মূল লেখায় যান

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ

আশা জাগানিয়াএকান্ত অনুভূতি, সমসাময়িক২২টি মন্তব্য
সকল ধর্ম বর্ন মিলবো আমরা এক কেন্দ্রবিন্দুতে,যার নাম বাঙ্গালী
সকল ধর্ম বর্ন মিলবো আমরা এক কেন্দ্রবিন্দুতে,যার নাম বাঙ্গালী

ধর্মীয় সম্প্রীতির উদাহরন হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশ।যুগ যুগ ধরে আমরা বাঙ্গালী রা সকল ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করে আসছি।এদেশের ধর্মীয় উৎসব গুলো সার্বজনীন। ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা থাকি আমরা সকল ধর্মের মানুষ।তেমনি পূজা পার্বনগুলোও আমরা সার্বজনীন ভাবে পালন করি।মুসলিমদের ঈদে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান সবাই একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করি।তেমনি সনাতন ধর্মের  দুর্গা পুজায়ও আমরা শুভেচ্ছা বিনিময় করি।
এই যে পারস্পরিক ধর্মীয় শ্রদ্ধা বোধ এতে এক ধর্মের উপর অন্য কোন ধর্মের চাপিয়ে দেয়ার কোন বিষয় নেই।এমন কোন উদহারন নেই যাতে ঈদ উদযাপনের কারনে কোন হিন্দু ধর্মাবালম্বী মুসলিম হয়ে গিয়েছেন। অথবা হিন্দুদের পূজা আয়োজনের কারনে কোন মুসলমান হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন। আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম, নয় এখনো আমরা সুন্দর দিন কাটাতে চাই।

আমাদের দেশে এবার মুসলিম এবং হিন্দুদের দুটি বড় ধর্মীয় দিবস উদযাপিত হলো একই দিন। মুসলিমদের ঈদ এবং হিন্দুদের রথযাত্রা।দুই ধর্মের মানুষই যার যার ধর্মীয় পর্ব শান্তিপুর্ন ভাবে আয়োজন করেছেন। মুসলিমদের ঈদের নামাজের পরেই হিন্দুদের রথযাত্রা আরম্ভ হয়েছে।কোন মুসলিমের এতে সমস্যা হয়েছে কি?

ধর্ম নিরপেক্ষতার সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরন হতে চাই আমরা।মুসলিমদের মদীনা সনদেও তো এভাবেই বলা হয়েছে।

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত
জাতীয় ঈদগাহে নামাজ শেষে কোলাকুলিতে দুই শিশু
জাতীয় ঈদগাহে নামাজ শেষে কোলাকুলিতে দুই শিশু 
11758974_687934897978258_373583195_n
রাজধানীর স্বামীবাগ থেকে বের হওয়া রথযাত্রায় অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

ফিরে তাকাই রমজানের প্রথম দিনে।দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় মুসলমানদের ইফতারি করিয়েছেন প্রতিদিন।

ঢাকার সবুজবাগস্থ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে রোজাদার মুসলিমদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।
ঢাকার সবুজবাগস্থ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে রোজাদার মুসলিমদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।
বুড্ডিস্ট হিউম্যানিটি এসাসিয়েশন (বি.এইচ.এ)  চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দকাননস্থ বৌদ্ধ মন্দির সড়কের গোল চত্বরে রোজাদার অনাথ শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ
বুড্ডিস্ট হিউম্যানিটি এসাসিয়েশন (বি.এইচ.এ) চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দকাননস্থ বৌদ্ধ মন্দির সড়কের গোল চত্বরে রোজাদার অনাথ শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ

আমরা এমন বাংলাদেশই চাই যেখানে আমরা বাঙ্গালী পরিচয়ে সামনে এগিয়ে যাবো।সম্প্রীতির এই মডেল সমগ্র বিশ্ব গ্রহন করবে।
উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদ এভাবেই পরাজিত হবে বার বার।

মোট পড়েছেনঃ ১২৬৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. ধর্মনিরপেক্ষতার সবচেয়ে ভালো উদাহরন আমাদের বাংলাদেশ
    ভারতেও আমাদের দেশের মত সম্প্রীতি নেই।
    এই অবস্থা বজায় রাখতে হবে।

    প্রথম ফটোটি পেলেন কোথায়?
    পেইজ উপর নীচ করলে পেন্সিল গুলো মুভ করে 🙂

  2. সম্প্রীতির খবর প্রচারে আমাদের অনিহা এখন। মন্দির মসজিদ ভাংচুর এসব খবর প্রচার করতেই যত আনন্দ।
    মন ভরে গেলো আশা জাগানিয়া। এমন সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় হোক আরো। -{@

  3. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি!
    নতূন বাড়ী হচ্ছে ভাড়ার জন্য, কিন্তু হিন্দুদের দেবে না।
    যাই হোক একটা বাসা পাওয়া গেলো, শর্তই হলো পুজা দেয়া চলবে না।
    পুজা দিলে মনে মনে, উলুধ্বনি, কাঁসর ঘন্টা বাজানো চলবে না।

    এমন আরোও অনেক আছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বড়ো উদাহরণ ভারতে ভাঙ্গে মসজিদ, আর বাংলাদেশে মার খায় হিন্দু। আর দূর্গাপুজা আসছে, সম্প্রীতির উদাহরণ আরোও পাওয়া যাবে। অনেকেই বলবে রাজনীতির চাল। রাজনীতি যারা করে তারা মানুষ তো, নাকি?

    তবুও বলি আমার দেশ। আমার আত্মা।