মূল লেখায় যান

রোদ জানালার পর্দাটা

বনলতা সেনএকান্ত অনুভূতি৩২টি মন্তব্য

জানালার শার্শি আর ঝুলন্ত রোদের পর্দা।পর্দার ফাঁক গলিয়ে এক চিলতে সোনা রোদের উঁকিঝুঁকি।
আধ-ঘুমন্ত গুটিসুটি বেড়াল চোখে চেয়ে দেখা।হোঁচটের চিড় গুলোর ঝগড়া-ঝাঁটি বিঁধছে বিষণ্ণ বুকে।
এন্তার কেতাদুরস্ত অপেক্ষার কোলে বসে শুধুই তাকিয়ে থাকা। আঙুলের গাঁটে গাঁটে ও ঘাড়ে কামড়ে বসা জবুথুবু
শীতে ধোয়া ওঠা দীঘির জলে জল মাকড়ের পিছলে চলা,কী আশ্চর্য ! একটুও পা না ভিজিয়ে।
এক বিঘত পুরু অন্ধকারের গোলাঘর ভেঙ্গে ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে বড় দরজার মুখে ছোট্ট জানালায় অবাক
বিস্ময়ে ইউরেকা চিক্কুর ……
ভোর ! আমি তোমাকেই খুঁজছি। ভেবো না,সে ও এই এলো বলে। চলো না, ঐ জল মাকড়শার পিছু নেই?
আমি ভোর ভেসে আছি ভেসে রব জল কৈতর হয়ে,দীঘি জলে তুমি ডুবে যাবে,সে আমি সইতে পারব না।
ডুবে আছি বলেই দেখা হয় নাছরিন প্রিয়ংবদাদের সাথে।

জাঁহাবাজ তীরন্দাজের তীর হয়ে আমূলে বিঁধে যাব ভোরের বুকের গভীরে,কখন ????????

মোট পড়েছেনঃ ৮৮৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. ভোর নিয়ে এত টানা হেঁচড়া। শেষ পর্যন্ত ভোর ছিড়ে না যায় আবার। যুদ্ধের ধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। কবিতা ভালো হয়েছে, অবশ্য আপনার কবিতার ভালো বা মন্দ বলার যোগ্যতাই তো অর্জন করতে পারিনি এখনো।

     

  2. জাঁহাবাজ তীরন্দাজের তীর হয়ে আমূলে বিঁধে যাব ভোরের বুকের গভীরে,কখন ???????? তীর টা যেন আমার বুকেই বিঁধলো … এতো সুন্দর করে কেনো লেখেন আপনি? হিংসা হয় আমার।

    জল মাকড়শার ভেসে বেড়ানো দেখতে পাচ্ছি, জল কৈতর দের কেও। যে ডুবে যাবার যাকনা, ডুবে গেলেও যে কিছু পাওয়ার আশা দেখা যাচ্ছে।

    1. তীরের কি সাধ্য আছে আমার বু’ এর বুকে বেঁধে ? ভাল কিনা জানি না। আমি তো আপনার লেখা দেখেই শিখি।
      ভোর কে দেখে শুনে রাখতে হয় না?এতদিন ভোরকে ফেলে চলে যাওয়া ঠিক না কিন্তু। বেহাত হয়ে যাবে কিন্তু।

      1. আমার ভোর বেহাত করা এত্তো সোজা?? ইশ…  ধোয়া ওঠা দীঘির জলে জল কৈতরি হয়ে ভেসে বেড়ানো। এমন উপমা আমার মাথায় আসবেনা কখনই।

        ভালো করেছেন এতদিন পোস্ট না দিয়ে। আমার কাজের মধ্যে টেনশন শুরু হয়ে যেত 🙂

        1. তা ঠিক বেহাত হওয়া কঠিন ।তবুও শকুনদৃষ্টি বলে কথা।
          এর থেকেও ভাল ভাল উপমা আপনার কাছেই আছে।

          আপনাকে কিছুতেই টেনশনে রাখা ঠিক হবে না। ভোরকে দেখেশুনে রাখতে হবে যে।

  3. আমি পড়লাম ঠিকই কিন্তু নিজেকে গাধা বৈ অন্য কিছু আর মনে হচ্ছেনা, লীলাবতীর মত কি লিখি কেনো লিখি যেমন বলতে ইচ্ছে হচ্ছে তার সাথে জানতে ইচ্ছে হচ্ছে আমার মাথায় কি গোবর ছাড়া কিছু নাই নাকি? আমি কেনো ভাবার্থ টা বুঝলাম না 🙁   শুভ কামনা রইলো 🙂

  4. ভোরের রোদের চমৎকার বর্ণনা, পতঙ্গের ছুটে চলা, মাকড়শার পিছু নেয়া…… চমৎকার করে অনেকগুলি জিনিষ বলে দিলেন। সাধারণ কিছু কথায় অসাধারণ কিছু অনুভূতি একসাথে প্রকাশ করে দিলেন।

    ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম।