মায়াবতী অরুনি মায়া
জলের রংয়ে আঁকা ছবি, তা ও তো ছবি, দৃশ্যমান অদৃশ্যতায়,
বুক পকেটের ভাঁজে ভাঁজে শুধুই নির্ভুল তর্জমা, ভুল নাকি শুদ্ধ জানিনা, জানা হয় না,
অণুপ্রিয়, প্রিয় আমার, মায়াবতী অরুনি মায়া,
জল রংয়ে আঁকা ছবি, ক্লান্ত সময়ে হেঁটে যায় ঝাপসা চোখে, নগর থেকে মহা নগরে,
জলে আঁকা ম্যানিলারাত্রি, ব্যস্ত-সমস্ত মায়াময় ভিড়, জনান্তিকের জল স্রোতে,
বৃহস্পতিতে থাকুক সে স্বপ্নেরই জল রংয়ে।
জলে আঁকা তিলোত্তমা, দু’চোখে বাষ্প জমা,
হিম রাত জলের রংয়ে আঁকা
ফোটা ফোটা রংয়ে শুধুই হারিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন আঁকা;
ধ্রুবতারার চোখে আলো ফেলে আকাশ দেখা।
জলের ও রং থাকে
ছবি ও থাকে
ইচ্ছেটুনিও থাকে।
=============================================
উৎসর্গ – অরুনিমায়া,
কাকাতুয়া জুলিয়েট কে, যাকে সত্যিই খুঁজে পেলাম এক গভীর রাত্রে।
ম্যানিলা, ৭-১১-২০১৫
=============================================
ব্লগ আড্ডায় আগাম চায়ের দাওয়াত,
নীতেশ দাদার ব্যবস্থাপনায়।


৮১টি মন্তব্য
ওরে বাবা।।।। এ সব কি লেখা!!!!!!!!!
আবার ফিরবো পরে।
ফিরলেই হবে।
ওরে বাবা এ সব কি মন্তব্য!!
ভীষন ভাবে লজ্জিত। আপনার লেখা দেখলেই একটা ভয় ভয় চলে আসে। এর পর অনেক হিসেবি হবো।
জল রংয়ে কত রং। তুলির আচড়ে যা শুখু আঁকিয়েরাই ফোটাতে পারে। আপনি পেরেছেন।
লেখায় কি বাঘ-ভাল্লুক থাকে!!
এমন অমিয় বানী শুনতে ভালু লাগে।
তা জানিনা, তবে আপনি আপনার জন্য লেখেন। হয়তো কিছু নির্বাচিত পাঠকের লাগি। তারপরও বলি, সৃষ্টির আনন্দ, সবারকি সেই আনন্দের সৌভাগ্য হয়?
আপনিও দুম-দাম মেরে দিন কয়েক ছত্র।
আমার ও সৌভাগ্যের ভাগ নেই।
লেখা ছাড়ুন।
জমিয়ে রেখে লাভ নেই। উইয়েরা যত্রত্ত্র।
ব্লগ আড্ডা হলে চাও হবে।
বেশ কতগুলো পোস্টের পরে আপনার এই কবিতা সহজবোধ্য হলো… তবে সবচেয়ে আলাদা লেগেছে “জলে আঁকা তিলোত্তমা, দু’চোখে বাষ্প জমা”। কেউ কাঁদছে কি?
অরুনি মায়া কোথায়!!!
যাক, চা হলেই হবে।
ম্যানিলায় বসে হঠাৎ লেখা।
সহজবোধ্য কিনা জানিনা, যখন যা মনে হয় তাই লিখি।
সে শীত নিদ্রায়!!
শীতে নিদ্রায় এই!!! তাহলে রোজ চলুক :p
কঠিন অবস্থা!!!
শকুনি হেনেছে দৃষ্টি সেথায়!!
হোক তবে শকুনি কোন ছন্দ
দৃষ্টিতে লাগিবে বড়ই নন্দ,
রাজা আসিবে; খুশীতে লাল
রাজকন্যে শুধাইবে-ওহে নন্দলাল
রাজার দেখি শকুনি হাল… :p
হা হা হা হা……………. 😀 😀 😀 😀 নীতেশ দা কিছু বলার নাই আর…………..
