মূল লেখায় যান

সোনেলা আড্ডাঃ পর্ব-০১ (আলাদিনের যাদুর চ্যারাগ)

নীলকন্ঠ জয়অন্যান্য, বিবিধ৩২১টি মন্তব্য

সোনেলার আড্ডাবাজেরা কোথায়? শুরু হলো সোনেলার মেগা প্যাকেজ “সোনেলা আড্ডা।” সপ্তাহের প্রতি বুধবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে সোনেলায় অনলাইন আড্ডাবাজি। একই সাথে ফেসবুক থেকেও যে কেউ আড্ডায় অংশ নিতে পারবেন।

সো ডু-চিন্তা,মোর ফুর্তি!!! বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজিতে… জমজমাট বিনোদনে…একদম ফ্রি টিকেটে আপনাকে জানাই স্বাগতম। আড্ডা না জমলে জরিমানা মাস্ট!!!

আজকের আড্ডার বিষয় “আলাদিনের যাদুর চ্যারাগ।”

আসুন গল্পটা আরেকবার শুনে নেইঃ

সে এক আদ্যিকালের কথা। এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি। বুড়ির খুব দুঃখ। তার স্বামী মারা গেছে বহু আগে, কোনো ছেলেপেলেও নেই। আছে শুধু একটা ছাগল। ভিক্ষা করে কোনো রকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে।

তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে। এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ। বুড়ি ভাবল এটা দিয়ে কি করা যায়? যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে।

তারপর যা হয় আর কি! এক জ্বিন এসে হাজির। বলল, “হুকুম করুন। আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব।”
বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল, “আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও।”
“যো হুকুম।” বুড়ি রাজপ্রাসাদে এসে গেল।

“আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?”
“আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও।”
তাই হল।

“তৃতীয় ইচ্ছা কি?”
“আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌন আবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও।”
বুড়ির এই ইচ্ছাও পূরণ হল।

“আমি এখন মুক্ত।” এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল।
সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির (যে এখন সুন্দরী রাজকন্যা) দিকে। বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। বুড়ির কানে কানে সে বলল, “আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন???”   :D) :D) :D)

মনে পড়েছে নিশ্চয়ই?

আজকের আড্ডা হবে সেই আলাদিনের যাদুর কুপি নিয়ে। প্রশ্ন রইলো, “আলাদিনের যাদুর চ্যারাগখানি(কুপি) যদি আপনি পেতেন তাহলে কোন ইচ্ছাগুলো পূরণের কথা বলতেন?”

আলাদিন তিনটি ইচ্ছার কথা বলতে পারতো। তবে আপনারা যতখুশি ইচ্ছা পোষণ করতে পারেন। তবে শর্ত আছে। একটি মন্তব্যে একটির বেশি আড্ডার কথা জানাতে পারবেন না। তাহলে দৈত্য রাগ করে আপনাকে কিক দিতে পারেন। 😀

সুতরাং- ১ মন্তব্য= ১ ইচ্ছা।  আর হ্যাঁ যতবেশি কাউন্টার এ্যাটাক করতে পারবেন ততবেশি যাদুর চা পাবেন দৈত্যের কাছ থেকে।

আড্ডার সাথে সাথে দু’চার কাপ ঠান্ডা চা খাওয়ার নিমন্ত্রণ রইলো। :T :T :T :T
তো শুরু হয়ে যাক…

মোট পড়েছেনঃ ৪৮৯জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২১টি মন্তব্য

    1. দৈত্য বলেছে, “দুই বছর অপেক্ষা কর বাছা। টাকা দিমু মাগার সম্মানতো নিজেকেই অর্জন করতে হবে। অসহায় মানুষের পাশে দাড়া আজ থেকেই। টাকা পয়সার অভাব হবেনা। বয়স থেমে গেছে। কাল থেকে শুধু চিটাগুড়ের শরবত খাবি।” :D)

  1. আমি তিনটা জিনিস চাইতাম ।

    ১. বিভূতিভূষণের উপন্যাস ।
    ২. অল্পকিছু টাকা যা থাকলে সারাজীবন বেকার থেকে বই পড়ে কাটানো যাবে ।
    ৩. আমার সেনোরিতাকে ফেরত চাই যার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রথমবারের মতো সাহসী সুপুরুষ হয়ে বলবো .. শতরাত্রি বিনিদ্রযাপন পারি অবলীলায় , নির্মল ভোরে তোমার হাসির ও প্রতিক্ষায় ..

    কিন্তু একটাও পাবোনা । ;?

