মানুষ মানুষের জন্য মানবতা হউক প্রধান ধর্ম ধর্ম যেখানে প্রতিবন্ধকতা মানবতা; সেখানে নির্বিগ্নে চলা। মরলে দেহ ভষ্ম ছাইঁ হবে লাশের কী দাম শুয়ালে কবরে পাপ পূর্ণ্যের বিচার হবে কোন কালে! দুনিয়ায় বসে, তুমি আমি বুঝিবো কেমনে ? দুনিয়ায় থাকতে প্রান করবে না এতো হিসাব মানুষ মানুষে করো সন্মান আজকে মরলে কালকে হবো তুমি আমি চির… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
(আমার)শব্দেরা আঁকাবাঁকা নদীর মত, ছুটে যায় দৃষ্টি সীমা পেরিয়ে দূর-জল-সীমায়, পাল্টে যাওয়া ছবির মত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুর মত। প্রতিটি শব্দ, নিরাভরণ সুখে কাছে এসে জানতে চায়, কোথায় কী-কী লুকিয়ে রেখেছি, লুকিয়ে ফেলেছি; সাড়া দেব দেব করে বলা হয় না, পরিশুদ্ধ মহাশূন্যে স্পষ্ট-স্পষ্টতার মাঝে কত-কী পড়ে আছে, চূড়ান্তের মত সতেজ মসৃণ স্ফটিক স্বচ্ছতায়; মাটিচাপা বিবর্ণতা… [বিস্তারিত]
সব অভিভাবকই তাঁদের সন্তানদের ভালোবাসেন, এটি দিন-রাতের মতো সত্য এবং পরিষ্কার। কিন্তু সন্তানদের মানসিক অবস্থা আমরা ক'জন অভিভাবক আন্তরিকভাবে বুঝার চেষ্টা করি? নিজেদের অজান্তেই ভুল করে ফেলি আমরা। জানতেও পারি না কোথায়, কী কারণে আমাদের পেরেন্টিং প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বড় রকমের কোনো দুর্ঘটনা ঘটে গেলে আমরা অভিভাবকরা নড়েচড়ে বসি। কথায় কথায় অন্যের উদাহরণ টানি। তখনই আত্নশুদ্ধির… [বিস্তারিত]
সহস্রদিনের ব্যস্ততাকে শিকেয় তুলে ডায়েরির পাতায় লিখে রাখা গল্পকথায় একান্ত অনুভূতিতে, সমসাময়িক বিচিত্রায় ছবিতে, শয়নেস্বপনে স্মৃতিতে ভাস্কর মুগ্ধতায়- কথামালার পসরা সাজানো ডালার সব ফুল যেনো শুকিয়ে পরছে ঝুরঝুর করে। শুনেছি তৃণে তৃণে ধুলোয় ধুলোয় দেহের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লোকে লোকান্তরে গ্রহে সূর্যে তারার মেলায় নিত্যকাল ধরে, অণুপরমাণুদের নৃত্যকলরোল আমার আসনকে ঘিরে আজ করে অনন্ত কল্লোল। অক্ষরের… [বিস্তারিত]
তছনছ করা জাস্তি রাধাচূড়া,গুচ্ছের কদম-সুঘ্রাণ, খরাঋতুতে বৈশাখী ঝড়ে পাল উড়িয়ে হেঁটে যাব নক্ষত্র পথে, নকশীকাঁথা-ভোর আমায় পথ দেখাবে, উচ্ছল হৃদ-স্পন্দনে; শরৎ-মেঘ পেছনে ফেলে এসেছি, হাবুডুবু জল-মেঘের প্রতীক্ষায়, উঠোন জুড়ে বর্ষণ-মুখর ভিজে যাওয়ার আবেগ আঞ্জাম, দোলন চাঁপা ঘুম সে-ও আসবে; কিছু স্বপ্ন স্বপ্নেই থেকে যায়, সময়ের আলিঙ্গনে, সবুজ প্রান্তরের নীল-দিগন্ত বৃষ্টির ঝর্ণা হয়ে ধরা দেয়-না, ক্লান্তি-বিহীন… [বিস্তারিত]
