মূল লেখায় যান

পৃথিবীর পথে পথেঃ গ্রীস, এথেন্স, সাল ২০০৯ ,ভ্রমণ কাহিনী "If Greece is destroyed completely, an olive tree, a vine and a boat will remain. That is enough to rebuild her from the beginning" আমাদের এবারের গন্তব্য স্থল 'গ্রীস' এবং তার রাজধানী 'এথেন্স'। লন্ডন থেকে গ্রীস মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টার ফ্লাইট । চলেছি সেই পথে ।… [বিস্তারিত]

পৃথিবীর পথে পথেঃ ইটালি ,মাউন্ট ভিসুভিয়াস ,ভ্রমণ ,কাহিনী পম্পের মৃত ব্যাক্তির সলিড মমি পম্পেই ,ক্যাফ্রি আইল্যান্ড এবং মাউন্ট ভিসুভিয়াস (ইটালি) সাল ২০১২ " Volcanoes are nature's way of reminding us how small we are" ভিসুবিয়াস এর জ্বালামুখ থেকে গ্যাস দেখা যাচ্ছে আমাদের ট্র্যাভেল পরিবার গ্রুপের এবারের গন্তব্য পম্পেই । ইটালি লন্ডন থেকে বেশি দূরে নয়… [বিস্তারিত]

ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় একবার আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে ভারত গিয়েছিলাম। সময়টা ছিলো ১৯৯৩ সাল। যেদিন বেনাপোল বর্ডার পাড় হয়ে ওপার বনগাঁ পৌঁছেছিলাম, সেদিন ছিলো পহেলা বৈশাখ ১৪০০ বঙ্গাব্দ। সেদিনের ওই যাত্রায় আমরা ছিলাম চারজন। আমি, আমার বন্ধু ও বন্ধুর দুই বোন। বনগাঁ থেকে রাত দশটার ট্রেনে চড়ে দমদম নামলাম। রাত তখন প্রায়ই বারোটা। তারপর… [বিস্তারিত]

আরো তিন সপ্তাহ আগে সীতাকুণ্ড পাহাড়ে উঠার ইচ্ছে হয়েছিল। বউয়ের বান্ধবীর বাড়ির দাওয়াত বাঁধা হয়ে দাড়ালো।পরের শুক্কুরবারে আবার মেয়ে বায়না ধরলো ছোট কাকুর হউর বাড়ি বেড়াতে যাবে,তাই হলো না যাওয়া সেই শুক্কুরবারেও। আজ শুক্কুরবারের আগের দিন, আমার নীল গেঞ্জি নীল হাপপেন্ট (যা আমি নদী কিংবা পাহাড়ে গেলেই সাথে নেই) সহ কাঁদে ঝুলানো বেগটা দেখি রেডি… [বিস্তারিত]

সময়টা তখন ১৯৯৩ ইংরেজি ১৪০০ বঙ্গাব্দ। সেসময় আমি আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে ভারত গিয়েছিলাম। গিয়েছিলাম অনেক আশা নিয়ে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হয়নি। খামোখা দেড়বছর নিজের পরিবারবর্গ থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরেছিলাম। লাভের মধ্যে লাভ হয়েছিল আমার বড়দি’র দেখা পেয়েছিলাম। দিদির বাড়ি খুঁজে পেয়েছিলাম। আমার বড়দি’র বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার বীরপাড়া।… [বিস্তারিত]

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম… [বিস্তারিত]

ডাইয়ার কুম টু মৈনট

সাখাওয়াত হোসেনভ্রমণ১৯টি মন্তব্য

লোকমুখে যখন থেকে শুনতে শুরু করি মিনি কক্সবাজার খ্যাত অপরূপ মৈনটের সৌন্দর্যের কথা তখন থেকেই মৈনটের প্রতি গভীর ভালবাসা আর নির্মল প্রেম অন্তরে জাগ্রত হতে শুরু করে। মনে প্রবল স্বাদ জাগে একটিবার হলেও মৈনটের অপার সৌন্দর্য অবলোকন করতে যাব। তবে, এইবার শীতে আমার একটা শখ জাগলো, আমি একা গ্রামের ভিতর দিয়ে গ্রামের অপরূপ বৈচিত্র্য দেখতে… [বিস্তারিত]

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম… [বিস্তারিত]

