“তসলিমা নাসরিন তুমি আবার এস, বাংলাদেশে তোমার নিমন্ত্রণ”

@@ তসলিমা হুজুর এর ভণ্ডামি—-
>> সুরা নিসায় (আয়াত ৩০) লিখা আছে—পুরুষয় নারীর তত্ত্বাবধায়ক শাসক, কারন আল্লাহ তাদের এককে অপরের ওপর প্রধান্য দান করেছেন।
যেহেতু ধর্ম বলে – নারীর কোন ক্ষমতা নেই পুরুষের উপর কতৃত্ব করার , প্রধান্য বিস্তার করার , যেহেতু ধর্ম বলে নারী নেতৃত্ব বৈধ নয়, জায়েজ নয়। তাই ধর্ম যাদের একমাত্র হাতিয়ার তারা কোন প্রকার নারিপ্রধান দলের বিরুদ্ধে জেহাদে নামবে, এই তো ছিল স্বাভাবিক ।( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-১১৩)
>> হাদিসে আছে – স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত। ।( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-৮৭)
>> ধর্ম বলে নারীকে পর্দার ভিতরে থাকতে হবে । আপন বাবা, ভাই ,চাচা, মামা, ইত্যাদি হাতে গোনা ক জন আত্মীয় ছাড়া আর কোন পুরুষের সামনে আসা তাদের নিষেধ । মুসলিম নারীকে অবরোধ রাখার জন্য ধর্মর শৃঙ্খল সবচেয়ে বড় শৃঙ্খল । এই শৃঙ্খলের কারণে অধিকাংশ মেয়ে আজ নিরক্ষর, উত্তরাধিকার বঞ্চিত, বাল্যবিবাহ , তালাক ও বৈধ বের নির্যাতনে শিকার।( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-৮৬)
>> কোন ধর্মেয় পুরুষের জন্য কোন সতীত্বের ব্যবস্থা নেই । পুরুষের জন্য একগামিতার প্রয়োজন নেই। তার জন্য ধর্ম ও সমাজ গানিকালয়ের ব্যবস্থা করে রেখেছে। তার জন্য চারটি বিয়ে হালাল করা হয়েছে। ইসলাম ধর্মে দাসীকেও বৈধ করা হয়েছে। ( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-৮৭)
>> ইহুদি , খৃস্টান ও মুসলিম ধর্ম মতে – নারীর জন্ম পুরুষের পাঁজরের বাঁকা হাড় থেকে। মুসলিম মেয়েরা যানে স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত। ।( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-৮৭) । যানে স্বামী কে তুষ্ট রাখতে পারলে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা খুশী হন। তাই বেহেশতের লোভ দেখিয়ে স্বামীর পদসেবায় স্ত্রীদের নিয়জিত রাখার এক ধরনের কৌশল , ধর্মের এবং সমাজের। ( কঃ ২২২)
>> উত্তরাধিকার আইনে মেয়েদের বঞ্চিত করা হয়েছে ইসলামে। পুত্র সন্তানদের জন্য রেখেছে ২ ভাগ, কন্যাদের জন্য ১ ভাগ। এই অসভ্য উত্তরাধিকার আইনটি এই দেশে প্রচলিত। বিবাহ আইনে মেয়েরা দেনমোহরের শর্তে মেয়েরা পুরুষের কাছে একরকম বিক্রি হয়। ( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-৯০)
>> ছেলে জন্মালে বাঙ্গালি মুসলমান জন্মের আনন্দ প্রকাশ করতে আঁতুড়ে ঘরের দাওয়ায় দাড়িয়ে আজান দেয়। মেয়ে জন্মালে আজান দেবার নিয়ম নেই। ছেলে জন্মালে আকিকা নামক অনুষ্ঠানে ১ টি গরু বা ২ টা খাসি কোরবানি করতে হয়। আর মেয়ের বেলায় ১ টি খাসি হলেই চলে। ( নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য-৮৬)
>> ইসলাম বলে – নারী হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র , এই শস্যক্ষেত্রে তোমরা যে ভাবে ইচ্ছে গমন কর।
>> দারুল হরব( অমুসলিম রাষ্ট্র) এর ঘর বাড়ি ভেঙ্গে চুরে চূর্ণ বিচূর্ণ করে ফেলতে হবে। সেগুলি পুড়িয়ে ভস্ম বানাতে হবে। যেভাবে হোক অমুসলিমদের মুসলিম বানাতে হবে। এর যদি না পারা যায় তবে তাদের হত্যা করে দারুল হরব( অমুসলিম রাষ্ট্র) কে দারুল ইসলাম বানাতে হবে।
>> কোরআন বিশ্ব জগতের বাস্তবতা বর্ণনা করতে অক্ষম। বরং এটি প্রাচীনত্ব পূজারি হবারই শিক্ষা দেয়।সুতরাং মুসলিমরা কি ভাবে মডান হতে পারবে। ( দ্বিখণ্ডিত)
>> আমি কোরআন বিশ্বাস করি না। নামাজ পড়িনা । কোরআনে ভুল ত্রুটি রয়েছে। আল্লাহ মিথ্য বলেন। কেননা কোরআনে আছে – সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। ( Savvy Mumbay-1995)
এ রকম হাজারও মিথ্যা কথায় এবং মিথ্যা ভাষণে ভঁরা তসলিমার বই গুলি।