লতানো সবুজের এক চিলতে সবুজে দাঁড়িয়ে দেখি নীল অপরাজিতা, কামিনী, হাস্নুহেনা, সুঘ্রাণে খুঁজি জন্ম-দাগের মন, সুখ খুঁজি; আসলে বন্ধু-টন্ধু বলে কিচ্ছু নেই, শুধুই রংয়ের পাতাবাহার, দ্বিচারিতার অসুখের মত, পড়শিনী ফুল-রমণীর মতই কাঁচ ভঙ্গুর, যত্ন আত্তির আভিজাত্যে; সমূহ স্বজন অবহেলে বদলে গেছে সেই কখন! ঈর্ষা আর প্রেম সে-তো খোয়াবের আঙ্গিনায়, ঘুরে ফিরে নিষিদ্ধ গন্ধমের উচ্ছলতায় আঁটকে… [বিস্তারিত]
পনের দিন হয়ে গেলো সেই পরিচিত সুর-ব্যঞ্জনা, কাকের কা-কা, সে-ই চিরচেনা সমীরণ আমাকে জাগিয়ে তুলে না/রাগিয়ে দেয় না। সে-ই যানজট, জনজট, দূষণজট, জলজট আমাকে জড়িয়ে ধরে না বিরক্তিমাখা আলিঙ্গনে। তবুও শূণ্যতা ভর করে আছে সমস্ত দেহ-মন জুড়ে। কোথায় যেন , কি যেন হারিয়ে ফেলেছি খসেপড়া উল্কাখন্ডের মতো -ছন্দপতন ঘটেছে জীবনে। এখানে নেই কোনো গাড়ির কালো… [বিস্তারিত]
প্রিয় "সোনেলা" তুমি সবসময় তোমার সকল ব্লগারদের নিয়ে অনেক ভালো থাকো আমি জানি। তোমার উঠানে সবার কবিতা,গল্প,উপন্যাস,রম্য এবং চিঠির মৌ মৌ গন্ধ অনেকদিন থেকে নিতে পারি নি ব্যস্ততার কারনে। কিন্তু দিনশেষে যখন ঘুমাতে যেতাম তখন একবার হলেও চুপিচুপি তোমার উঠানে উঁকি দিয়ে বের হয়ে আসি কিন্ত🤪। অনেকের লেখা পড়ে মন ভালো করে আবার চুপিচুপি সরে… [বিস্তারিত]
পাশে পাশে হেঁটে-যাওয়া মধ্য-বয়স ধাঁ-ধাঁ-র কালস্রোত হয়ে ঝুলে থাকতে চায় না, অলক্ষ্য-কে বিনিময় করে নিত্য-নূতনের অভিপ্রায়; এক চিমটি আগুনের বিনিময় বুঝে নিয়েছে উল্কি আঁকা আস্ত-মস্ত কুমারী চাঁদ। এই দেখ, গাঁটের কড়িতে হাতে নিয়েছে পুনর্জীবিত দারুণ চাবি, ইচ্ছে হলেই খুলে ফেলতে পারে নবীন-নবীন তালা যখন তখন,সরব প্রতিযোগিতা করে। বরফ দেশ, গহীন জঙ্গল, গুহা বা হিমালয়ের চুড়া,… [বিস্তারিত]
ছায়া-মায়ার বিভ্রম লুকিয়ে রেখেছি সযত্নে, বুক পকেটে, সোনার-কাঠি রূপোর-কাঠি, জিয়ন-কাঠি-ও; সামান্য ফুঁ-তে নিভিয়ে দিতে পারি আগ্নেয়গিরির মরণ-লাভা, ইশারার চাঁদ ছুটে এলে পুরো জ্যোৎস্না পুরে নিতে পারি একটি আস্তিনে, উত্তাল-সমুদ্র থিতু হবে বালিয়াড়িতে, আঙ্গুলের সামান্য নির্দেশে; জীবন্ত মানুষ বেড়িয়ে আসবে কাফন ঠেলে, কাবিলের হাতে খুন হওয়া ভাই-কে জাগাতে/ফেরাতে পারবো-না। করোনা জয় করে মসজিদ-তারাবীতে যেতে পারি-না, অবিশ্বাস… [বিস্তারিত]
