স্বৈরাচারীর মিলনমেলা
স্বৈরাচার হটাও, দেশটাকে বাঁচাও বলে
যে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়েছিল
সারা বাংলা
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঢেলেছিল বুকের রক্ত,
কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর আপামর জনতা
কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাহারা দিয়েছিল বাংলা মাকে
শত বুলেটের আঘাতেও ছাড়েনি রাজপথ।
সেই রাজপথ আজ কলুষিত চলছে অবিরত
দুর্নীতিতে নাম্বার ওয়ান করে পুকুরচুরি
সাহেব সেজে ঘুরে বেড়ায় করে সিনা জুড়ি,
মাগো তোমায় মুক্ত করতে তোমার সন্তানেরা শক্ত হাতে অস্ত্র ধরে উৎখাত করলো রাজাকার
তোমার বুকেই জন্ম নিল অত্যাচারী স্বৈরাচার।
হারিয়ে গেছে শিক্ষার মান নেমেছে ধ্বস
যত্রতত্র কু শিক্ষার বেড়েছে অনেক যস,
অবিচার আর খুনখারাপির নাই যে কোন শেষ
কেমন করে কালি মুক্ত হবে আমার দেশ,
কত উত্থান আর পতন হলো
কত সরকার এলো গেল স্বৈরাচার রয়েই গেলো।
তারিখ – ২২.৭.২০১৯
মোট পড়েছেনঃ ৬৩০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন


১১টি মন্তব্য
আপনার মূল্যবান ও সুন্দর ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সুনিপুণ ভাবে। খুব ভালো লাগলো। শুভ কামনা অফুরন্ত। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন
আন্তরিক ধন্যবাদ আপু
বেশ দেশত্ববোধ কবি আপু
অনেক শুভেচ্ছা রইল—————
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখকের কলমই সমাজ বদলের হাতিয়ার ।
অজস্র ধন্যবাদ ফয়জুল মহী ভাই।
দারুন উপস্থাপন। দ্বশের যড়্যন্ত্রি সৈরাশাসকের নিপাত চাই।
অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
আপনার প্রতি রইল শুভেচ্ছা।
এ-দেশে এ-অবস্থা চিরদিনই থাকবে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি এরকমই হতে। তাই কবিরা একেক সময় বিদ্রোহ কবিতা লিখে বিদ্রোহী কবি হিসেবে খেতাবও অর্জন করেছিলেন। কিন্তু আজপর্যন্ত দেশ থেকে কেউ দুর্নীতি হটাতে পারেননি। বরং তা দিনদিন বেড়েই চলছে। ইদানীংকালে মি:করোনা জ্বি দেশের কিছু দুর্নীতিবাজ সরকারের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবুও দুর্নীতি, কুনীতি, স্বজনপ্রীতি, কারচুপি, শয়তানরূপী মানুষের অমনুষ্যত্ব কমছে না। সরকারও ওঁদের কিছুতেই দমাতে পারছে না।
আপনার কবিতাখানাও তা-ই বলছে!
শুভকামনা থাকলো শ্রদ্ধেয় দিদি।
চমৎকার মন্তব্য,অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।