:p :p
কেউ কি আপনাকে লাফিং গ্যাসের বোতল দিয়েছে নাকি?
আজি আকাশে বাতাসে শকুনি দৃষ্টি হানিয়াছে
ভাঙ্গিয়াছে শীতনিদ্রা,
রুপকথার রাজা আসিয়াছে; নন্দলালে দেখিয়াছে
কংকাবতীর অপেক্ষায়,
বটবৃক্ষ তাই হাসিয়াছে।
:p :p :p
ধন্য ধন্য রব উঠেছে
কেউ কি আছে আশে পাশে
যদি দেখে ফেলে কেউ
পালাই তার আগে।
কাকাতুয়া আছে নীরবে
আড়ালে কাকতাড়ুয়া হয়ে 😀
কতকাল, আসুক না এবার। :@ :@
আছে সে শুন্যালয়ে
রুপকথায় ফিরিবে শুন্য হয়ে :p
শুরু থেকেই ভরিয়ে দিবেন তাহলে। ;?
শুরুই তো শুন্য হতে
ভরবে যখন শেষ যবে। :p
নীতেশের মত ছন্দের নন্দ সবই অজানা,
তুলনা বিহীন এ ছন্দ রাজ্যে।
রুপকথা নেই তো কোন ছন্দ
তাল আছে বটে; লাগে না কিছুতেই মন্দ 😀
নীতেশ দা আনিছ ভাই আপনারা মায়াবতীর পিছনে লেগেছেন কেন এমন করে?
তাকে কি একটু ঘুমাতেও দিবেন না? :@
মনের মাঝে দাগ কেটেছে,
শুদ্ধ আর বুদ্ধতা দিয়ে,
হাসি আনন্দে মাতিয়েছে
লেখা দিয়ে আমাদের
মায়াবতী অরুনি মায়া।
গতকাল রাতে একবার দেখেছিলাম ভাইয়া অনলাইনে আছে, তখন ভাবিনি সকাল বেলা কি অপেক্ষা করছে। যখন দেখলাম তখন মনে হয়েছে, একি ভাইয়া ত দেখি সবাইকে নিয়ে ভাবনায় হারানো শুরু করেছে। -{@ -{@
ভেবে হারানোর মজাই আলাদা, সাবধান, আপনি যেন আবার হারিয়ে না বসেন,
সামনের হাল যে দিকে যাই পেছনের হাল সেই দিকেই যাবে। ভাই বলে ত কথা। :p
সামনের হাল কঠিন বাস্তবতায় বিশ্বাস রাখে, অতএব আমরা আমরাই।
তাহলে পিছনেরটাও তাই করে। 🙂 🙂 হুম আমরা আমরাই।
মনে রাখতে হবে। আমরা আমরাই।
থাকুক তিনি এমনি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে
সময়ের পরীক্ষিত একান্ত আপনজন হয়ে
শুভ কামনা রাশি রাশি -{@ -{@
এই উপলক্ষে একটা আড্ডা হতেই পারে
একটু চা টা না হয় খেলাম 🙂
আমার আকাশে সে ধ্রুব তারা, আছে থাকবে।
শুধু চা কেন, সেদিন আমরা আরও অনেক কিছুই খেতে পারি।
অপেক্ষা সে দিনটির।
বাহ চমৎকার !!