একলা চলি, একলা ঘুরি। একলা যাবো ঐ দূর পাহাড়ে, সঙ্গে নেবো তাহারে। আহারে, আহা! এক বৈশাখে বোষ্টুমীর এমন গান শুনতে শুনতে গিয়েছিলাম ঐ দূর পাড়ায়। সে পাড়ার কৃষ্ণকায় রমণীরা চুলের খোঁপায় আম্রপল্লব গুঁজে গানের তালে তালে নৃত্য করে। বাঁজে সেথায় মাদল, বাঁজে গোকুলের বাঁশি। ফুটেছে মধুমালতি। ফুটেছে চন্দ্রমল্লিকা। একে একে আসে ধেয়ে মাতাল করা তীব্র… [বিস্তারিত]
ওপড়ানো চোখের ভিক্ষুক ঠিকঠাক হেঁটে যায় সময়ের প্রান্ত ধরে নির্বিঘ্নে, গলি, রাজপথ, আলপথ, জীবনের অলিন্দ-নিলয়ে; এ যেন তার পূর্ব পুরুষদের ভিটেমাটি, চেনা মেঠোপথ। এ যেন রূপ-কথার ডালিম কুমারের চির চেনা হাঁটা-পথ-ঘাট, ঘুম এখানে নির্বিষ, রাক্ষস খোক্ষসের বাস এখানে নেই, ছদ্মবেশী এক মুখো দু’মুখো সাপ-কোপ! নাহ্, তা-ও এখানে নেই। নীরবতার অন্ধ-প্রদীপ পান করে, আঁজলা আঁজলা সুখন… [বিস্তারিত]
এখন কাক ডাকা ভোর। চতুর্দিকে কাকদের কা কা আর, পাখিদের কিচিরমিচির কোলাহল। ঘুটঘুটে অন্ধকার সারা শহরময়; নির্জন নিস্তব্ধতার চাদরে আবৃত। এই অন্ধকারের বুক চিড়ে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা ল্যাম্পপোস্ট গুলোর- মস্তকে জ্বলজ্বল করছে এক পসলা নিয়ন বাতির আলো। এখন এই রাত্রির শেষভাগে ক্ষণে ক্ষণে- ডেকে উঠছে রাস্তার বেয়ারিশ কুকুর গুলো, যেনো আপনজন/প্রিয়জনের শূন্যতার ভার সইতে… [বিস্তারিত]
বাজ-পড়া তালগাছ ঠায় দাঁড়িয়ে, স্থাণু, সাধ ছিল, ছিল স্বপ্ন, বিশ্রাম-পথিক ছিল, ছিল বাবুইদের ঘরদোর; এখন শুধুই মৃত্যুর তারিখ খোদিত হয়ে আছে, জন্ম! কেউ জানে না, জানি না, জানবে-ও না; ভেকধারী কেউ বলতেই পারে, জানি কিন্তু বলবো না!! ছিঁড়ে যাওয়া বোতাম কেউ খোঁজে-না, জেগে থাকা রাতে-চোখ কেউ দেখে-না সেখানে লুকিয়ে থাকে/আছে অজস্র-দীর্ঘ-রাত, অদৃশ্যের শূন্যস্থান শূন্যে-ই নির্বাসিত,… [বিস্তারিত]
মৃত্যুর হাঁটা পথে পায়ে পা-ফেলে ক্রমাগত হেঁটে যাচ্ছি বিভাজিত হবো বলে, এ এক অমোঘ নিয়তি; সই করা মৃত্যু পরোয়ানা ঝুলে আছে দৃশ্যত অদৃশ্যতায়, বিয়োগ চিহ্নের মত; এঁকে রাখা দেয়াল গ্রাফিতি কখন যে জেনে-অজান্তে খসে পড়বে আগাম জানান দিয়ে না-দিয়েও। এ যেন হঠাৎ উল্টে পড়া বোবা-ভাস্কর্য সারা শরীরে গেঁথে আছে অবিশ্বাসের পেরেক; চির-ঘুমের শীতল পাটিতে শুয়ে… [বিস্তারিত]

























