মূল লেখায় যান

মধ্যরাতের নন্দিনী

শায়লা খানকবিতা১৩টি মন্তব্য

 

থমথমে নিস্তব্ধ রাতের শহর অনেকটাই ফাঁকা
মাঝে,মাঝে প্রহরীর বাঁশীর আওয়াজ
লাইটপোস্ট গুলো দাঁড়িয়ে আছে এক পায়,
সম্বিত ফিরে পেলাম নানান রকম হাসির শব্দে
ঢলে পড়ছে তারা একে অপরের গায়ে
অপেক্ষারত মধ্যরাতের নন্দিনী’রা……।

দৈন্যতার কাছে পরাজিত আর কতকাল
কখনো নন্দিনী, কখনো অনাহুত সজ্জা সঙ্গিনী
তারা কেবলই ভাগ্যের হাতে বন্দিনী,
সহসাই কেড়ে নেওয়া হয় তাদের বাকস্বাধীনতা
কপালে লেপ্টে দেওয়া হয় কলঙ্কের কালিমা
তবুও যেনো ক্ষান্ত হয়না অসভ্য এ-সমাজ।

জীবনের তাগিদে চলে দেহ বেচা-কেনা
কারো রাত কাটে হোটেলের বিছানায়
কেউবা রাস্তার ধারে খোলা আকাশের নীচে,
পেটে তাদের ক্ষুধার আগুন জ্বলে অহর্নিশি
কি হবে দেহে লজ্জার বসন জড়িয়ে
নিপিড়ীত সমাজের বুকে লাথি মেরে
আজ তারা হয়েছে মধ্যরাতের নন্দিনী…..।

তারিখ — ১৩.৭.২০২০

মোট পড়েছেনঃ ৭২০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৩টি মন্তব্য

  1. তুমি কলংগকিত
    আমি কেন উজ্জলিত
    দুই জনইত একইপাপেপাপিষ্ঠ
    হওয়াউচিত একইসাজাই শাসিত।

    পেটের দাওয়ায় যায় কেহ
    অনেকে যায় টাকার লোভে
    যায় অনেক শারিরিক চাহিদায়
    এই আমাদের সামাজিক অবস্থা।

    যাউহোক সমাজের কলংগকিত এক সাইটের করুন নিদারুন তুলে এনেছেন।
    ধন্যবাদ আপনাকে।

  2. আমাদের সমাজ জীবনের বাস্তবতা ফুটে উঠেছে আপনার কবিতায়। এটা পৃথবীর আদিমতম পেশা। দিনের আলোতে আমরা যারা ভদ্দরনোক তারাই মধ্য রাতে ছুটে যাই নন্দিনীদের মধু কুঞ্জে। তবে আমি মনে করিনা পেটের ক্ষুধায় মধ্য রাতের নন্দিনী হওয়াটা খুব জরুরী। বিকল্প ব্যবস্থা অবশ্যই আছে।

    ……………শুভ কামনা জানিয়ে গেলাম কবি।

  3. জীবন কাহিনীর নির্মম বাস্তবতা আর অপ্রিয় সত্যের দারুণ প্রকাশ — জীবনের তাগিদে চলে দেহ বেচা-কেনা
    কারো রাত কাটে হোটেলের বিছানায়
    কেউবা রাস্তার ধারে খোলা আকাশের নীচে,
    পেটে তাদের ক্ষুধার আগুন জ্বলে অহর্নিশি
    কি হবে দেহে লজ্জার বসন জড়িয়ে
    নিপিড়ীত সমাজের বুকে লাথি মেরে
    আজ তারা হয়েছে মধ্যরাতের নন্দিনী…..।
    ভালো থাকবেন। প্রীতিময় শুভেচ্ছা রইলো ।