মূল লেখায় যান

বুকপকেটের স্মৃতি

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১২টি মন্তব্য

 

হৃদপিণ্ড-আঁকড়ে আঁটকে থাকা সময়ের বিহ্বলতা
ফিরে আসে বারে বারে ভেংচি-কেটে,
হেলে-দুলে হেসে-হেসে জড়িয়ে-গড়িয়ে,
সময়ের যাবজ্জীবন খাটা একটুকরো অবিমিশ্র স্মৃতি;

জ্বলন্ত-রৌদ্রে দাঁড়িয়ে নড়বড়ে-নড়নড়ে অতীত-কাতরতার
স্মৃতিগুলো মুছে ফেলে, শুধু-ই উজ্জ্বল ঔজ্জ্বল্যের আলোটুকু
বুকপকেটে পুড়ে, মোক্ষম ঘুম-জাগরণে গুছিয়ে নেয়া স্বরে/ভাষায়,
সামান্যের কতটুকুই-বা ধরে রাখা যায়:
আরম্ভ থেকে শেষ অবধি আলাপের ফাঁকে ফাঁকে
ক্ষণিকের স্মৃতি কাতরতায়!

তবে সত্যি বলতে কী,
লিখিয়েদের মত ভাবতে/কথা বলতে বলতে
জাজ্বল্যমান দু’ফোটা কাঁচের মত গড়িয়ে আনন্দ-বিষাদের
সঙ্গী হতে পারলে, কতই-না টানটান
রক্ত-উষ্ণতার প্রাণ-স্পন্দন শিরা-ধ্মনীতে বয়ে বেড়াত!!

ছবি নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৩৯জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১২টি মন্তব্য

  1. কাঁচের চন্দ্রবিন্দু নাই‌ । স্মৃতিরা এভাবেই হৃৎপিণ্ড আঁকড়ে ধরে থাকে। হেলে দুলে, হেসে খেলে নাড়িয়ে দিয়ে যায় সময়-অসময়ে । বেদনার স্মৃতিগুলো সরিয়ে রেখে সুখ স্মৃতি গুলো বুকপকেটে রেখে দিতে মন চায়। তবে তাতে জীবনটা পানসে হয়ে যেতো। অনেক অনেক সুখস্মৃতি আপনার বুকপকেট ভরে দিয়ে যাক , সেই সাথে যতরকম পকেট আছে তা-ও ভরে উঠুক আনন্দ, সুখ দিয়ে। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন শুভকামনা অবিরাম

    1. ভুল ছিল, ঠিক করে নিয়েছি। ধন্যবাদ।
      যা অবস্থা দেখছি তাতে পকেট তো আস্ত রাখা যাচ্ছে না। উপচে ফেটে যাবে বলেই মনে হচ্ছে।
      পানসে হওয়ার চান্স নেয়া/দেয়া করা যাবে না।
      আপনিও ভাল থেকে আনন্দে থাকুন।

  2. লেখকেরা যা লেখেন তার সাথে নিজের বাস্তবিক জীবন কল্পনা করা অনুচিত বলেই মনে করি। দুটি আলাদা সত্ত্বা। আমরা অনেকেই এই ভুল করে লেখা ও লেখককে গুলিয়ে ফেলি।

    শুভকামনা ভাই।

    1. লেখা আর লিখিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বিষয়, মিলিয়ে গুলিয়ে ফেললেই সমস্যা, যা আমরা করি।
      অবশ্য লেখায় লিখিয়েদের মনো-ছাপ থাকে। যা স্বাভাবিক।
      ধন্যবাদ আপনাকে।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?