মূল লেখায় যান

অজানার ঠিকানায়

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৬টি মন্তব্য

 

লেখার পর লেখা (সবার বিরক্তি নিয়ে)!
এ-যেন এক মৌন উৎসব,
সীমিত বেহায়া নির্লজ্জ খেয়ালি অপুষ্টত্ব নিয়ে
বিরতিহীন বিদ্যুৎ চমকের মত বিচ্ছুরিত হচ্ছে,
ক্রমাগত ঝরে-পড়া ভোরের শিউলি ঘ্রাণের খোঁজে,
নিঃশব্দে কেউ তা তুলে-ও নিয়ে যাচ্ছে
নিরিবিলিতে মমতা জড়ায়ে; অলক্ষ্যে;
আজন্ম লালিত গন্তব্যের কাছে, স্বপ্নের মত।

ধুলো আর নর্দমার নড়নড়ে দেয়াল টপকে
পৌঁছে যাবে সে দূরের আকাশে দাঁড়িয়ে থাকা
নীলের কাছে, অজানার ঠিকানায়।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ১৪০৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৩৬টি মন্তব্য

  1. লেখার পর লেখা (সবার বিরক্তি নিয়ে)!
    এ-যেন এক মৌন উৎসব,
    সীমিত বেহায়া নির্লজ্জ খেয়ালি অপুষ্টত্ব নিয়ে
    বিরতিহীন বিদ্যুৎ চমকের মত বিচ্ছুরিত হচ্ছে- কে বলেছে বিরক্ত হয়েছে? আপনি যদি অপুষ্টতায় ভুগেন তাহলে আমাদের তো আরো করুণ অবস্থা। আপনি লিখবেন আর আমরা তা মমতার বন্ধনে জড়ায়ে নেব এটাইতো স্বাভাবিক। অজানা ঠিকানায় হারিয়ে গেলে কেমনে হবে ভাইয়া?? ভালো থাকবেন। শুভ সকাল

    1. রোজ রোজ লিখি তো, নিজ মনে যা আসে তাই, বেহিসাবির মত।
      কিলবিল করা লেখার একটি অংশ প্রকাশিত হয়।
      আপনাদের লেখা স্বাস্থ্যবান, নীরোগ অবশ্যই।
      কে আর কোথায় হারায়! সোনেলা রেখে!
      ভাল থাকুন।

      1. আমার টা বাদে সবার লেখা স্বাস্থ্যবান, নীরোগ। যা মাথার উপ্রে দিয়ে যায়। কেমনে লিখে বুঝিনা। শব্দার্থ দিয়েও সারমর্ম খুঁজে পাইনা যেমন বন্যা আপু 🙄🙄। ভালো থাকবেন

    1. আসলেই, বিনা হিসাবে মনের কথা বলি।
      বিরক্ত হলে আপনার কিন্তু খবর আছে, প্রতিশ্রুতি মনে থাকে যেন।’আমি মোট্টেও বিরক্ত হইনি কিন্তু।’
      ভাল থাকবেন এ সময়ে।

  2. ভোরের শিউলির মন মাতানো
    ঘ্রাণে মাতোয়ারা মন ও মনন
    আজন্ম লালিত গন্তব্যে পোঁছে যেতে
    সীমিত আকারে বেহায়া নির্লজ্জ হলে হবে!!

    দূরে দাঁড়িয়ে থাকা নীলের কাছে পৌঁছাতে হলে
    নীলকে ছুঁতে হলে অনেক বেশি বেহায়া নির্লজ্জ হতে হবে।

    কবিতা প্রেমীদের কবি বা কবিতা বিরক্তি নয়
    বেঁচে থাকার, ভালো থাকার রসদ সরবরাহ করে
    তাই আরো বেশি বেশি লিখুন, লিখতেই থাকুন

  3. কতোটুকু কবিতা বুঝি
    সেটা বড় কথা নয়
    কতোবার কবিতা পড়ি
    এটাই হলো কথার কথা

    পড়তে পড়তেই একদিন
    অবশ্যই পরিপূর্ণ বুঝে আসবে কবিতা
    সেই প্রত্যাশায় পড়ি, পড়ছি আর পড়তেই থাকবো কবির কবিতা।

    1. কবিতা আসলে বোঝার বিষয় নয়, এটি অনুভবের বিষয়,
      একটি লেখা হলো আয়নার মত, সামনে দাঁড়াবেন, মন দিয়ে খুঁটিয়ে দেখবেন, যে ছবি এসে উঠবে,
      এটি তাই-ই। তাতে যে ছবি-ই উঠে আসুক না কেন।
      আমি তো খালি পড়ি আর পড়ি, তাল বেল আম জামরুল বেল। কিছুতেই অরুচি নেই। কাঁচকলা হলেও।
      আবার ধন্যবাদ।

  4. তাই ভাবছি বিরক্তিপণা মানুষগুলা কই? ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম না থাকলে দিনে ২৪টা লেখা পড়ার সুযোগ হতো এখানের বাসিন্দাদের।
    তাতে মৌণ শব্দেেরা খেলতো নিশ্চুপ উঠোনের রোদে। কুড়িয়ে নেবার সুযোগে শিউলীরা জমে উঠতো কারো আঁচলে বা হাতের আজলে।
    লেখেন লেখেন…. রোজ রোজ লেখেন যকতে শব্দের যোগান দেখতে পাই।

  5. “ধুলো আর নর্দমার নড়নড়ে দেয়াল টপকে
    পৌঁছে যাবে সে দূরের আকাশে দাঁড়িয়ে থাকা
    নীলের কাছে, অজানার ঠিকানায়।”
    কবিতা গুলো পৌঁছে যাবে আপন ঠিকানায়
    কবির নিজস্ব ক্যারিশমায়।
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  6. প্রকৃতির মাঝে যত প্রাকৃতিক সৃষ্টি-সৌন্দর্য আছে, তার প্রতি আমার যত মুগ্ধতা আছে, এর শতভাগের মুলভাগ দূর্বলতা অসীম আকাশ ঘিরে।
    মহারাজ, আপনার কবিতার সারমর্ম/ ভাব বিশ্লেষণের দুঃসাহস দেখাতে আমি একদমই ইচ্ছুক নই।
    কমেন্ট রাখছি আকাশ ছবির..

    আমি আজ আর কথাও যাব না
    এই নীলাকাশ ছেড়ে….
    কোথাও নাহ, আর না,
    দুই ভ্রূর মাঝে আর এক চোখ দিয়ে শুধুই দেখে যাব…।
    সীমাহীন নীলাকাশ……

      1. তথাস্তু!
        ক্যাম্নে লিখি এটা আমার নিজের কাছেই এক রহস্য। কিন্তু মহারাজ, আপনি যেভাবে তারস্বরে আপনার পূর্বপুরুষকে ডেকে উঠেছেন, তাতে ভয়ানক ভীত-সন্ত্রস্ত বোধ করছি। আল্লাহই জানেন এর ব্যাখ্যা কি!!

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?