@@ দেওয়ানবাগী হুজুর আখড়ার হুজুর এর ভণ্ডামি—
তার দেওয়ানবাগ শরীফ থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বই পড়লে এই ধর্মীয় ভন্ডকে একজন অসুস্থ মানুষ ছাড়া কিছুই মনে হবেনা। এর ভন্ডামীর নমুনা হিসাবে ‌এই ভন্ডের নিজের হাতে লিখিত তার খানকা কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন বই ও প্রকাশনা থেকে কিছু ভন্ডামী এখানে কোড করা হলঃ

১. “‘দেওয়ানবাগী স্বপ্নে দেখেন ঢাকা এবং ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থানে এক বিশাল বাগানে ময়লার স্তূপের উপর বিবস্ত্র অবস্থায় নবীজীর প্রাণহীন দেহ পড়ে আছে। মাথা দক্ষিন দিকে, পা উত্তর দিকে প্রসারিত। বাম পা হাঁটুতে ভাঁজ হয়ে খাড়া আছে। আমি উদ্ধারের জন্য পেরেশান হয়ে গেলাম। তাঁর বাম পায়ের হাঁটুতে আমার ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে দেহে প্রাণ ফিরে এল। এবং তিনি আমাকে বললেন, ”হে ধর্মের পুনর্জীবনদানকারী, ইতিপূর্বে আমার ধর্ম পাঁচবার পুনর্জীবন লাভ করেছে।” [ সূত্র: রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেন-দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত]

২. “একদিন ফজরের পর মোরাকাবারত অবস্থায় আমার তন্দ্রা এসে যায়। আমি তখন নিজেকে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় রওজা শরীফের নিকট দেখতে পাই। দেখি রওজা শরীফের উপর শুকনা পাতা এবং আগাছা জমে প্রায় এক ফুট পুরু হয়ে আছে। আমি আরো লক্ষ্য করলাম, রওজা শরীফে শায়িত মহামানবের মাথা মোবারক পূর্ব দিকে এবং মুখমণ্ডল দণি দিকে ফিরানো। এ অবস্থা দেখে আমি আফসোস করতে লাগলাম। এমন সময় পাতার নীচ থেকে উঠে এসে এ মহামানব বসলেন। তার বুক পর্যন্ত পাতার উপর বের হয়ে পড়ে। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি দয়া করে আমার রওজা পরিষ্কার করে দেবেন না ? আমি বললাম, জী, দেব। তিনি বললেন, তাহলে দিন না। এভাবে বারবার তিনবার বলায় আমি এক একটা করে পাতা পরিষ্কার করে দেই। এরপর আমার তন্দ্রা ভেঙে যায়।” [সূত্র: রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেন-দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত]

