মূল লেখায় যান

লুণ্ঠন

ফজলে রাব্বী সোয়েবকবিতা১৪টি মন্তব্য
দেশটাকে আজ চিরে খাব,এই দেশ আমার না।
ঘরবাড়ি সব পুড়িয়ে ছারখার করবো,
এখানে আমার কোন ঘর নেই।
আমি আসলে কে, কী আমার পরিচয়?
জানার ইচ্ছেটা মরে গেছে বহুদিন।

কোন এক সময় জানতাম, দেশটা আমার,
গর্ব হতো খুব, হাসতাম, আনন্দ করতাম।
সব ভেতর থেকে আসতো, প্রকৃতিপ্রদত্ত
বলতে যা বোঝায়।
এখনও হাসি, আনন্দ করি,
কিন্তু সবকিছুই যে অলীক,
অনেকটা মরীচিকার মত, সবাই দেখবে
কিন্তু বুঝতে পারবে না।
পাগল বললেও বিভ্রান্ত হবো না,
এর চেয়ে পাগল হওয়া ঢের ভাল।

দস্যুরা এখন হাসে, আনন্দ করে
সব প্রকৃতিপ্রদত্ত, সবই ভেতর থেকে।
তারা লুট করে নিয়ে গেছে আমার আনন্দটুকু।
দেশটা আজ তাদের, আমার নয়।

এই আমার মাঝে যদি কেউ খুঁজে
পাও নিজেকে, আমাকে জানিও,
শান্তি পাব এটুকুতেই যে,
আমার মত আরও ‘আমি’ আছে।
যদিও এই ‘আমি’ টা শুধুই মানুষের
অবয়ব মাত্র, মানুষ নয়।
মোট পড়েছেনঃ ৭৪৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. দস্যুরা এখন হাসে, আনন্দ করে
    সব প্রকৃতিপ্রদত্ত, সবই ভেতর থেকে।
    তারা লুট করে নিয়ে গেছে আমার আনন্দটুকু।
    দেশটা আজ তাদের, আমার নয়।

    এমনই তো দেখাতে পাচ্ছি। জনপ্রিয়তা এখন দস্যুদের।

  2. কবিতা ভাল হয়েছে।
    তবে সত্য বলতে এ হতাশা প্রায় প্রতিটি দেশেই আছে।আর এর কারন এই আমরাই। আমরা এ দেশটাকে দিয়েছি কি যে দেশটা আমাদের দিবে?
    তবে কখনো কখনো কেউ না কেউ অধিকার আদায়ে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠে উঠতে হবে তবেই না দেশ হতে মন্দকে দূরে ঠেলে ভালকে পাব।

    1. দেশকে না, দেশের মানুষের জন্য আমরা অনেক দেই। চাকরি পেতে ঘুষ, টেন্ডারের কাজ পেতে ঘুষ, দুনম্বরি কাজের জন্য ঘুষ। সৎ থেকে এদেশকে কিছু মূল্যবান উপদেশ ছাড়া আর কি ই বা দেয়ার আছে। ন্যায্য কথা বললেই হয়রানি হতে হবে। ক্ষতি হয় সৎ মানুষদেরই।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।