মূল লেখায় যান

নীল পাহাড়ের মেঘ

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৭টি মন্তব্য

পাহাড় ভাবে
আর একটু হলেই আকাশ ছোঁবে,
আকাশ ভাবে
ঐ তো পাহাড়, দৃষ্টি সীমায়।
সবুজ ভাবে
বৃষ্টি এলো বলে, ঐ তো মেঘ;
হাত বাড়ালেই
আসবে নেমে অঝোর ধারায়।
মেঘ আসে না
পাহাড় হাসে না,
নিশ্চল নিশ্চুপ পাহাড়ের
আকাশ ছোঁয়া হয় না।
সাগর ভাবে
ঐ তো বালিয়াড়ি
পা ছুঁয়ে দিলাম বলে,
পা আসে না।
পাহাড় কে কষ্ট দিয়ে পুষ্ট হওয়া
এ যেন নির্জনতায় মেঘেদের
মস্ত এক লণ্ডভণ্ড খেলা
বন হরিণীর বেশে।

মোট পড়েছেনঃ ১৫১৩৯জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৭টি মন্তব্য

  1. আহা!!! এমন করে তো আমিও ভাবি 🙁

    আকাশ হয়ে বিশালতার এক দৃষ্টান্ত হবো-
    পাহাড় হয়ে অহংকারী হবো-
    সাগর হয়ে সব নীল আমার করে নিবো-
    বৃষ্টি হয়ে সব সৌন্দর্য্যেকে ছুঁয়ে দিবো-
    ———————————–আরো কত্তো কি ভাবি 🙁 শেষ পর্যন্ত আমি কিছুই হতে পারি না 🙁

    চমৎকার লিখেছেন (y)

  2. মেঘ ছুঁয়ে গেলে ভুল করে পাহাড় ভাবে এইতো আকাশ। নিবিড় আলাপনে ছেড়া টুকরো মেঘের ফাঁকে আকাশ উঁকি দেয়। পাহাড়ের ভুল ভাঙ্গে, ঘুম ভাঙ্গে। আকাশও তেমনি করে মেঘের ওরনা খুঁটে চিঠি গুজে দেয়, ঠিকানার ঘরে পাহাড়ের নাম। অভিমানী মেঘ দূরে সরে যায়, কেঁদে ওঠে শশব্দে, দূরে সবুজ থেকে বহুদূরে যেথায় আঁটকে থাকে এক জোড়া পা। সযতনে বাঁচিয়ে রাখে সাগর বালিয়ারির মিছিমিছি খেলা থেকে। নির্জনতায় মেঘের নিজের কষ্টের সাথেই এ এক লন্ডভন্ড খেলা, কবির খামখেয়ালি কবিতার বেশে।
    দিছি বারোটা বাজাইয়া 😀
    আপনি সত্যি সত্যি ছাইরাছ হেলাল ভাইয়া তো? এমন করেতো আগে কখনো লিখতে দেখিনি। মনে হচ্ছে অনেক কষ্টে ভারী হয়ে লিখতে গিয়ে কলমটাই বুঝি কেঁদে দিলো।

    1. আপনি শুধু বারোটা বাজিয়ে এ যাত্রা শেষ করছেন জেনে আপাতত খানিকটা সুখ সুখ লাগছে।
      ভাগ্যিস তের/চৌদ্দ/আঠেরো বা কুড়িটা বাজানো হাতে রেখেছেন। অন্যের ফালতু দুঃসময়ে ছুরি চাকু থেকে
      মোটা সুঁই পর্যন্ত যখন তখন যেখানে সেখানে চালানো নির্দয় ভাবে এমনকি স্পর্শকাতর জায়গাও বাদ দিচ্ছেন না এ ভারী অন্যায়ের ন্যায়। আপনাকে তো কিছুতেই লেডি ব্রুটাস ভাবতে পারছি না। শেষ পর্যন্ত আমার পাহাড় উঁচু ও আসমুদ্র ব্যাপ্ত ভালোবাসাকে আপনি খামখেয়ালি পর্যন্ত বানিয়ে দিলেন!! আপনি সীমারের আত্মীয় বই অন্য কিছু হতেই পারেন্না। ঈশ্বরের কাছে আবেদন রাখছি আপনার হৃদয়ের জন্য কিছু হিম বরফ ও কলমমুখের জন্য সামান্য হলেও চিনির মধু সরবরাহের।

