মূল লেখায় যান

নস্টালজিয়া

নাজনীন খলিলবিবিধ১৯টি মন্তব্য

দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তরে যাতায়াত শুধু
সময় মিশে যায় মহাকাল স্রোতে
এভাবেই বদলে যায় দৃশ্যপট
রূপান্তরের পালে দোলা দিয়ে যায়
কিছু স্মৃতিভারাতুর দীর্ঘশ্বাস।
কেউ জানেনা কোথায় পথের শেষ………

মনে পড়ে
লেবু-গন্ধী উদাস-অলস দুপুরগুলো
সৌরভে বিভোর রমণীয় প্রজাপতি মেলা
লাল ফড়িংয়েরা বাতাসের গায়ে ডানা মেলে দিলে
হাওয়ায়
হাওয়ায়
কেমন মদালসা সুরের কাঁপন বেজে যেতো

থোকা থোকা রুধির-পুষ্পিত কৃষ্ণচূড়াটি
ঝিরি ঝিরি পাতায় আর রক্ত-রাঙা ফুলে ঢেউ তুলে
মধুৎসবের বারতা দিয়ে যেতো,’ফাগুন এসেছে’;
লাল পাপড়ির কার্পেটে পা ডোবানো বিকেলগুলো নেই।
এখানে পাথুরে অহংকারের এক বিলাসী ভবন আছে
বারান্দায় বাহারি বেতের চেয়ার
বৈকালিক চায়ের আড্ডা
ল’ভলিউমে রবীন্দ্র-বাণী,
“এ পথে আমি-যে গেছি বার বার,ভুলিনি তো এক দিনও।”

মোট পড়েছেনঃ ১০৮১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. আপনি কেমন করে জানি ছুয়ে-যাওয়া লেখা লিখে ফেলেন সহজাত অনুভবের জায়গা থেকে ,
    তা অনেক বার পড়েও পড়া না হওয়ার দন্যতায় পেয়ে বসে।
    নস্টালজিক হওয়ার মতই হয়েই পড়লাম ।

    অগুনিত শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আপনাকে ।

  2. মধুৎসবের বারতা দিয়ে যেতো,’ফাগুন এসেছে’;
    লাল পাপড়ির কার্পেটে পা ডোবানো বিকেলগুলো নেই।
    এখানে পাথুরে অহংকারের এক বিলাসী ভবন আছে——
    —সুন্দর এই কথাগুলো যেন আমার হৃদয়ে রিলিক তুলেছে বেদনাময় ঝড়ের।।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।