    1. উহ! অসম্ভব ভালো লাগলো ইচ্ছেগুলো।
      কিন্তু শর্তভঙ্গের দায়ে ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে না। কারণ,
      ১মন্তব্য= ১ইচ্ছা।
      কিন্তু আমি ভাইটির হয়ে দৈত্যের কাছে ওকালতি করবো। দেখি কি হয়। 🙂

      1. হিমালয় মেঘালয় এর মতো আমার একান্ত নিজের একটা জায়গা আছে, তার নাম শুন্যালয়…আর শুন্য আমার নাম…নাম ঠিকানা সব এক আইডিতে রেখে দিয়েছি :p

        1. শাব্দিক অর্থ যদি বলি তবেঃ হলাহল পানের ফলে কণ্ঠ নীলবর্ণ হয়েছে যার। আর তিনি মহাদেব।
          কিন্তু ঠিক এই অর্থে নীলকন্ঠ নাম ধারণ নয়। নীলাম্বু থেক “নীল”কে নিয়ে, কবির সুললিত “কন্ঠ” যিনি জয় করতে চান তিনিই নীলকন্ঠ জয়। 😀

  2. দুইদিন ধরে আড্ডা হলো শুধু চা দিয়ে, বরই কঞ্জুস মেজবান … 🙁 নীলকন্ঠ আপনার কাছে পয়সা না থাকলে জিসান ভাইয়ের কাছ থেকে নেন, সে ফেসবুকে সবাইকে টাকা ধার দিচ্ছে 🙂

    1. জিসান ভাইয়া পোষ্ট দিয়েছেন ফেইসবুকে কিন্তু ঐ পোষ্টে টাকা ধার না চাওয়ার জন্য অনুরোধও করে রেখেছেন। দৈত্যকে বলে দেখি চা এর সাথে টা এর ব্যাবস্থা করা যায় কিনা। :v

  3. জিসান ভাইয়াকে বলছি , আজ রাত ৯ টার পর সবাই যাতে আড্ডায় আসে , তার ব্যবস্থা করুন , অন্তত যারা রেগুলার সোনেলায় আসেন ।

      1. আপনি কিন্তু বাচ্চাদের মত কান্নাকাটি করে পরিবেশ নষ্ট করছেন। দৈত্য মামা খেপলে খবর আছে কিন্তু। আজ রাত গেলে দৈত্য মামা মুক্তি পেয়ে যাবে প্রদীপ থেকে। তখন নিয়েন কেমন?

        যদিও ততক্ষণে উহা ভ্যালুলেস হয়ে যাবে। আপনি শোকেসে সাজিয়ে রেখেন। :D)

    1. খসড়া ভাইয়া কেমন আছেন ? শিশির কনা কান্না কাটি করছে চ্যারাগ টাই চাইছে সে । এটা কোন কথা হলো ? চ্যারাগ সে নিলে আমরা কি পাবো ?

  4. যদি দৈত্য জানতে চায় তবে বলব সিকরেটা।:) আর যদি না জানতে চায় তবে অসিকরেটটা বলি। 🙂

    আজ খুব ভাল বিকেল কেটেছে ———- এক ঝাক অকুতভয় সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করা মুক্তিযোদ্ধার সাথে। যারা আজও নিজেদের কৃর্তিতে উজ্জ্বল এবং উজ্জীবিত। কেউ কেউ এত লম্বা ও ঋজু যে দেখলেই মাথা নুইয়ে আসে।

  5. যদি এমন চাওয়া সত্যি সত্যি বাস্তবায়ন হতো , তবে আমি চাইবো – একটি স্কুলের ভবন , যেখানে কমপক্ষে একশত ছাত্র পড়ার এবং থাকার সুযোগ পাবে। স্কুলের সব ছাত্র থাকবে পথ শিশু । ভালো একটা ফান্ডের ফিক্সড ডিপোজিট , যা ব্যাংকে থাকবে । যে লাভ পাওয়া যাবে , তা দিয়ে এই স্কুলের সব খরচ চালানো হবে । আর কিছু চাইনা আমি । শুধু এটুকু চাওয়া ।

    1. free ছিলাম না, কেউ ছিলো বলে মনে হয় না। আড্ডার সময় কি কম দিয়ে ফেলেছি বনলতা দি? আরেকটু বাড়ানো যায় কিনা কিংবা কিছু পরিবর্তনের দরকার আছে কি?
      জানাবেন সময় করে।

  6. স্বপ্নের মত মনে হয় । সেই আমাদের ছোট্ট সোনেলায় আজ ৩০০+ মন্তব্য । মাত্র কয়েকজনকে নিয়ে যাত্রা শুরু । কত দ্রুত এটি পাল্টে গেলো । প্রথম থেকে ছিলাম বলে আনন্দটাও একটি বেশী। আপনার মত আন্তরিক কয়েকজন ব্লগার এসেছেন বলেই সোনেলা আজ এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছে। অন্তরের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি আপনাকে।
    একটি বড় ব্লগে সেভ ব্লগার আমি। একটি মাত্র পোস্ট দিয়েছি ওখানে। তাতে সাড়া বেশ ভালই। জিসান ভাই কতবার যে বলেছেন , সোনেলা থেকে চলে যেতে , বড় ব্লগটিতে পোস্ট দিতে। শুনিনি তাঁর কথা। একান্ত ভালোবাসার সোনেলাকে ছেড়ে কোথাও যেতে ইচ্ছে করেনি আমার। মনের মাঝে বিশ্বাস ছিল , একদিন সোনেলা দাঁড়াবেই । এই পোস্ট দেখে সত্যি আমি আবেগাক্রান্ত ।
    আমরা এখানে সংখ্যায় কম হতে পারি। কিন্তু আন্তরিকতায় অন্য যে কোন ব্লগ থেকে বড় আমরা। নীলকন্ঠ জয় ভাইয়ের মত ব্লগার আমাদের আছেন । আমাদের অগ্রযাত্রা রুখবে কে ? -{@

