মূল লেখায় যান

আমরা ফিরে এলাম হোটেলে, ফ্রেস হয়ে প্রথমে ডিনার করতে গেলাম, ডিনার শেষে রুমে ফিরে এসে দুজনেই শুয়ে পড়ে আমাদের পুলাও পায়ার ভ্রমণ নিয়ে স্মৃতি রোমন্থন করতে লাগলাম, এক সময় দুজনই ঘুমিয়ে পড়লাম, আসলে প্রচন্ড টায়ার্ড থাকার কারণেই ঘুম এসে গেলো। পরদিন সকাল আটটায় ঘুম ভেঙ্গে গেলে উঠে গিয়ে দুজনই ফ্রেস হয়ে নিচে চলে এলাম ব্রেকফাস্ট… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৭)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ১৭টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৬) পর্ব-২৭ রন্থাম্ভোর ন্যাশনাল পার্কের অভিমুখে দ্রুত গতিতে গাড়ি ছুঁটে চলছে। গাড়িতে বসেই প্রকৃতির সৌন্দর্য ও সকালের রোদের মিষ্টতা অনুভব করছি। বিধাতার নিজ হাতে গড়া প্রকৃতি যে কাউকে আকৃষ্ট করে। আমিও মানুষ। আমারও মন আছে। ভালোবাসা আছে। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার লোভও আছে। আধিকারও আছে। মাঝে মাঝে মনে হয়… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৬)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২২টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৫) পর্ব-২৬ রাতের খাবার শেষে আমরা ১১টার মধ্যে যার যার রুমে ঘুমিয়ে পড়লাম। সারাদিনের পরিশ্রম ও রাতে শপিং এবং ভরতপুর শহরটা দেখার জন্য ঘুরতে যাওয়ায় সবাই ক্লান্ত ছিলাম। বিছানায় শরীর হেলিয়ে দেবার পর কখন যে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হলাম বলতেই পারবো না। ভোর ৬টায় আমাদের ট্যুর অপারেটর সুজিত বেরা… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৫)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২৪টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিংক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৪) পর্ব-২৫ আমরা ভরতপুরের কেওলাদেও ন্যাশনাল পার্কে একটানা দু’দিন বিচরন করে শেষ দিনে সন্ধ্যা ৭:০০টায় মূল ফটকে পৌছালাম। জীতেনদের পারিশ্রমিক মিটিয়ে সবাইকে নিয়ে বনের ক্যাফেটরিয়াতে ঢুকলাম। সারাদিনের অর্ধাহার ও টানা কাজে দেহ-মন ক্লান্তিতে অবসাদ হয়েছিল কিছুটা সময় বিশ্রমা নিলাম। আস্তে আস্তে ঠান্ডা বাড়তে শুরু করলো। সবাই কফি ও হালকা… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৪)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ১৯টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৩) পর্ব-২৪ সূর্য্য অস্ত যাবার ৩০মিনিট বাকি। এরই মধ্যে আমরা ৬ নাম্বার জোনের ভিতর প্রবেশ করলাম। প্রথমদিনই আমরা শুরু করেছিলাম এই জোন দিয়ে। ফ্লেমিংঙ্গো পাওয়ার আসায় আমরা উল্টো দিক থেকে যাত্রা শুরু করি। যেটা ছিলো আমাদের ভুল সিদ্ধান্ত। কারন, এই জোনটা মূলতঃ সবুজ মাঠে ঘেরা। মাঝে মাঝে কিছু খন্ড… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৩)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২৪টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২২) পর্ব-২৩ আমরা দ্রুত ৫ নাম্বার জোনে যাত্রা করিলাম। সময় হাতে একেবারেই নেই। সূর্য্য অস্ত যাবার মাত্র দেড় ঘন্টা বাকি। আমাদের সবার ভিতর এই সময়ে নতুন প্রজাতির কিছু পাওয়ার লোভটা কাজ করছিলো ৫ নাম্বারে পৌছার আগে মূল সড়কের ধারে ওক গাছে কিছু খোড়লে পেঁচার দেখা পেলাম। সচারচর এক সঙ্গে… [বিস্তারিত]

মালয়েশিয়া ভ্রমণ (লাঙ্কাবি পর্ব ৩)

ইঞ্জাভ্রমণ২৫টি মন্তব্য

আমরা ছুটে চলেছি সাগরের নীল জল ছিড়ে, চারিদিকে প্রাকৃতিক সবুজ পাহাড় মাঝে সমুদ্রের স্বচ্ছ জলরাশি, মাঝে মাঝে ডলফিনের ছুটে চলা, যা এক অপার্থিব সৌন্দর্য্যের সৃষ্টি করেছে। প্রায় দেড় ঘন্টার মতো সময় লাগলো আমাদের পুলাও পায়ারের কাছাকাছি যেতে, দূর থেকে দেখছি পুলাও পায়ার দ্বীপের সৌন্দর্য্য, বিচের থেকে আলিশান এক জেটি গেইট সমুদ্রের বুক ছিড়ে দাঁড়িয়ে আছে… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২২)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২২টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২১) পর্ব-২২ কেওলাদেও পার্কে আজ আমাদের শেষ দিন। বিকাল ৪টায় “সালিম আলী” মিউজিয়াম থেকে বের হলাম। সূর্য অস্ত যেতে আরো আড়াই ঘন্টা বাকি। তাই আমাদের হাতে এই আড়াই ঘন্টাই সময় ছিলো। সকলের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিলাম যে, যতটুকুন সম্ভব ৪,৫, ও ৬ নাম্বার জোনে ঝটিকা সফর দিবো। নতুন কিছু… [বিস্তারিত]