৩. “দেওয়ানবাগী এবং তার মুরীদদের মাহফিলে স্বয়ং আল্লাহ্, সমস্ত নবী, রাসূল (সা), ফেরেস্তা, দেওয়ানবাগী ও তার মুর্শিদ চন্দ্রপাড়ার মৃত আবুল ফজলসহ সমস্ত ওলি আওলিয়া, এক বিশাল ময়দানে সমবেত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে দেওয়ানবাগীকে মোহাম্মাদী ইসলামের প্রচারক নির্বাচিত করা হয়।
অত:পর আল্লাহ সবাইকে নিয়ে এক মিছিল বের করে। মোহাম্মাদী ইসলামের চারটি পতাকা চারজনের, যথাক্রমে আল্লাহ, রাসূল (সা), দেওয়ানবাগী এবং তার পীরের হাতে ছিল। আল্লাহ, দেওয়ানবাগী ও তার পীর প্রথম সারিতে ছিলেন। বাকিরা সবাই পিছনের সারিতে। আল্লাহ নিজেই স্লোগান দিয়েছিলেন_ ”মোহাম্মাদী ইসলামের আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো।”
[সূত্র: সাপ্তাহিক দেওয়ানবাগী পত্রিকা- ১২/০৩/৯৯]

৪. “অন্তর্দৃষ্টি খোলা এক আশেক দেখতে ছিলেন এই অনুষ্ঠান রাহমাতুলি্লল আলামীন তাশরীফ নিয়েছেন। এবং রাব্বুল আলামীন দয়া করে তাশরীফ নিয়েছেন। রাব্বুল আলামীন এসে একটা নির্দেশ করেছেন যে, এ বিশ্ব আশেকে রাসূল সম্মেলনে যত আশেকে রাসূল অংশগ্রহণ করেছেন রাব্বুল আলামীন ফেরেস্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন সমস্ত আশেকে রাসূলদের তালিকা তৈরী করতে। এই তালিকা অনুযায়ী তারা বেহেস্তে চলে যাবে। এটা কি আমাদের জন্য বুলন্দ নসীব নয় কি ? যারা গত বিশ্ব আশেকে রাসূল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের জন্য কি এটা চরম পাওয়া নয় ?”
[সুত্র: মাসিক আত্মার বাণী, নভেম্বর : ১৯৯৯]

৫. দেওয়ানবাগীর একজন খাদেম (নাম মাওলানা আহমাদুল্লাহ যুক্তিবাদী) এক আশেকে রাসুল সম্মেলনে বলেন- “আমি স্বপ্নে দেখলাম হযরত ইব্রাহীম (আ) নির্মিত মক্কার কাবা ঘর এবং স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা) বাবে রহমতে হাজির হয়েছেন। আমাকে উদ্দেশ্য করে নবী করীম (সা) বলছেন ”তুমি যে ধারণা করছ যে, শাহ্ দেওয়ানবাগী হজ্জ করেননি আসলে এটা ভুল। আমি স্বয়ং আল্লাহর নবী মোহাম্মাদ (সাঃ) তার সাথে আছি এবং সর্বক্ষণ থাকি। আর কাবা ঘরও তার সামনে উপস্থিত আছে। আমার মোহাম্মাদী ইসলাম শাহ্ দেওয়ানবাগী প্রচার করতেছেন।”

এখন আপনারাই বলেন, এই খোদার খাসিকে সুস্থ, নাকি অসুস্থ বলবেন?

২৫৮জন ২৫৮জন
0 Shares

৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

️️ 🍂️️ 💝 ️️ 🌟 🌺 💐 💥 🌻 🍄 🌹 💐 ⭐️ 🎉 🎊