শতবর্ষী মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি

কামাল উদ্দিনভ্রমণ১৮টি মন্তব্য

কেউ বলেন জমিদার বাড়ি, কেউ বলেন রাজবাড়ি। নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও শতবর্ষী মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি। বিভিন্ন সময় এ জমিদার বাড়িটি কয়েকজন জমিদার কর্তৃক সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। এটি উপজেলার মুড়াপাড়া নামক গ্রামে অবস্থিত। জমিদার রামরতন ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালে ৪০ হেক্টর জমির উপর নির্মাণ শুরু করেন মুড়াপাড়া… [বিস্তারিত]

গ্রামের নাম সুংসাংপাড়া

কামাল উদ্দিনভ্রমণ১৮টি মন্তব্য

রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরপুর পাহাড়ি মানুষগুলোর জীবন । ওদেরকে খুব কাছ থেকে দেখতে পাওয়া বা ওদের গ্রামে একটি রাত্রি যাপন করার মাঝে অনেক রোমাঞ্চ আছে । সুংসাং পাড়া তেমনি একটি গ্রাম । এটি কেওকারাডাং এর একেবারে পায়ের কাছের একটা গ্রাম । রুমা থেকে রওয়ানা হয়ে বগালেক ও কেওকারাডাং পর্বত পার হয়ে ২০/২৫ মিনিট হাটা পথে… [বিস্তারিত]

বাংলার নিউজিল্যান্ড

কামাল উদ্দিনভ্রমণ৩৫টি মন্তব্য

পানখাইয়া পাড়া থেকে বেড়িয়ে আপার পেরাছড়া গ্রামের দিকে যাওয়ার রাস্তাটাকে বলে নিউজিল্যান্ড সড়ক। সড়কের দুইপাশে সবুজ ক্ষেত খামার, এটাই খাগড়াছড়ির একমাত্র সমতল ভূমি। সবুজ শস্যক্ষেত আর তার পিছনের পাহাড়ের মিতালি এক অসাধারণ নান্দনিক সৌন্দর্য এখানে ছড়িয়ে আছে। এরূপ দৃশের কারণে স্থানীয় মানুষজন একে নিউজিল্যান্ড নাম দিয়েছে। এক্ষেত্রে বলা যায় পানখাইয়া পাড়া আর পেরাছড়ার কিছু অংশ… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া- শেষ পর্ব

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২১টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক-মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৯) শেষ পর্ব- বিকাল ৪:১০ মিনিটে আমরা ১ নাম্বার জোনের ভিতর প্রবেশ করলাম। দুই ধারে পাহাড়ের কোল ঘেঁষা পথ। চারিদিকে সবুজ গাছ-পালা ও গুল্ম-লতায় যেন বনটিকে সবুজ চাঁদরে ঢেকে রেখেছে। বনটিকে এক নজর দেখলে যে কোন প্রকৃতি প্রেমিক এই বনের প্রেমে পড়ে যাবে। আর নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ঘেরা এই পথ ধরেই… [বিস্তারিত]

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৯)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২২টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৮) পর্ব-২৯ আমাদের ২০ জনকে নিয়ে কেন্টার বনের ভিতর ছুটে চললো। গাইড সঞ্জিত কে বললাম প্রথমে আমাদের কোন জোনে নিয়ে যাবে? জবাবে বললো ২ নং জোন হয়ে এক নং জোন হয়ে শেষ করবে। কারন যাইতে চাইলে বললো ১ নাম্বারে আগে গেলে এর অর্ধেক পথ ফিরে এসে ২ নাম্বারে যেতে… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৮)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ১৯টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক-মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৭) পর্ব-২৮ আমরা সকাল ১১:৩০মিনিটে মধপুর জেলার গড়িয়ানা শহরের হোটেল কিং ভ্যালীতে পৌঁছালাম। আগে থেকেই আমাদের জন্য হোটেল রিজার্ভেশন করা ছিল। গাড়ি থেকে নামার পর হোটেল বয় আমাদের মাল-সামানা নিয়ে গেল। আমরা অভ্যর্থনা রুমে যাবতীয় কাজ শেষ করে যার যার রুমে গেলাম। রুমে মালপত্র রেখে ওয়াশ রুমে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।… [বিস্তারিত]