মূল লেখায় যান

পরীদের স্বপ্ন-বন্দরে

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৬টি মন্তব্য

 

সহ্য-ফুলের সুগন্ধে, নবান্ন ভোরে আকাশী সিঁড়ি বেয়ে
নেমে আসে পরীদের দল, উচ্ছাস-উচ্চহাস্যের কলরবে;
শিশিরে পা ফেলে আনন্দ-নাচের-উল্কি এঁকে এঁকে
অরণ্য-আবরণে সোনারাঙা ঢেউয়ের আঙিনায়
আজ হেমন্তের সোনালি জোয়ারের স্বপ্ন-বন্দরে;

পিঠে-পুলির আয়োজন উনুনে উনুনে
খেজুর রসের ঘ্রাণে, নির্ভীক হাসির রক্তিম ঠোঁটে
বনফুল-বন্যা অন্তরে অন্তরে;
কুটিরে কুটিরে আজ অচঞ্চল চঞ্চলতা
শিশির-ভেজা হৃদয়ের সবুজ-সোনালি সকালে;

পরী-দল অক্লান্ত আত্মদানে কবিতায় বিভোর
ভোরের রৌদ্ররেখায় রোদ পোহাতে পোহাতে,
বা গরম-উনুন উমে জলে-স্থলে শিস দিয়ে
ওঠে কবিতা ধ্বনি;
ধান-শীষের টলমল-শিশির বুকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে
শুদ্ধ চিত্তে শুধুই দু’পা মেলে কবিতায় গেঁথে থাকা,
আশৈশব স্বপ্ন-বন্দরের এই উঠোনে।

মোট পড়েছেনঃ ১৩৮৯জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. কবির কবিতার পরীরা কি শুধু হেমন্তের আগমেই আসে? এঁরা কি শুধু হেমন্তকাল পর্যন্তই কৃষকদের আঙ্গিনায় থাকে? মনে হয় তা-ই! হেমন্তের শেষে পরীরা আবার চলে যায় নিজ গন্তব্যে। তখন কৃষক হারিয়ে ফেলে তাঁদের আনন্দ উল্লাস!

    1. সরাসরি অর্থ করলে হবে!
      সবার-ই স্বপ্ন থাকে, আর সে স্বপ্ন ছুঁয়ে যাওয়ার ইচ্ছেও থাকে।
      আমিও না বুঝে-টুঝেই লিখি কিন্তু, এগুলো কোন ব্যাপার না।
      না বুঝলে চমৎকার হলো কেমনে!!
      পড়ায় মন নেই!
      খুব মজার লেখা এটি!

      1. পড়তে চমৎকার লাগছে,
        বুঝিনাই একবারে, দুইবারে
        তাই তিনবার পড়ছি-
        চমৎকার না হইলে কেউ তিনবার পড়ে !

        নবান্ন ভোরে আকাশী সিঁড়ি বেয়ে
        নেমে আসে পরীদের দল,
        আর আমার হইছে কি, কুয়াসায় ঠান্ডা লাগে, দাঁতে দাঁত বাড়ি খায়- বুঝার অবসর কই!!

        হাহাহা
        শুভেচ্ছা প্রিয় ভাই।
        ডোন্ট রাগ কইলাম প্লিজ।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।