    1. বাহ বাহ , শেষ কবে এতখানি লিখেছেন মনে করে বলুন তো ।
      দেখুন অগ্রযাত্রা নিয়ে ভাবি না , হয়ত হবে বা হবে না কিন্তু আমাদের আন্তরিকতা নিয়ে আমরা (আপনি সহ)
      শুরুতেও যেমন ছিলাম এখনও তেমন ই আছি , থাকব ও এমন ই ।
      কঠিন সময়ের কথাও আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যা আমরা পেছনে ফেলে এসেছি ।
      আপনার আবেগময়তা আমাদের ও স্পর্শ করে ।

      নীলের কথা বেশি বলতে চাই না ।

    2. ব্যক্তিগত পরিচয়ের বাইরে অনলাইন জগতে অল্প কিছু বড় মুখের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে। আমি বয়সে হয়তো অনেকের চেয়েই নবীন। কিন্তু সবার ভালোবাসা যেটুকু পেয়েছি অনলাইন জগতে তার কাছে আমার ক্ষুদ্রতা মূল্যহীন।

      সবার আন্তরিকতার ফসল সোনেলার এগিয়ে যাওয়া। সোনেলায় ব্লগার কম তাতে কি সোনেলা পিছিয়ে আছে? লক্ষাধিক ব্লগার সোনেলায় নেই। কিন্তু যে কয়েকটি মুখ আছে তাদের আন্তরিকতা সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যাবে না। কেউ কম নয় এখানে।

      আমি চেয়েছি সবাই যেন একটা আন্তরিক বন্ধনে আবদ্ধ হোক। আগেও বলেছি এখনও বলছি আমি উপলক্ষ্য মাত্র, কৃতিত্ব সোনেলার সকল ব্লগারের। আমি বিশ্বাস রাখি আমাদের পোষ্টে ১০০০+ মন্তব্য আসবে একদিন। হয়তো খুব বেশি দূরে নয় সেদিন। শুধু ধরে রাখতে হবে এই আন্তরিকতাটুকু।

      প্রথম আড্ডায় এতখানি সাড়া আসবে কল্পনাও করি নি।

      খারাপ লেগেছে অনেক প্রিয় মুখকে আড্ডায় না দেখে। হয়তো ব্যস্ততার জন্য। আশা করি সামনের আড্ডায় উপস্থিতি আরো বাড়বে।

      আরো চমক আছে। শুধু সবার এমন সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব থাকা চাই।

      বলতে দ্বিধাবোধ করবো না, আমার নিজের জগতের বাইরে যেটুকু প্রিয় সময় কাটাই তার বেশিরভাগটাই
      কাটে সোনেলায়।

      সোনেলার সবচেয়ে বড় সম্পদ যেকোন পজিটিভ বিষয়ে এই ব্লগের ব্লগ সঞ্চালকের অফুরন্ত সমর্থন। আমার এখনও খারাপ লাগে বিডি-ব্লগে যে পরিবারটা গড়েছিলাম সেই পরিবারটিকে হারিয়ে। সবার সাথে যোগাযোগ আছে, কিন্তু ব্লগ নেই তাই ব্লগের সেই পরিবারের অনেক বড় একটা অংশ হারিয়ে গেছে।

      একবছর ধরে কোথাও লিখিনি । শুধু ব্লগে ব্লগে ঘুরেছি। হঠাত নূরুন্নাহার শিরিন আপার একটা শেয়ার দেখে সোনেলায় ঘুরতে এলাম। কয়েকদিন ঘুরেই বুঝেছি,এটাই আমার ঠিকানা।

      কোন রমণীকে নয়, ভালোবাসি প্রিয় সোনেলা তোমাকে।

          1. আপনি কিন্তু ভীষণ ভাল লেখক ।
            প্রথমত , যে বা যারা লেখেন তাদের আমি জেন্ডারের আওতায় রাখি না ।
            তাই লেখিকা-ফেকিকা বলিনি ।
            ‘ফেকক’ হল , যারা লেখক না বা লেখার যোগ্যতা বহন করে না ।
            ভুল-ভাল ই যাদের পছন্দ । কম জানা-শোনার ফল ও বলতে পারেন ।
            আমি আবার ফেককদের ই পছন্দ করি । অবশ্যই উপায়হীন হয়েই ।

            আড্ডা কবে যেন ?

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।