মূল লেখায় যান

এলোমেলো ভাবনার নদী- ২

তৌহিদুল ইসলামএকান্ত অনুভূতি১৬টি মন্তব্য

সহস্রদিনের ব্যস্ততাকে শিকেয় তুলে
ডায়েরির পাতায় লিখে রাখা গল্পকথায়
একান্ত অনুভূতিতে, সমসাময়িক বিচিত্রায়
ছবিতে, শয়নেস্বপনে স্মৃতিতে ভাস্কর মুগ্ধতায়-
কথামালার পসরা সাজানো ডালার সব ফুল
যেনো শুকিয়ে পরছে ঝুরঝুর করে।

শুনেছি তৃণে তৃণে ধুলোয় ধুলোয়
দেহের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লোকে লোকান্তরে
গ্রহে সূর্যে তারার মেলায় নিত্যকাল ধরে,
অণুপরমাণুদের নৃত্যকলরোল
আমার আসনকে ঘিরে আজ করে অনন্ত কল্লোল।

অক্ষরের গাঁথুনিতে শব্দ ব্যঞ্জনায়,
গল্পের পরতে লুকোনো ইতিহাস
কত সহজেই সব ভুলে বসে আছে সকলেই।
বিবেকের দংশন শুধু সর্পিল কারচুপিতে নয়!
দংশন হতে হয় সংকোচবোধে,
ছাপিয়ে রাখা অপমানকর অনুভূতিতে।

আসা-যাওয়ার নিরানন্দ কিংকর যাত্রাপথে
যে ঘর বেঁধেছিলাম সুমঙ্গল সুরে,
পরিপূর্ন তৃপ্তির স্নেহের সঞ্চয়ে
এই আমি আছি আড়ালে অথবা ভিন্নবর্ণে।

আঁকাবাঁকা পথ চলে যায় যে অসীমে
নতুন পথিকের তরে মেঠোপথ ছেড়ে
এই আছি বেশ, নিজের অহমকে সঙ্গী করে।

[ছবি- নেট থেকে]

এলোমেলো ভাবনার নদী -১

মোট পড়েছেনঃ ১০৩০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১৬টি মন্তব্য

  1. আঁকাবাঁকা পথ চলে যায় যে অসীমে
    নতুন পথিকের তরে মেঠোপথ ছেড়ে
    এই আছি বেশ, নিজের অহমকে সঙ্গী করে“ এটা সবাই পারে না। কেউ কেউ ছেড়ে পস্তায়। শুভ কামনা ভাই।

  2. নিজের অহংকার নিজের ই অলংকার। এমন অহম সবার ই থাকা উচিত। মাটির দেহ মাটিতেই যাবে মিশে তাই মেঠোপথ ই হোক সঙ্গী, ভিন্নতা দেয় নিজস্ব অলংকরণ সেটাই হোক সবার অহংকার। শব্দের গাঁথুনীতে হারিয়ে গেলাম। জানিনা কতখানি বুঝতে পেরেছি। অবিরাম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো

  3. অনুতাপ যদি অন্তরে প্রবেশ না করে, যদি কাজে প্রায়শ্চিত্ত উপলব্ধ না হয়, তবে সে অনুতাপ নিরর্থক।
    বিবেকের আদালত সবচেয়ে বড় আদালত। সেখানে বিচারকের আসনে নিজেকেই রাখতে হয়। নিরপেক্ষ বিচারে অহম যেন সম্মান না হারায়।

    ভাবনার গভীরে গেলেই এভাবে ভাবা যায়। ভালো লাগলো পড়ে। শুভ কামনা 🌹🌹

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?