মূল লেখায় যান

প্রাপক অরন্য///

বন্যা লিপিচিঠি২৫টি মন্তব্য

প্রাপক অরন্য//

কেমন আছো তুমি?
সেদিন জানতে চাইনি। বিকেলটা হঠাৎ করেই মেঘে ঢেকে দিয়েছিলো।মোটা ফ্রেমের চশমা তোমার! তুমি কি দেখছিলে কিছু?নাকি কেবলই হাতরাচ্ছিলে পকেটে রাখা সাদা রুমাল?বেগুনী রঙের শাড়িতে হুলুদ অলকানন্দা ফুল ছিলো আমার খোঁপায়।কপালে খয়েরী টিপ।তুমি বললে….. তোমাকে দেখার আগে তুমি মানুষ ছিলে অরনী” আমি বললেম….” তারপর?
অরন্যঃ তোমাকে দেখার আগে তুমি কবি ছিলে
অরনীঃ তারপর?
অরন্যঃ তোমাকে দেখার আগে হয়ত তুমি “তুমি” ছিলে!
অরনীঃ তারপর?
অরন্যঃ জানো অরনী….
অরনীঃ হু, বলো অরন্য।
অরন্যঃ কবিতা আমার প্রেম
আমি অপলক চোখে বুভূক্ষের মতো আকন্ঠ তৃষায় তোমার তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম!!! তুমি সময় নিচ্ছিলে!! কি দেখছিলে অমন করে?
যেন তুমি খোঁপায় জড়ানো হলুদ ফুল, বেগুনী শাড়ি, আর খয়েরী রঙা টিপে আগে কখনো কোনো নারী দেখোনি!
তুমি বড্ড বালক অরন্য।বড্ড বালক!!

মোট পড়েছেনঃ ১৬৪৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. বালকই ভোলে আনমনে, একান্ত ভাবে অপলক দ্রিস্টিতে,মিশে যায় রংিন স্বপ্নে। বিভোর হই রংিন পোশাকে পরিহিত বেগুনি শাড়ী, কাচের চুড়ির বাজনা, ফুলীয় খোপায়। আমী কেমণে ভুলিব ঐ রুপ, ঐ দ্রিশ্যে। মুগ্ধ হলাম। প্রিয় লেখায়।

    1. চেয়েছিলাম সম্পূর্ণ লিখবো আরো বড় করে। এটুকু ট্রেইলর দিলাম। এরপর ছোট গল্পাকারে আসবে এর পরিপূর্ণ রুপ। দেখাযাক কি হয়?
      পূর্ণ মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি 😊

    1. জীবনের বাস্তবতা সে বড় রগরগে। গল্প কাব্যে বাস্তবতার ঠাঁই বড্ড বিপজ্জনক! পড়েছেন/মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানাই।
      আসবো দ্বিতীয় ভার্সন অনু গল্পাকারে নিয়ে।

  2. বালকরা এমন বোকাই হয়,
    ছোট চিঠিতে অনেক বড় কিছুর ইংগিত আছে মনে হচ্ছে?

    সোনেলায় চিঠি বিভাগটা আরো আগে দেয়নি কেন সোনেলা ব্লগ কতৃপক্ষ?
    তাহলে আমরা কত বেশী চিঠি পড়তে পারতাম।
    ব্লগের পরিচালকরা খুবই খ্রাফ।

    চিঠি ভালো লেগেছে।
    আমিও চিঠি লিখবো ভাবছি,
    শুভ কামনা।