অবশ্যই চমৎকার। ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালবাসা হোক, জাগুক প্রাণে সত্যের শিখা নিয়ে।
কবিতা ভাল লেগেছে।
সত্য খুব কঠিন, আরও কঠিন তাকে ধারণ করা,
শুভেচ্ছা জানালাম।
“সত্য যে কঠিন,
কঠিনেরে ভালবাসিলাম –
সে কখনো করে না বঞ্চনা।”-কবি গুরু বলেছেন।
সত্য ছাড়া প্রেম হয় কি করে? বস্তুত সত্যই প্রেম বাকী সব ভণ্ডামি।
কঠিন হলেও এ কাজটি যে করতেই হবে কবি। শুভ কামনা
ধন্যবাদ,
ও আচ্ছা এই ব্যাপার!!!! আমরা এতদিন পরে এটি জানলাম!!!!!!!!! অবশেষে রোমিও তার জুলিয়েটকে খুঁজে পেলো -{@ অভিনন্দন এ যুগের রোমিও জুলিয়েটকে -{@ -{@
আরে বাবা, জানলেই হোল, আগে পরের কিছু নেই,
আবশ্যই জুলিয়েট পাওয়া গেছে, আপনার আনন্দ অভিনন্দন হৃদ্ধ চিত্তে ধারণ করা হোল।
ব্লগ আড্ডায় চা খেয়ে যাবেন, লুকিয়ে হলেও।
শুধু চা দিয়ে হপে না :p রোমিও জুলিয়েট বলে কথা। একটা মান সন্মানের ব্যাপার আছেনা? সব খাবারের পরে চা হপে 🙂
ঠিক আছে ভত্তাবতী, আপনি যেমন বলেন তেমন ই হবে,
মেনু ঠিক করার ভার আপনাকেই দিচ্ছি, তবে আঁচলে বেঁধে কিছু ভত্তা নিয়ে এলে
মন্দ হয় না, মনে রাখবেন।
উইইইইইইইমা, বাংলার কাকাতুয়া বাংলার রোমিওর পায়ে বেড়ি দিলো, ম্যানিলায় গিয়ে !! খুবই খুশি। এইযে উড়িয়ে দিলাম স্পেশাল বাবল, রংবেরঙের বেলুন। যাক্ বাবা লিস্টি দেখে ভয়েই বাঁচতাম না, এতদিনে দাঁড়ি পড়লো। কি যে দেই বন্ধু জিরাফ আর মায়াবতী মায়ার কন্যাকে!
এই নাও এত্তো শুভেচ্ছা। -{@ -{@
জল রঙা ছবি? সুন্দর, চিত্রকরের মতোই।
বাঁকি মন্তব্যের জন্য আপনার প্রিয় অপেক্ষা।
ভাবলাম ভেগে গেছেন!! আনন্দে প্রায় বগল বাজাতে যাচ্ছিলাম, ভন্ডুল করে দিলেন!!
এটা ঠিক না ভাউ, ঘোলা জলে ধরিব মৎস, খাইব কাঁচা মনের সুখে, আপনি লুক ভালু না।
হ্যাঁ, অবশেষে পাইলাম, উহাকে পাইলাম, মায়াবতী কৈন্যা কে ই পাইলাম, সবই ঠাকুরের কৃপা।
দড়ি ভ্রমে মালা, মালা ভ্রমে দড়ি না, পেলাম।
অপেক্ষা আমরা করবই আপনার আরও ফুল-ফলের জন্য, এত অল্পেতে তো হওয়ার না।
(3
নিদ্রা উত্তম,
চালু রাখুন জোড় কদমে।
কেউ একজন ডেকে ডেকে ঘুম ভাঙিয়ে দিল,,,
ঠিকাছে।
(3
এইডা আবার কী দেলেন!!
কইয়া ফ্যালান।
এটাকে হৃদয় বলে বাংলায় আর ইংরেজিতে হার্ট,,,
আপনি ও বুঝি দাক্তার।
না হৃদয়ের অর্ধাংশ,,,
ও আচ্ছা, বুঝ পাইছি।
বন্দে মায়া লাগাইছে সোনেলায় আসিছে, কি আনন্দ বাতাসে মায়া আসিছে 😀 \|/
কিছু কমু না।
:D) :p :D)
ও নীতেশ দা আপনারে ছেড়ে কেমনে থাকি , পরাণ আমার বাইরাম বাইরাম করে… :p
বাইরাম বাইরাম করলে করুক, আপনার উপর রাগ হইসে :@
কেন কেন কেন 🙁 ;( (-3
আমার যা না পছন্দের তার মধ্যে একটি হচ্ছে আড়াল থেকে দেখা আর দেখেও কিছু না বলা। এই আড়াল থেকে দেখা অনেক সময় অনেক ভুল বুঝাবুঝির ইঙ্গিত দেয়।
জীবন প্রতি মুহূর্তে মুহূর্তে রং বদলায় | সব কিছু বলা যায়না ,সব কিছু বুঝে নেওয়াও যায়না নীতেশ দা | শুধু বলব পৃথিবীর সব কিছু আমাদের অনুকুলে থাকেনা,,,
আশা করি বুঝে নিবেন,,,
হায়!! জীবনে এইজন্যেই বুঝি এই গান শুনতে হয়েছে “আমি কুল হার কলঙ্কিনী’ ;?
