মূল লেখায় যান

একালের খনার বচন – ১

নীলকন্ঠ জয়কবিতা, বিবিধ, রম্য, সমসাময়িক১২টি মন্তব্য
*** একালের খনার বচণঃ

শোনরে বাপু শিল্পপতির বেটা
মার্কেটের মধ্যে নতুন যেটা
তাতে যদি করিস ইনভেস্টমেন্ট
লাভ পাবি হান্ড্রেড পারসেন্ট।

খনা বলে শুনে যাও
ব্যাংক থেকে ঋণ  নাও
মুনাফা পাবে তাড়াতাড়ি
চড়বে সুখে পাজেরো গাড়ি।

*** আদি খনার বচণঃ

শো্নরে বাপু চাষার বেটা
মাটির মধ্যে বেলে যেটা
তাতে যদি বুনিস পটল
হবে তো্র আশা সফল

খনা বলে শুনে যাও
নারকেল মূলে চিটা দাও
গাছ হবে তাজা মোটা
তাড়াতাড়ি ধরবে গোটা।

 

খনার বচন মানেই সত্য বচন। খনার বচন তাই কালে কালে হয়েছে সমাদৃত।কাল পাত্র এবং ক্ষেত্র বিশেষে যুগে যুগে অর্থবহই থেকে গেছে।

খনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্বভিত্তিক ছড়া। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। অনেকের মতে খনা নাম্নী জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচনা এই  ছড়া গুলো। তবে এ নিয়ে মতভেদ আছে। অজস্র খনার বচন যুগ যুগান্তর ধরে গ্রাম বাংলার জন জীবনের সাথে মিশে আছে।

উপরের খনার বচনটি ব্যাঙ্গার্থে নয় বরং আধুনিক অর্থেই অবতরণ। তাই কেউ ভিন্ন ভাবে নিবেন না।

মোট পড়েছেনঃ ৭৫০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১২টি মন্তব্য

  1. কাল থেকে মন্তব্য করার চেষ্টা করেছি ক্লিক করলেই পেজ ব্লাংক হয়ে যায়। কি মন্তব্য করতে চেয়েছিলাম তা এখন মনে নাই তবে এটা বলতে পারি বচন যুগোপযোগী হয়েছে।

  2. খনা আমার একজন প্রিয় চরিত্র
    মাঝে মাঝে ভাবি – কিভাবে তিনি এমন করে সত্য এবং নির্ভুল লিখে গিয়েছেন ?
    কৃষি কাজে তাঁর বচন ১০০ ভাগ নির্ভুল ।

    ফানটা ভালো লেগেছে – চলুক 🙂