মূল লেখায় যান

এক নীরব মুজিবপ্রেমীর কথা

হোমায়রা জাহান হিমুবিবিধ১৫টি মন্তব্য

মনিরা ,তুই স্কুলে যাবি না?
মা,আইজ ত স্কুল বন্ধ।
কেন ? কি হয়েছে ?
মা,আইজ স্কুলে অনুষ্ঠান হইবো। আইজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মদিন।
হায়,হায় ,তুই আগে কবি না , তোর নানায় কই ? আইজ আবার কোন অলক্ষুনে কান্ড করে। গতবার একবার জেলে গেছিলো।যা মা তাড়াতাড়ি খুইজা নিয়া আয় মা।

মনিরা নানারে খুঁজতে বাহির হয়।সে জানে নানারে কই পাওয়া যাইবো।দোকানের সামনে এসে দেখে অনেক লোক ভীড় করে দাড়িয়ে আছে। সে ভীড় ঠেলে ভিতরে ঢুকতে গিয়ে দেখে ,কয়েকজন তার নানাকে ধরে রেখেছে। তার নানার সামনে একটা লোক পড়ে আছে। লোকটার মাথা থেকে গলগল করে রক্ত পড়ছে।

মনিরা আর দাঁড়াতে পারে না। দৌড়াতে দৌড়াতে এসে মাকে বলে। তার মা বের হবে এমন সময় দেখে কয়েকজন লোক তার বাবাকে নিয়ে এসেছে।

( যেই মানুষটার কথা বললাম তার নাম রইছ মিয়া , গ্রামের মানুষ তাকে ডাকতো রইছ পাগলা। এই বীর মুক্তিযোদ্ধার সব ঠিক ছিলো ,শুধু একটা জিনিস বাদে, শেখ পরিবারের নামে কোনো খারাপ কথা শুনতে পারতেন না। তার এলাকার মানুষ তাকে বাঘের মতো ভয় পেতো।
এই সেই মুক্তিযোদ্ধা যিনি সাত সহযোগীকে নিয়ে ১৯৯৭তে নোয়াখালির ১৪রাজাকারের বাড়িতে আগুন দিয়েছিলেন। সে মামলায় এক বছর তিন মাস জেলে ছিলেন। রইছ মিয়া আজ পাঁছ বছর হলো মারা গেছেন। কিন্তু আজো তার বাড়ির পাশের দোকানগুলোতে মানুষ শেখ পরিবারের নামে কিছু বলতে চাইলে ফিসফিসিয়ে বলে। যদি রইছ মিয়া শুনে যায়!! )

মোট পড়েছেনঃ ১১৭৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১৫টি মন্তব্য

  1. যদি রাত পোহালেই শোনা যেত
    বঙ্গবন্ধু মরে নাই
    যদি রাজপথে আজও মিছিল হত
    বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই
    তবে বিশ্ব পেত এক মহান নেতা
    আমরা পেতাম ফিরে জাতির পিতা

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?