হা হা হা হা হা
সব ফকফকা -{@
যাক অবশেষে কোন এক বাড়িতে পথ থেমে গিয়েছে। বয়ে চলুক ফুলের সুবাতাস।
আপনি এবার সত্যি প্রমাণ করলেন আপনি সক্ষম পুরুষ,
কাজে নেমে পড়ুন জলদি, সময় ক্ষেপণ করা ঠিক না,
ফুল ছড়াক মস্ত আকাশ জুড়ে।
খুব রংএর ছড়াছড়ি
জল রং এর ছড়াছড়ি।
জল দিয়ে ছবি আঁকলেন আপনার তিলত্তমার? আপনার পক্ষেই সম্ভব।
কষ্টের মায়ায় জড়িয়ে অনেক সুন্দর লেখা। এত সহজে এত কঠিন কথা লিখলেন?
এ ভাবে ধরে ফেলা ঠিক না, লিখি আনন্দবেদনায়, ভালো মন্দ ভাবি না। লুকানো ক্ষতটাও
দেখে ফেলা ঠিক না। ধুর কি না কি কন। ভালোবাসায় কষ্ট তো থাকেই।
দাড়ুন লাগলো !
মনে আছে দেখছি।
ভাল থাকুন শত শত ব্যস্ততায়।
জলরঙ বড়ো প্রিয় আমার। আর লেখার অক্ষরে যে রঙ ছড়িয়েছে সে তো আপনাকেই মানায়।
কবিভাই চলুক মায়াবী জলরঙের ক্যানভাস সোনেলার দেয়ালে ঝুলুক অনন্তকাল। (y) -{@
ধন্যবাদ আপনাকে।
ছাইরাছ ভাই, লিখেছেন বেশ!
কিন্তু আমার এক বাতিক আছে কিছু পেলেই সাথে সাথে কোন কোন গান হুট করে এসে হাজির হয়ে যায়। এখন আসল “লাভ রান্স ব্লাইন্ড” এর “আমিতো প্রেমে পড়িনি, প্রেম আমার উপরে পড়েছে”। 😀
https://www.youtube.com/watch?v=MJC4-iPnmB0
অপেক্ষা করছি বটতলার আড্ডার। (y)
আপনার দেয়া গান আমার সব সময় ই পছন্দ হয়, আপনার পছন্দের তারিফ করতেই হয়।
অবশ্যই আড্ডা হবে, অপেক্ষা করতেই আছি।
-{@
শান্তি পাই না।
শান্তি কিসে ফিরবে সেটা বলে ফেলুন ,,,
শান্তির কাছে যাইতাম চাই
মোয়া-মুড়ি খাইতাম চাই।
কে এই শান্তি? :@
নতুন জুটল বুঝি :@
দিন দিন সাহসের বৃদ্ধি ঘটছে দেখতে পাচ্ছি |
নাহ ঘোড়ার লাগাম খুলে দিয়ে ভুল করলাম দেখছি :@
মায়াবতীর ম্যালা মায়া। উপলব্দি করে করে আমি শান্তিতে এখন ঘুম দিব।
বুঝলাম, বুঝলাম, এবং বুঝিলাম।
মায়াবতি ফিরে আসুক।
কিছু অধম নিপাত যাক।