মূল লেখায় যান

অনাকাঙ্খিত স্পর্শ এবং একটি সুন্দর দিনের অপমৃত্যু

রিমি রুম্মানবিবিধ২৬টি মন্তব্য

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কেনাকাটা এবং খাওয়া-দাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বসুন্ধরায় গিয়েছিলো পরিবারটি। কিন্তু বিধিবাম ! ঢুকার সময় প্রচণ্ড ভিড়ে টিনএজ কন্যাটির কোমরে অনাকাঙ্খিত স্পর্শ তাদের সেই আনন্দ নষ্ট করে দেয়। কন্যাটি ক্রোধে-ঘৃণায় প্রতিবাদী হয়ে উঠে। উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা অসহায় বাবা মান-সন্মানের কথা ভেবে মেয়েকে শান্ত করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেন। বিশ্ববিদ্যালয়  শিক্ষায় শিক্ষিত মা মেয়েকেই দোষারোপ করেন এই বলে__ “বোরখা/হিজাব পড়লে এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস পেতো না। এরই মাঝে অপরাধী “সরি” বলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

সামাজিক এসব অপরাধীরা এভাবেই পার পেয়ে যায় আমার দেশে।

অথচ সর্বোচ্চ খোলামেলা চলাফেরার দেশ এই আমেরিকায় প্রচণ্ড ভিড়ের সময়টাতেও দেখেছি বাস-ট্রেনে মানুষজন কতটা ভদ্র, সংযত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

এমন অসুস্থ, অমানবিক, অনাকাঙ্খিত উৎপাত আমার স্বজনদের সইতে হবে আর কতকাল… জানিনা

সুন্দর,আনন্দময় ভাবে শুরু হওয়া দিনটি  দুঃখজনক চরম এক তিক্ততার মাঝে শেষ হওয়া পরিবারগুলোর প্রতি সহানুভুতি…

মোট পড়েছেনঃ ৭২৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

২৬টি মন্তব্য

  1. পড়ে ভীষণ খারাপ লাগলো — পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় আমরা স্থান কাল পাত্রভেদে প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হচ্ছি — এ কারণে আমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে —

  2. অথচ সর্বোচ্চ খোলামেলা চলাফেরার দেশ এই আমেরিকায় প্রচণ্ড ভিড়ের সময়টাতেও দেখেছি বাস-ট্রেনে মানুষজন কতটা ভদ্র, সংযত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

    শুধু কি তাই…সরিও বলে থাকেন।

  3. অসুস্থ্য মানুষ আছে থাকবেই, তাইবলে পথে বের হব না। মেয়েটির বাবা মাই অশিক্ষিত। হিজাব কি মেয়েটিকে মেয়ে নাবানিয়ে থার্ড জেন্ডার বানাবে নাকি ছেলে বানাবে? আমি হলে হামলাকারির কলার ধরার শিক্ষা দিতাম মেয়েকে এবং তা দেই ও।

  4. কারো মানুষিক দৈন্যতা দায়ভার আপনি পুরা দেশের উপর দিতে পারেন না।

    তবে হাঁ এই সব অপরাধির শাস্তি হওয়াটা অবশ্যই জরুরি। শুভকামনা অনেক অনেক আপনার জন্য।

    1. পুরো দেশে এমন অসুস্থ মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। একজন একজন করে প্রতিবাদী হয়ে উঠলে অনেক না পাওয়ার দেশটায় আপনার আমার বোন, ভাগ্নি কিংবা কন্যার  চলাফেরা অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে … ভাল থাকুন, দোয়া রইলো ।

  5. এমন অবস্থা কেনাডাতেও কল্পনা করা যায়। এর আগে ছিলাম বেলজিয়াম, জাপান। কোন দেশে এমনটা দেখিনি বা শুনিনি আমি। কত খোলা মেলা পোষাক পরিধান করে এসব দেশের মানুষ। আর আমাদের দেশে সেলোয়ার,কামিজ, ওড়নায় শরীর ঢেকেও নিস্তার নেই মেয়েদের। খারাপ লাগে খুব।

  6. উফ্‌, কি জঘন্য।
    এইসব ঘিনঘিনে সরীসৃপদের নোংরা দৃষ্টি আর লালসা থেকে মুক্তি নাই বুঝি মেয়েদের…। সমাজের এইসব কীটদের সংখ্যা কমে না, শুধু যেন বাড়েই…।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?