সম্রাজ্ঞী (রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রতিবাদ হিসেবে লেখা)
আপনাকে বলছি লালায়িত সম্রাজ্ঞী —
একদিন তাজা রক্তে মিলেমিশে একাকার
হবে আপনার মুকুটের রক্তজবা,
সাদা পালকের ফুরফুরে কেশাগ্রে মিশে যাবে জনতার ঘাম,
আপনি হবেন সুখী কাঠুরিয়ার
জামা সন্ধানকারী উদ্ভ্রান্ত মানবী।
বুকের পচনধরা মাংসপিণ্ডের
ঘা চেটে দেবে অভুক্ত নেড়ি কুকুর,
কুড়ি দিনে গলা টিপে মেরে ফেলা
শিশুর আত্মা ভর করবে ঐ বেঁকে যাওয়া মেরুদণ্ডে।
নর্দমার হৃদয় ছুঁয়ে আসা কেঁচো মেশানো এক
ফোঁটা ওয়াসার পানির জন্যে আর্তনাদ করবে ককণ্ঠনালী ,
ধিক্কারে ধিক্কারে অবশ হয়ে আসবে দুই চোখের ফ্যাকাসে মনি।
বর্বরতার প্রতীক গণভবন নামক
প্রাসাদে শুরু হবে স্বরণকালের ভয়াবহ শিলা ঝড়,
আশেপাশে লেজ নাচিয়ে ঘুড়তে থাকা বুদ্ধিজীবী ছাগলের পাল মুখ ফেরাবে।
সেদিন আমাদের কথা মনে করবেন সম্রাজ্ঞী
একবার ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসবেন এই
নিপীড়িত জনতার বুকে
কথা দিলাম ষোল কোটি বুকের
সবচেয়ে উষ্ণ স্থানে ঠাই দেব আপনাকে।




১৬টি মন্তব্য
ষোল কোটি জনগণের বুকে স্থান পাওয়ার চেয়ে কর্পোরেট স্বার্থটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতি নিয়ন্ত্রন করে কর্পোরেটরা । কাজেই এ থেকে সরে আসার কোন সম্ভাবনা দেখছি না।
আমরা সত্যি দুর্ভাগা 🙁
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে আমিও সোচ্চার কিন্তু একজন মহান নেত্রীকে নিয়ে লেখাটা আমার পছন্দ হয়নি।
উনি আমাদের সবার নেত্রী, ওনার ওপর আমাদের সবার অধিকার আছে 🙂
আমিও অপার্থিবের বক্তব্যের সাথে একমত। কর্পোরেটদের ক্ষমতা অনেক বেশী, তাই রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবেই।
ঠিক বলেছেন নীলা
আমার লেখা ‘জলাভূমির বালক’ পড়ে দেখতে পারেন।
যাইহোক, ওখানেই যেহেতু আমার বাড়ি তাই এই বিষয়ে অনেক লিখেছি আর তাই লিখতে চাইনা। কারন, নীলাআপু, অপার্থিব ই এর সঠিক উত্তর বলে দিয়েছে। তবে, সবকিছুর উর্ধ্বে কিন্তু জনতা এটাও সত্যি।
একদিন এই জনতাই জবাব দিবে
পাগলা ভাইয়া এই লেখাটি আপনি পুর্বে একবার সোনেলায় প্রকাশ করেছিলেন ২০১৩ সনে। আমার মনে আছে, আমি কত কিছু মনে রাখতে পারি, ভাবুন একবার :p আপনার মনে থাকলে আপনি পুন:প্রকাশ লিখে দিতেন জানি আমি 🙂 ভাল কবিতাটি আবার পড়লাম।
হা হা হা মগজের এমন লীলা বলেই তো নামটা এত সুন্দর
প্রতিবাদমুখর কবিতাটি ভাল লাগল। যা ই হয় তা যেন শুধুই ভালর জন্য হয়।
আমিন
পুঃপ্রচার হওয়াতেই সুন্দর একটি প্রতিবাদী কবিতা পড়লাম।সহমত অপার্থিবের সাথে।
আমিও সহমত
দারুন এ প্রতিবাদ। কবে যে বুঝবেন সম্রাজ্ঞী!
বেহেশতে গেলে বুঝবেন