মূল লেখায় যান

খৈয়াছড়া ট্রাজেডি

ফারজানা তৈয়ূবকবিতা১০টি মন্তব্য

উচ্ছল তারুণ্য, চঞ্চল চোখ, বন্ধুরা সকলে  মিলে হাসাহাসি, খুনসুটির বুলি

দুষ্ট মিষ্টি কথা চালাচালি, খাবার ভাগাভাগি করে একসাথে চলি।

ছোট্টকালের বন্ধু তারা একা কোথাও না যায়

আজ তাই একত্রে তাদের কবরেও যে হলো ঠাঁই।

গত সপ্তাহে হঠাৎ কোচিং এ বসে করলো প্ল্যান সকলে মিলে

যাবে সকলে খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে ২৯ জুলাই সকেলে।

তারপর কত আয়োজন, আলোচনা, ভোজন,শোরগোল, গুঞ্জন

আর কে কে সাথে যাবে চললো তার আয়োজন।

অবশেষে দিন-ক্ষণ হলো ঠিক-ঠাক

শুক্রবার সকালে যাত্রা হবে শুরু

সাথে থাকবে শিক্ষক কয়েকজন পরম গুরু।

বিধি হলো বাম,কে জানতো পরিনাম!!!

ট্রেনে কাটা পরে  এভাবে অসহায় মৃত্যু ভেবেছিলো কি কেউ?

উচ্ছ্বসিত তারুণ্য মুহূর্তে হলো স্তব্ধ

গান,আড্ডা, আনন্দ, কোলাহল এক লহমায় হলো নিস্তব্ধ।

১১ প্রান ঝরে গেলো কে দেবে তার উত্তর

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল কে নেবে দায়ভার?

কার গাফলতির এই পরিণাম বিচার বিশ্লেষণ চলছে জোর আলোচনা, সমালোচনা

আড্ডার টেবিলের ঝড় থেমে যাবে, গঠিত হবে তদন্ত কমিটি পর্যালোচনা।

যে স্বজন আজ হারালো প্রিয়জন কালের বিবর্তনে যাবে তারে ভুলে

শুধু মা অপেক্ষায় বসে থাকবে তার নিশি রাতে  দুয়ার খুলে।

মোট পড়েছেনঃ ৮৭৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. তিক্ত অভিজ্ঞতায় জানি একটা সময়ে এই দুর্ঘটনায় মৃতদের আমরা ভুলে যাবো। যেমন মানুষ ভুলে গেছে অন্যান্য অনেক দুর্ঘটনার মতো ঘটে যাওয়া সড়কদুর্ঘটনায় মিরসরাইতে ৪৬ জন ছাত্রের মৃত্যুর কথা। এসব নিয়ে ক’দিন খুব লেখালেখি হবে, আলোচনায় এরওর দোষ খোঁজাখুঁজি চলবে, নিরব হবে। তারপর আবারও হয়তো এমন ঘটনার সাক্ষী হবো আমরা। শুধু মাত্র যার হারিয়ে গেছে সেই-ই কেবল আমৃত্যু মনে রাখবে।

    সোনেলা ব্লগ পরিবারে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। নিয়মিত লিখুন, ভালো থাকুন।
    শুভ কামনা 🌹🌹