মূল লেখায় যান

একাকীর ভাবনা

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩২টি মন্তব্য

এই রাত্রি,
যা লিখি, যা কিছু লিখি, যা লিখতে চাই, যা লিখব,
ভাবো, সবই তোমার?
ঐ যে কুমারী চাঁদ, দুধজ্যোৎস্না, নীলাকাশ, কাচরাত্রি
আয়নাজলেভাষা পদ্ম;
এ সবই কি তোমার! ভাব?

একলা পাহাড়, জনারণ্যের কোলাহল,
জ্যোৎস্না ছোঁয়া জল, পায়রার বাকবাকুম,
আততায়ী বাতাস, অজস্রতম শিশির কণা,
এই যে কথা না রাখা, অবিশ্রান্ত শয্যা প্রহর,
মুহুর্মুহু ভাঙা হৃদপিণ্ড-পাঁজর!
শুধুই আমার, সে কারোরই নয়;

কন্দর্পকান্তি ঈশ্বরের বরপুত্র?
বৈকুণ্ঠ? অমরাবতী? ইরাবতী? ধানসিঁড়ি?

মোট পড়েছেনঃ ১০৭৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৩২টি মন্তব্য

  1. মুঠোতে থাকা সবই বিলিয়ে দিয়ে নিতে চান জ্যোৎস্না ছোয়া জল!
    তবে কি আপনিও স্বার্থপরের মত আচরণ করলেন না? আপনিও কি মায়ায় আবদ্ধ করে তারপর তাকে একলা সমুদ্রে ভাসিয়ে দিলেন না?
    দদি একসাথে হাতে হাত রেখে শিশির কণাগুলি গুনতে গুনতে পথ চলতেন, তবে কতই না মায়াময় হতো মুহুর্তগুলো।

    তবে যাই হোক, শেষ পর্যন্ত কিন্তু আমি সবই চাই 🙂

  2. না না, তাহার জন্য কিছুই নাই। থাকতে নাই, রাখতে নাই।
    তবে অজস্রতম শিশির কণাদের একসাথে জড় করে একটা কচু পাতায় তাকে দেয়াই যায়। “এই নাও, এটা তোমার জন্য। যত্ন করে রেখে কিন্তু।”
    আমি ভাবছি সে এই শিশির কণা দলাটাকে কেমন করে সে ধরে রাখবে। এত্তো ভালোবাসা কি সইবে তাহার!!

  3. হ্যা সবই তো তার..কোন সন্দেহ?
    ধানসিডিরে ভাই ধানসিডি। 😀
    এক “তুমি”আপনাকে তাডিয়ে বেড়াচ্ছে আর এক “তুই “আমাকে
    মরন মরন ।

    1. আপনার তাড়ানোটি দেখতে পেয়ে ভালই লাগল,
      আপনাকে আরও আরও তাড়িয়ে বেড়াক তা কিন্তু চাই।
      মরণ মরন! এ যে সাধের মরণ, যা বারবার মরেও মরতে ইচ্ছে করে!
      মরা-মরি গাঢ় হলে আমাদের জানান দিয়েন,

  4. লেখা কিন্তু শুধু নিজের জন্যেই হয়। জানেন কী?
    হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি, কোনদিন পড়বেও না শ্বেতাঙ্গ প্রেমিকা, ঝুল বারান্দায় ঝুলে থাকা দড়ি, কোন এক রাত্রি, জাহাজ সন্ধ্যা এসব নিজের ছাড়া আর কারোরই হতে পারেনা, হবেও না। হয়তো আপনার নিজেরই ভুল, রাত্রি চলছে রাত্রির মতো। কখনো বেজায় গম্ভীর, কখনো আনন্দের হাহাকার, খুনসুটি নিদারুন ফরমালিন বিহীন বন্ধুত্বে। অথচ আপনি ভেবে বসেছেন সেসব রাত্রির নিজের করে ভাবা! ভুল আপনারই। অই যে মুহুর্মুহু ভাঙা হৃদপিণ্ড-পাঁজর এর মতো করে এ ভুলও আপনারই, আর কারোরই নয়।
    এতো এতো নাম! সেও বুঝি আপনারই? 🙂
    ভয়ে ভয়ে বলছি, প্রিয়তে নিতে পারি?

    1. তাইতো দেখছি, কী না কী ভাবি! সবই ভুল! রাত্রি দেখছি সত্যি সত্যি কাকরাত্রি!
      নিজেকে ছাড়া কিছুই বোঝে না, জানেও না,
      কোজাগরী পূর্ণিমা সে সত্যিই দেখেনি, দেখবেও না। পাতালপুরিতে বসে নিজের হাত-পা খেতে থাকুক।
      এত্ত নাম হতেই পারে, হবে না ই বা কেন!
      আমিও ভয়ে ভয়ে বলছি, প্রিয়তে নেয়ার বাটন আছে নাকি!

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?