মূল লেখায় যান

শূন্যতা

সোনেলা রোদ্দুরএকান্ত অনুভূতি, কবিতা, বিবিধ, সাহিত্য১৯টি মন্তব্য

আজকাল ভেতরটা শূন্যতায় পূর্ণ
নিজেকে খুব দরিদ্র মনে হয়
তোর সাথে অভিমান না করতে পারার দারিদ্রতায় ভুগি সারাক্ষন।

তোকে ঘিরে থাকা হাজার মানুষের ভীড় আজকাল আমায় কষ্ট দেয়না
এই যে আমি কষ্ট পাইনা সেটাও আমায় কষ্ট দেয়
আমি কষ্ট পেতে চাই
তোকে ভালবেসে শুন্য রিক্ত হতে চাই ।

অথচ আমার অনুভুতির মাঠ এখন সবুজ ঘাস বিহীন ধুধু বালুচর
সেখানে অনেক দিন অভিমান, অনুরাগ, আহ্লাদের সবুজ ঘাস জন্মেনি।
আমি তোকে নিয় কত দিন কবিতা লিখিনা
এই যে তোকে লিখছি
এখন আমার চোখ জলে ভেজা
তোকে ভালোবাসার দিনগুলোর কথা মনে করে
তুই আছিস, আমি আছি অথচ আমাদের নির্ভরতার ভালোবাসা নেই।

মোট পড়েছেনঃ ১৩১৯জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

    1. আপনার মন্তব্য পড়ে একটা গানের লাইন মনে পরে গেল। “ঘুড়ী তুমি কার আকাশে ওড়ো, তার আকাশ কী আমার চেয়েও বড়”

  1. “তুই আছিস, আমি আছি অথচ আমাদের নির্ভরতার ভালোবাসা নেই।” এই যে না থাকার মতোই থাকাটাও কি শূন্যতা নয়? তবে অনুভূতিতে শূন্য হওয়া সহজ সাধ্য কর্ম্ম নয়, অনূভূতি কোন না কোন ভাবে সব সময় পূর্ণ হয়ে থাকে হোক সুখে কিংবা দুঃখে, হোক শূন্যতায় কিংবা পূর্ণতায়…

    1. আসলে শূণ্যতা বলে মনে হয় কিছু নেই। এই যে না থাকার কষ্ট এটাও তো না থাকার পূর্ণতা, নেই এর আধিক্য।

  2. .”………অথচ আমার অনুভুতির মাঠ এখন সবুজ ঘাস বিহীন ধুধু বালুচর
    সেখানে অনেক দিন অভিমান, অনুরাগ, আহ্লাদের সবুজ ঘাস জন্মেনি।”

    অসাধারন কথাগুলো।ভালো লাগল।

  3. ”তুই আছিস, আমি আছি অথচ আমাদের নির্ভরতার ভালোবাসা নেই।”……… এই লেখা আমাদের লীলাপুর? বিশ্বাসই হতে চায়না।এমন বিষণ্ণতা লেখায়? লেখাটি যেন নতুন।সব সময়ে এটি চলে।

    1. আমার সাথে বেমানান তাই না?জীবনে কিছু সময় আসে ভাংগার।তাকে গড়ে নিতে জানতে হয় সজীব ভাইয়া। কঠিন সময়ের লেখা সব সময় নতুন থাকে।এক সময় এটি আমি লিখেছিলাম,আজ হয়ত অন্য কেউ লিখবে 🙂

  4. লীলাপু কবিতা লিখছেন না কত মাস???

    “তোর সাথে অভিমান না করতে পারার দারিদ্রতায় ভুগি সারাক্ষন,
    অথচ আমার অনুভুতির মাঠ এখন সবুজ ঘাস বিহীন ধুধু বালুচর,
    তুই আছিস, আমি আছি অথচ আমাদের নির্ভরতার ভালোবাসা নেই।”

    আর কিছু বলতে হবে?

      1. আমি ভেবে অবাক হই লীলাপু ভালবাসার কবিতা লিখেন!!!!!!!!!!!!

        পূর্ণতা এসেছে মানে সেভাবে আর কাউকে ডাকতে হয় না, সে কাছেই আছে আর মুখ ফুটে বলার আগেই চোখের ভাষা বুঝে নিয়ে চলে আসে… :c