মূল লেখায় যান

চাঁদ ও কথকতার পৌনঃপুনিকতায়…………

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি, বিবিধ১৬টি মন্তব্য

*এই চাঁদ……
এই ……ই…… চাঁদ
চাঁদ……দ…. ডাকছি-তো…
**হু…
*হু…… কি?
**শুনছি-তো……।
*শুধু শুনলেই হবে,কথা বলছনা যে…
**এখন ইচ্ছে করছেনা……
*রাত্রিরূপিনী…আমার আতপ্ততন্ময় অমৃতচক্ষে নরক জ্বেলে…
নিশীথের নির্জনতায় ক্ষণভঙ্গুর অনুরাগে
বিস্মরণের ক্ষমাহীন মাৎসর্যে……
জ্বল জ্বল করছ যে বড়… হয়ে বর্ণিলতায় বর্ণিল…
‘রাহু’ও তো ভড়কে যাবে,অমাবশ্যা ‘নাই’ হয়েছে কবেই
ভালবেসে ভালবাসার আত্মসম্মোহন……
**ভরা পূর্ণিমা আজ,জাননা বুঝি?
*ও তাই বল……
ভাবলাম এসেছে বুঝি কেউ ,চুপিসারে নিশীথের গভীরে…
**না… ,আসেনি কেউ,আসবেওনা কখনও।

তবুও এই ছায়াপথে উপচ্ছায়া হয়েই
যন্ত্রণার শোণিতের নোনা স্বাদ পেড়িয়ে
অনাদি অনন্তের পথ ধরে ভেসে ভেসে,
একদিন ফিরে যাব
সবুজ আঘ্রনে ধানসিঁড়িটির তীরে
নিয়ে পরিতৃপ্ত মুখচ্ছবি ,
সবুজে সবুজে হয়ে একাকার
খুঁজে নেব নিজেকেই নিজে,
নিয়তি বিধুর তিথিতে
সহস্রের সহস্র পৌনঃপুনিকতায়।

 

১৮ ই মে, ২০১১ সকাল ১১:২১

মোট পড়েছেনঃ ১০৫৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. ” একদিন ফিরে যাব
    সবুজ আঘ্রনে ধানসিঁড়িটির তীরে
    নিয়ে পরিতৃপ্ত মুখচ্ছবি ,
    সবুজে সবুজে হয়ে একাকার
    খুঁজে নেব নিজেকেই নিজে, ”

    খুজে নেব নিজেকেই নিজে – নিতেই হবে খুজে ।
    অনেক ভাললাগা কবিতা ।

    1. প্রায় আট বছর আগের লেখা আপনি কষ্ট করে পড়ছেন!
      আচ্ছা এই লেখাটি এখন লিখলে কী লিখতাম!
      শব্দগুল আরো সহজ করে জটিল/কঠিন এক আবেগময়তা হয়ত ফুটে উঠতো।
      অবশ্য এমন স্বচ্ছ আবেগ হয়ত দেখাতে পারতাম না।

      লক্ষ্য করুন, এখানকার মতব্যকারীরা বেশিরভাগ নাই হয়ে গেছে। আহা সে সব দিন আর আসবে না।
      অনেক অনেক ধন্যবাদ।