মালয়েশিয়া ভ্রমণ (লাঙ্কাবি পর্ব ২)

ইঞ্জাভ্রমণ৩১টি মন্তব্য

হোটেলে ফিরে আমরা রুমে গেলাম, টুইন বেডের রুমটা থেকে মনোরম সুইমিংপুল, এরপরে নারিকেল গাছের সারি, তার ওপারে বেলাভূমি এবং সাগর দেখা যায়, এই মাস সাত আটেক আগেই ইন্দোনেশিয়ার ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে এই সমুদ্রের জলরাশি মালয়েশিয়ারও ক্ষতি করেছিলো ভেবে ভয়ে ভয়ে বাইরে তাকালাম, খুবই মনোরম দৃশ্য, সুইমিংপুলে যুগলরা সাঁতার কাটছে, কেউ কেউ ককটেইল পান করছে, এইসব… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২১)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২৯টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২০) পর্ব-২১ মূলতঃ ২ নাম্বার জোনের হাতের ডান দিকটা বিলে ঘেরা। বাঁ দিকে পুরাটা জুড়েই সালিম আলী মিউজিয়াম ও মনোরম বাগান। এই বাগানে হরেক রকমের ফলের গাছ ও ফুলের দেখা পেলাম। সালিম আলী নিজেই বাগান পরিচর্যা করতেন। এই বনটিকে পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলার পিছনে তাঁর অবদান কেউ অস্বীকার করতে… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২০)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ১৪টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৯) পর্ব-২০ ২ নাম্বার জোনে পৌছার আগে আমরা মূল সড়কের হাতের বাঁ দিকে উঁচু গাছে একটা পাখির দেখা পাইলাম। দূর থেকে বুঝা যাচ্ছিলো না কি পাখি? দূরবীন দিয়ে পাখিটিকে দেখার চেষ্টা করলাম। অপরিচিত মনে হলো। নিশ্চিত হলাম পরিযায়ী ও আমার অদেখা পাখি। চিল বা ঈগল জাতীয় মনে হলো। বেশ… [বিস্তারিত]

২০০৪, ২০০৫ সালের কোনো এক সময় জানতে পারলাম মালয়েশিয়াতে নিজেদের ব্রান্ড গাড়ি বানাচ্ছে, যেহেতু এক সময় গাড়ি ব্যবসায়ী ছিলাম তাই ভাবলাম যায় মালয়েশিয়া ঘুরে আসি। তখন মালয়েশিয়ান সরকার পর্যটকদের সেই দেশ ঘুরে বেড়াবার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছিলো জেনে গেলাম পরিচিত এক ট্রাভেল এজেন্সিতে, তাদের কাছে জানতে চাইলাম বিষয়টা কি? ওরা জানালো মালয়েশিয়ার ভিতরে যেকোনো দুইটা… [বিস্তারিত]

আগের পর্বের লিঙ্কঃ-মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৮) পর্ব-১৯ ১ নাম্বার জোন থেকে বের হলাম। রিক্সায় না চড়ে পায়ে হাঁটা শুরু করলাম। মূল সড়কের দুই ধারে লম্বা লেকের মতন। ভাবলাম হেঁটে যাই। অনেক সময় এই ধরনের লেকের পাশের ঝোপ-ঝাড়ে বা গুল্ম গাছে ছোট ছোট পাখি দেখা যায়। আমার সঙ্গীরাও কেউ রিক্সায় উঠলো না। রিক্সার বাহকদের বললাম ২… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৮)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ১৭টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৭) পর্ব-১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০মিনিটে আমরা হোটেল রুমে পৌছালাম। সারাদিন একটানা ছবির জন্য বনের ভিতর হেঁটে ক্লান্ত ছিলাম। যতক্ষন ছবি তোলায় ব্যাস্ত ছিলাম ততক্ষন আরাম-আয়েশের কোন সুযোগ ছিল না। কাজের মাঝে থাকলে কখন যে সময় চলে যায় তা উপলব্ধি করা যায় না। আর সেই কাজ যদি হয় ফটোগ্রাফী তা’হলে তো… [বিস্তারিত]

বাংলাদেশের সিলেট ঘেষা মেঘালয়ের পাহাড়ি গ্রাম রিওয়াই। পাহাড়ের ভেতর আকিবুকি কেটে বেড়িয়ে গেছে ছোট একটা পাহাড়ি নদী থাইলং। বর্ষায় এই নদীগুলো ভয়ঙ্কর গতিতে মেঘালয়ের পানিগুলো বাংলাদেশের ভেতর পাঠিয়ে দেয়। রিওয়াই গ্রামের সেই ছোট্ট নদীর দুই ধারে গজিয়ে উঠা কয়েকটি বট গাছের শেকড় জড়ো হয়ে তৈরি করেছে একটা সেতু। ওটাকে স্থানীয়রা নাম দিয়েছে ‘লিভিং রুট ব্রিজ’… [বিস্তারিত]