ঝরে যাওয়া নক্ষত্র (ব্লগার আরজু মুক্তা স্মরণে)

সময়ের নিষ্ঠুরতার ব্যবচ্ছেদ করতে আসিনি –
কঠোরে কোমলে সন্তর্পণ করতে আসিনি কোন সমবেদনা
সহমর্মিতা- সে তোমার জন্যে নয়, বরং তুমি ছিলে –
আপন অক্ষে স্বকীয়তায় বলিষ্ঠ নিদারুণ নির্ভীক কন্ঠস্বর।।
তুমি ছিলে রিপ্রোডাক্টিভ প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ নক্ষত্রের মতো –
চিরভাস্বর, আপনার রঙে রাঙিয়ে গেলে এই জলসা-
এই আত্মভোলা পাখিদের কলরবে তুমি দিয়েছ যে সুর
আজ সেই আমরাই পড়ে আছি, তোমার রেখে যাওয়া স্মৃতি বুকে আগলে –
আর তুমি চলে গেলে শত সহস্র আলোকবর্ষ দূর ।।
মোট পড়েছেনঃ ১৪৫৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন


২৭টি মন্তব্য
আলোকবর্তিকা করেই ভালো রাখুন অপার মহিমান্বিত মহান স্রষ্টা এই নক্ষত্রকে। শাব্দিক বুননে যথার্থ উপস্থাপন করলেন।
মানুষ অনেক কিছুই ভুলে যায়, সময় সংসার সার্বিক পরিস্থিতির কারণে, তবে এতো এতো ভুলে যাওয়ার মাঝেও কিছু মানুষ কিছু মুহূর্ত মানুষের অন্তরে ফিরে ফিরে আসে, মানুষ চাইলেই সবকিছু ভুলে যেতে পারে না।
ব্লগার আরজু মুক্তা আপুও তেমনি একজন। চাইলেও তাকে ভুলে যাওয়া যাবে না। তিনি তার অকৃত্রিম স্নেহ ভালবাসা দিয়ে এমনভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন যে, যাকে কখনো সামনে থেকে দেখলামই না অথচ তিনি মনের গভীরে নাড়া দিয়ে যান। যখনই কলম হাতে নিই, অথবা মোবাইলের কিবোর্ড খুলে বসি- একপলকের জন্যে মনের পর্দায় ভেসে উঠে সেই একটাই নাম।
গতবছর বইমেলায় আমার কাছে লেখা চেয়েছিলেন। আমার খুব স্বপ্ন ছিলো আমার লেখা ছাপা হবে, বইয়ের পাতায় পত্রিকার কলামে। কিন্তু অসংখ্য লেখা কম্পোজ করে করে পত্রিকা অফিসে পাঠিয়েও আমার লেখা ছাপা হয়নি, আমার তেমন ভালো কোন কমিউনিকেশন নেই। গতবছর মুক্তা আপু যখন আমাকে সেই সুযোগটা দিলেন পারিবারিক ঝামেলার কারণে আমি সেটা গ্রহণ করতে পারিনি।
ভেবেছিলাম এই বছর অবশ্যই মুক্তা আপুর সম্পাদিত বইতে আমার লেখা থাকবে। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস !!!
আমি উনাকে কখনোই ভুলতে পারবো না। যদি কখনো নিজে এককভাবে বই লিখতে পারি তবে আমার জীবনের প্রথম বইটা আমি মুক্তা আপুকে উৎসর্গ করবো বুবু।
তিনি সবার মাঝে চিরজাগ্রত থাকুন।
দোয়া করবেন, মহান রাব্বুল আলামীন যেন আপুকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। আমীন।
মানতেই পারছি না আপা নেই।
আল্লাহ পাক আপুকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।
এই আকস্মিক মৃত্যু আমি কখনও ভুলবো না। 😢
আল্লাহর দরবারে উনার জন্যে দোয়া করা ছাড়া আমরা আর কিছুই করতে পারবো না ভাই। আল্লাহপাক আপুকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।
যেখানেই থাক ভাল থাকুক শান্তিতে থাকুন।আমীন।
আল্লাহপাক আপুকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।আমীন।
মেনে নেয়া যায় না। তবুও দোয়া আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক।আমিন।
মৃত্যু অমোঘ সত্য। এটা মানতেই হবে, যদিও কষ্ট হয় আত্মার আত্মীয় কারো অকাল প্রয়াণে। আল্লাহ্ পাক আপুকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন। আমীন।
মহান আল্লাহ জান্নাত বাসি করুন আমিন
আমীন।
ভাষাহীন আমি কিছুই লিখতে পারছি না।
শেষের দিকে ব্লগটিকে বুকে আগলে রেখেছিলেন।
আল্লাহ তাঁকে অবশ্যই হেফাজতে নেবেন।
একা হাতে কতকিছুই করতেন আপু। অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন তিনি। আল্লাহপাক উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন। আমীন।
সৃষ্টিকর্তা তাকে পরকালে শান্তিতে রাখিন এটাই কামনা।
দোয়া করবেন সবাই। আমীন।
ঝরে পড়ে গেলে একটি নক্ষত্র।
।শুভকামনা।
সবাই চলে যায়, তবে কেউ কেউ চলে গিয়েও রয়ে যায়, রেখে যায় নিজের অস্তিত্বের কিয়দাংশ। আরজু আপুকে আল্লাহ পাক জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমীন।
নক্ষত্রের মৃত্যু নেই। তিনি অম্লান হয়ে থাকবেন সোনেলার স্মৃতিতে-স্মরণে।
আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।
একদম ঠিক। নক্ষত্রের মৃত্যু নেই। ঝরে গিয়েও তার উপস্থিতি সগৌরবে অম্লান। আল্লাহপাক আপুকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।আমীন।
মহান আল্লাহ পাক উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন।
আমীন।
আরজু মুক্তা কেবল আক্ষরিক অর্থেই নয়, বাস্তবেই তিনি ছিলেন একটি নক্ষত্র।
তিনি বেঁচে থাকবেন সবার হৃদয়ে।
তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
নিশ্চয়ই, তিনি একা হাতে সবকিছু এতো সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতেন যেটা পরিচিতদের অনেকেই পারে নি। আল্লাহপাক আপুকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।
হ্যা ভাইয়া।আমি এখনো আতৎকে উঠি বিশ্বাস করতে পারি না আপুটা নেই।সোনেলায় পোস্টকৃত কিছু পোস্ট একটি পেইজে আমি সবসময় পোস্ট করতাম।সেখানে কেউ মন্তব্য না করলেও আপুটা করতেন।আজ পোস্ট করতে গিয়ে মনে পড়ে যায় তার কথা।
যাই হোক ওপারে সে ভালো থাকুক এইটুকুই স্রস্টার কাছে প্রার্থণা।