      যাক, অশেষ ধন্যবাদ সদা প্রভুকে আপনার চোখে কলমকান্না ধরা পড়িয়েছেন বলে।
      আপনাকে ধন্যবাদ দিতে পারবো না, আপনার ভয়ে সে সাহস হারিয়ে ফেলেছি। ধন্যবাদ লেডি সীমার ।

      প্লিজ লাগে দ্রুত আর একটি ‘আধ প্যাঁচাল’ দিন না। অপেক্ষা করতে চাচ্ছি না। এরকম একটি লেখা লিখতে চাই
      আমিও আপনার অনুমতিক্রমে। ধৃষ্টতা ভাববেন্না যেন।
      আমার জন্য সামান্য দোয়া- খায়ের করার জন্য হুজুরের কাছে প্রার্থনা করতেই আছি।

      1. শেষ পর্যন্ত সীমার, যে কিনা চোর ছ্যাঁচোর কে পেটাতে দেখলেও কাঁদে ;( লাশঘরের দুয়ারে কি যেন হৃদয় না কি যেন কি বলে অইটা রেখেই ঢুকেছিলাম, আজো ফেরত পাইনি। অন্যের আবেদনে এবার যদি সাড়া দেয় আপনার সদাপ্রভু। 12am. বুঝলেন কিছু? ঘুরিয়ে ঘারিয়ে 12pm সেরেই এসেছি, তাই তের/চৌদ্দ/আঠেরো বা কুড়ি বাজাইনি বলে বগল দাবানোর কিছু নেই। ইন্টারনাল ফ্রাকচার ধরা একটু দেরি করেই পরে।
        অনুমতি কি গো ভাউ, প্যাঁচালের ঘ্যান ঘ্যানে সোনেলা অস্থির হয়ে পড়ুক, জলদি দিন। আপনার হুজুরের কাছে পারলে আমার জন্যেও একটু দোয়া-খায়ের করুন, গোবরে যেন কিছু বাড়তি সার দেয়, নইলে একটা লিখেই জমি বন্ধ্যা হয়ে যায় কেন?
        সাজ ভিন্ন হলেও এই রূপে আপনাকে ভালই মানিয়েছে।

        1. আপনার স্ক্যানে সামান্য এতাল বেতাল ধরা নয়া পড়ে উপায় আছে!
          বিশেষজ্ঞ বলে কথা। বগল বাজানোর প্রশ্ন করে বেঘোরে প্রাণ খানির হেস্ত নেস্ত করতে চাই না।
          যাক আপনি সীমার না, অতি আদ্র দয়ালু। বিধাতা আপনাকে চন্দ্র সূর্য্য দান করে দিক এই প্রার্থনা
          রাখছি। না, আপনি যেমন তেড়ে আসছেন তাতে সাহস হারিয়ে প্যাঁচাল পাশ কাটাচ্ছি।
          বরং আপনি প্রতি সকালে উষ্ণ মধুপান চালু করতেই পারেন।
          বলেন কী !! দেবীর বর পাওয়া জমি, বন্ধ্যা হতে যাবে কোন দুখে, বিনা চাষে মধু ফলে,
          না না,আমাদের ভাগ দিতে হবে না। একাই বিশাল উদরের পূর্তি করুণ।

