মূল লেখায় যান

হেমন্তর বিরহী ক্রন্দন

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৫টি মন্তব্য

 

হেমন্তের আনন্দ-দেহে এ কোন্‌ বিরহ ক্রন্দন!
নিমেষে-নিমেষে ক্ষণে-ক্ষণে কেঁদে যাওয়া,কাঁদাকাটা;
ব্যথা-লজ্জার অপঘাত অভিঘাতে দুর্বোধ্য বেদনার স্ফুটনে
আবেশে ডুবেছো ডুবায়েছো নিদ্রাহীন ছায়া পথের মায়া বিভ্রমে;

হিরণ্ময় প্রেম-অমৃত-অভিলাষী হেমন্ত,
নিত্য সুন্দরের বার্তা নিয়ে নবান্নের কানে কানে কী বল?
পৃথিবীর ঐ শেষ সীমায় রূপকথার রাতে,হঠাৎ-ব্যথায়,
ভালোবাসি ভালোবাসি? আদিম রাতের বেণীর-ফাঁদে?
নিঃসঙ্গতার ভাঁজ-ভাঁজ ছদ্মবেশে? চাঁদের প্রেত-রাতে?

কবিতার উন্মুখ স্নিগ্ধতা ঘনীভূত নবান্নের আড়াল-মেঘে!

মোট পড়েছেনঃ ৮১০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৫টি মন্তব্য

  1. ওরে এই লেখককে কেউ থামারে। হেমন্ত বন্দনায় একাই এক ডর্জন লেখা পূরণ করতে চলেছেন। মহারাজ!! হেমন্ত বন্দনার প্রথম নিয়মাবলী – একজন শুধুমাত্র একটি লেখাই দিতে পারবেন। প্রতিযোগীতার জন্য প্রথম লেখাটিই সিলেক্ট হইবে কিন্তুক!!

    1. তৌহিদ ভাই,
      এডমিন গনের লেখা যখন বিচারের আওতায় আসবে না,
      তখন তিনি যত ইচ্ছে দিক, তার লেখা তো আর প্রতিযোগিতায় আসবে না।
      ৬ নং নিয়মাবলী তো কার্যকর আছে তাইনা?

    2. আপনারে তো ভাই ভাবছিলাম, আপনি-ই দিলে চোট দিলেন।
      এ জন্যই এত এত বৃষ্টি, বুঝতে পারছেন। আহারে প্রাইজ-পুরাইজ কপালে নাই!
      আমি তো ভাবছিলাম যে বেশি ল্যাক্তে পারবে হে-ই সব নেতে পারবে।
      পোড়া কপাল, চান্স আর নেই মনে হচ্ছে।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।