়া কি ইলেক্ট্রিক তারে ঝোলে? এদিকে রূপকথার আউলা-ঝাউলা পোষ্ট ১-২-৩-৪ আরোও যে কতো নম্বরে গিয়ে থামবে সে ঈশ্বরও জানেন কিনা সন্দেহ!

        এভাবে আর কি লিখবো বলুন? স্বপ্নডানা ভেঙ্গে পড়েছে, কোনোভাবে সেলাই করে রেখেছি। ভাউ গো দু:খ কারে কই! ;(

        1. মডু আছে বলেইতো তাদের দলটা আরো ভারী। ইলেক্ট্রিক তারের বদলে ফাইবার অপটিক দিয়ে দেবো, ওতে মায়াগুলো হয়তো মরে যাবেনা। আর হা, ৫ নম্বর এসে গেলো। আচ্ছা বলুনতো, ছায়ার মাঝে ছায়ারা ক্যামন করিয়া হাঁটিয়া বেড়াইবে?

          সেলাইতে কাজ নাহলে জানাবেন, আইকা গ্লু পাঠিয়ে দেবো। তারপরও স্বপ্নডানাকে লালন করতে হবে।

          1. সেজন্যই তো বলছি কিছু একটা করতে হয়। বেশী বেড়েছেন মডুরা। ভাবেন কি উনারা নিজেদের? উনাদের প্রিয় পাত্রদের যা নয় তাই লেখাই প্রকাশ পাবে। ভাউ মাথার চুল সব পড়ে গেছে। ভেবে দেখুন চুলবিহীন মস্তক লহিয়া কি করিয়া স্বপ্নডানাকে লালন করিবো?

            হুম একজন খাজুরাহ গিয়ে দেবীর পদসেবা করছেন, শক্তি নিচ্ছেন আমাদের মাথা যেনো ভালো ভাবে চিবিয়ে খেতে পারে। আরেকজন ৫ নম্বর ছায়ামন্ত্র দিয়ে আমার মাথার চুল ছিঁড়ছেন।

            ভাউ উদ্ধার করুন এমন পরিস্থিতিতে। -{@

      1. আপনাকে নাসির ভাই ডাকি, সেই বোধহয় ভাল হবে। আমারও ভাল লাগছে। ভাবছি কিছু আলাদা, কিছু সুন্দর পাব আপনার কাছে থেকে। আপনার লেখা ও মন্তব্য দুটোতেই মশলার সুঘ্রাণ আছে, আমি পাচ্ছি।
        “আমি যদি সোনেলার এডমিন হতাম” – এই মানুষগুলো বামবুকে হাত রেখে কথা বলতে পারে। সবাই তা পারে না। 🙂
        তানজির পেয়ে যাবে ধন্যবাদ।
        শুভ কামনা।

        1. বোধহয় নয় ভালই হবে। আমি হয়তো অরণ্য সাহেব থেকে সাহেবটাকে বাদ দিয়ে দেবো।
          এরপর কিন্তূ বেশি কোরে গোল মরিচ আর এলাচ দিয়ে সুঘ্রাণকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবো বলে দিলাম।
          সবাই পারে, কেউ কেউ বলতে চায়না। ভালো থাকুন।

  6. ভাইয়া সোনেলায় স্বাগতম। -{@
    মনে হচ্ছে সোনেলার অনেকের পরিচিত আপনি।
    আর একটা কথা আপনাকে না বললেই নয়। সেটা হলো আপনি টেনশন নেবেন না। সোনেলার নিজস্ব একটা ডিকশনারি বানানো হবে তখন দেখে নিবেন সব শব্দ হ্যা?? 🙂

    1. উম্মা পেলাম।
      হা, এই যেমন আপনি। অনেক ভালো লেখেন আপনি। মন্তব্যগুলো হিউমারের মিকচার দিয়ে আমাদের গিলাচ্ছেন। অরণ্য আর তানজির সাহেবের সাথে গতকাল পরিচয় হলো। দু চারজন আরো আচেন, এভাবেই এগুচ্ছি।
      এডমিনকে বলুননা, একটা ডিকশনারির লিঙ্ক খুলতে, সোনেলা শব্দ ব্যাংক বানাবো।

  7. ভাইয়া নতুন লেখা চাই।যদি আপনি চান তবে আমি আইডিয়া দিতে পাড়ি।আমি হচ্ছি আইডিয়ার খনি :p একটি লেখা দিয়ে গাড়ি থামিয়ে দিলে চলবে কেনো?ফার্ষ্ট,সেকেন্ড,থার্ড,ফোর্থ গিয়ার দিয়ে গাড়ি চালান। আগে বলুন আইডিয়া লাগবে কিনা?

  8. “ফার্ষ্ট,সেকেন্ড,থার্ড,ফোর্থ গিয়ার দিয়ে গাড়ি চালান।” আগেতো গাড়ি চালানো শিকতে হবে আপুনি।
    আইডিয়া বলুন। বলুন বলুন।।
    আমি একটা দেই, একটা সোনেলা শব্দব্যাংক। আসুন না, এডমিন কে বলি!!

    1. অনেক লেখকের অনেক ভালো মন্তব্য আছে যা আমার জন্য অনেক অনুপ্রেরনার রসদ (মজারও বটে)। সোনেলা সবাইকে হাঁসি দড়িতে বেধে রেখেছে অনেক সাদা মনের মানষেরা।

      এতো পুরানো পোস্ট পরছেন দেখে ভালো লাগলো।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।