        2. একা একা উদরের পূর্তি করবো? 🙁 কতো যে গালমন্দ শুনছি ভগবান, এবার অন্তত দয়া করো। চাইলেই যেন দিতে পারি পৃষ্ঠা ভরা শব্দ!
          আপনি কিন্তু ইদানিং খুব ঝগড়াটে হয়ে উঠেছেন, তেড়ে তো আসিইনি, উল্টো চোখ কানা ছানাবড়া করে প্যাঁচালের জন্য অপেক্ষা করছি আপনার। আপনি যে আমার চাইতে প্যাঁচাল পেরে মাথা খারাপ করতে অভ্যস্ত প্রমাণ করতে ভয় পাচ্ছেন? চন্দ্র সূর্য সবই আছে এখন, বুইঝেন কিন্তু আবার তাবিজ কবচের এজেন্টের সাথেও দেখা মিলছে, তাই সাবধান। লেখা দিন জলদি।

  3. এই রে!!! ঘটনা কি? আমার তো মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আপনি আমার ভাব নিয়ে লিখেছেন কেন বাপু? এটা ঠিক না।
    আপনি আপনার মাহজাবীন-চিত্রাঙ্গদা নিয়েই লিখুন। চুল এমনিতেই প্রায় শেষ আমার, সমস্যা নেই তাও। যেভাবেই হোক চেষ্টা করবো বোঝার।

    দেখুন এটা ঠিক না কবি ভাই, আমার নীলকে নিয়ে টানা-হ্যাঁচড়া। কি বিপদেই ফেললেন, আজই একটা কবিতা দেবো ভেবেছিলাম, লিখেও ছিলাম গতকালই। ব্লগে আসতে পারিনি তাই দেয়া হয়নি। এখন দিলেই সবাই ভাববে নকল করেছি আপনার লেখা। ;(

    হায়রে কপাল এখন আমি কই যাই? কি করি?? ;?

    যান কবিতায় কোনো মন্তব্যই করবো না ভালো। স্রেফ বলতে চাই আমার নীলকে নিয়ে টানাটানি চলবে না। হুম :@
    পঁচা লেখা। (9)

    1. আপনি হলেন ব্লগের লেডি কবিগুরু (বানী…শূন্য শূন্যালয়), আপনি কারো লেখা নকল করবেন তা ভাবাও
      পাপ। বরং এ অধম সেটি করে, করেছে তা প্রমাণিত। চোখে কলমখোঁচা দিয়ে তা দেখানো হবে।
      এমনিতেই একদঙ্গল পাপিষ্ট মেহজাবিনদের নিয়ে জ্বলছি, আপনার নীল-ফিল দিয়ে আমি কী করবো? (পেলে মন্দ হতো না,ঘাড় মটকে দিয়ে উল্লাস করা যেত)।

      লেখা তো পঁচা বলবেন ই, আপনি ও মেহজাবিনকে কানপড়া দেয়ার দলে সগর্ভে যোগ দিয়েছে। তা তো দেখছি। তা না হলে শয়তানী নিত্য-নূতন ভাব কীভাবে ধরা শিখছে।

      কার্বন টেস্ট করে দেখতে পারেন, এ লেখাটি এক কুড়ি দিন আগে লেখা, প্রায় সাত দিন
      খসড়ায় ও পড়ে ছিল।

      লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

      1. ভালোই তো দেখছি তৈল দিতে পারেন! দেখুন ভেঁজাল তেল দিয়ে এখন আমায় অসুস্থ করবেন না।
        যা অবস্থা হচ্ছে তাতে তো ভয়ই পাচ্ছি কবে কখন অক্কা যেতে হয়। নীল ছাড়া আমি নেই। খেয়াল করে দেখুন প্রায় ৯৯% লেখায় নীল শব্দটা আছে। তাই এভাবে অবহেলার সাথে এভাবে বললে (আপনার নীল-ফিল দিয়ে আমি কী করবো?) কিন্তু ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবো।

        লেখার অপেক্ষায় থাকুন। দামী লেখক বলে কথা! অতো সহজেই চাইলেই লেখা দিয়ে দেবো, উহু সে তো হবেনা। :p