মূল লেখায় যান

কাব্যরসে বনলতা

প্রদীপ চক্রবর্তীকবিতা২৫টি মন্তব্য

বিদীর্ণ অমানিশা রাত্রি ক্লান্ত ঘুমে আচ্ছন্ন দুটি আঁখি,
বাতানুকূল গৃহে কবিতা লেখে বিরহী।

পালামৌ ভ্রমণে বনলতা অতন্দ্র প্রহরী,
শয্যাপাশে এলিয়ে থাকা বালিশে মাথাগোঁজে সেনানী।
শতাব্দীর প্রাচীর বেয়ে ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন বিটপী,
অভিসারের শেষে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে আঁখি বারি।

কাকডাকা ভোরের অভিপ্রায়ে প্রহর গুনে বনলতা,
যামিনী শেষে পত্ররন্ধ্রে ছিটিয়ে আছে শিশিরের জলকণা।

নিজ কাব্যরসে বনলতা খোঁজে মুগ্ধতা,
মেঘের বরিষণে মন্ত্রমুগ্ধ শ্রোতা।
দেবালয়ের মর্মভেদীতে উড়ছে নিশানা,
অলক্ষ‍্যে তাহা দেখে মোহিত হয় বনলতা।

কাননে কাননে কত ঘিরিত পুষ্প চন্দন,
সবুজ শ্যামল সমারোহে মোহিত প্রাসাদ প্রাঙ্গন।
স্নিগ্ধ বৃষ্টিতে ভেজা প্রাচীরের অজস্র বিটপী,
অভিসারের শেষে বনলতা দ্বাদশী।

কাকডাকা ভোরে পাখির কলরবে,
মুগ্ধতা বয় আজ বনলতার আঁখিপাতে।

মোট পড়েছেনঃ ১২৬৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. চমৎকার, অনবদ্য লেখনী। দাদা দারুন উপভোগ করলাম। এতো সুন্দর সুন্দর শব্দ ভান্ডার বনলতা তো মুগ্ধ হবেই। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন শুভকামনা রইলো

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।