মরণ কখন আসিবে জানি না।
শুন মুসলমান! মৃত্যু তোমার নিশ্চিত, কবর তোমার নিশ্চিত, এটা নিশ্চয় মানো!
কবর কি খুব দূরে চোখ বন্ধ করে দেখুন। চোখের মনির ভিতরই আপনার কবর প্রস্তুত আপনাকে শোয়ানোর জন্য। বিশ্বাস হয় না, আল্লাহকে। নাকের ও মুখ গহবর থেকে নিশ্বাস বন্ধ মাত্র দেরি, রেডি কবর। টাকা, সম্পদ, ঘর বাড়ি বড় কথা, যাদের জন্য গড়ছেন অবৌধ্য সম্পদের পাহাড় একই সময়ে তারাই হতে পারে আপনার সহযাত্রী। সুতরাং মানূষকে কাদিয়ে, হত্যা করে, কারো ইজ্জতহানীতে এই স্ম্পদ কেহই ভোগ করিতে পারবে, না? যাদের জন্য করেছ তারাও না। পিপড়ায় খাবে বড় লোকের ধন।— একটি ছবির গান।
আপনার জন্য কবরই ঠাই। আর মহান রব্বুল আলামিন যদি আমার আপনার কপালে কবর না রাখে তাও জুটবেনা। এটা অবিশ্বাস্য না, তাও বিশ্বাস করতেও হবে।
কবরের শান্তি ও শাস্তি এটাও মানো!
তোবে শাস্তির কারণ নিশ্চয় জানো!
বেনামাজির শাস্তি তুমুল হবে এটাও জানো।
অন্যায়ের শাস্তি তাও মানো তবে কেন অন্যায়ভাবে অপরের অধিকার হরণ কর!
নিশ্চিত বলতে পারবে জোরপুর্বক হরণ করা সম্পদ অর্থ ভোগ করিতে পারবে?
না, তা কখনো না। মুহুর্তেই তোমার বিনাশ হতে পারে এটাও নিশ্চিত জানো, তবে কেন জবর দস্তি করে সম্পদ্দের পাহাড় গড়।
জমি দখল: অন্যের সম্পদ দখল করা আর জাহান্নামের টিকিট বুকিং দেয়া এক জিনিস। রাসূল সা: বলেছেন, কারো এক বিঘত সম্পদ যদি কেউ আত্মসাৎ করে তাহলে কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ তার গলায় সাত স্তবক জমিন ঝুলিয়ে দেবেন। ধসাতে থাকবেন তাকে। অন্য সাধারণ গুনাহ করলে বা আল্লাহর হকের সাথে জড়িত কোনো হুকুম লঙ্ঘন করলে এত বড় সমস্যা নেই যত বড় সমস্যা মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে দখল করলে রয়েছে। কারণ এটি বান্দার হক। আর বান্দার হক নষ্ট করলে সেটি আল্লাহ নিজে মাফ করবেন না। কিন্তু আল্লাহর হক নষ্ট করলে চাইলে আল্লাহ মাফও করতে পারেন, আবার শাস্তিও দিতে পারেন।
হযরত সাঃ ,”তোমরা কি জানো তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে অভাবী?’ সাহাবিরা বললেন, হে রাসূল! আমরা তো জানি যার সম্পদও নেই টাকাও নেই সে-ই অভাবী। রাসূল সা: বললেন, ‘না সে তো সাময়িক সময়ের অভাবী। অভাব দূর হয়ে যেকোনো সময় সে বড়লোক হয়ে যেতে পারে। আসল অভাবী হলো সেই ব্যক্তি যে অনেক নেক আমল করেছে কিন্তু অন্য বান্দার হক নষ্ট করেছে। কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ বলবেন, তোমার আমল থেকে দেনা পরিশোধ করো। পরিশোধ করতে করতে আমল শেষ হয়ে যাবে কিন্তু তার দেনা শোধ হবে না। তখন পাওনাদারের গোনাহ ওই সম্পদ আত্মসাৎকারীর ওপর দেয়া হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে দেয়া হবে।’
অবৈধ সম্পদ আহরণে তোমার যা পরিশ্রম সবই বিফল হাশরের ময়দানে বরঞ্চ এই গুলিই আমার আপনার চরম শাস্তির কারণ।
যে মানুষের এক নিশ্বাসের পরের নিশ্বাসের নিশ্চয়তা নাই সেই আমরা এতো হানাহানি কিভাবে করার চেষ্টা করি!


২৪টি মন্তব্য
এক বান্দার হক আর এক বান্দা নষ্ট করলে আল্লাহ্ তায়ালাও সহজে ক্ষমা করেন না।
নবীজির বিদায় হজ্জ্বের ভাষণ আমরা কতোটুকুই মানি!
মৃত্যুর স্বাদ সকল প্রাণীকেই পেতে হবে।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু। আপনাকে আমাদের মাঝে পেয়ে অনেক খুশি।
অনেক দিন পর আপনার লেখা পড়লাম ভাই৷
লিখার মত মন মানসিকতা খুব কম আর আমিতো পাঠক হয়েই আছি আপনারদের লেখার। মাঝে মাঝে ইচ্ছে জাগে কিছু লিখি আপু।
সচেতনামূলক পোষ্ট মজিবর দা লাল স্যালুট জানাই
আমরা জানি কিন্তু মানিনা এই সমস্যা আমাদের।
সবাইকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে তবুও কেন যে এতো লোভ যে অন্যের পাওনা, হক কেড়ে নিতে হবে! এসব ধন সম্পদ কিছুই সাথে যাবে না। সুমতি হোক মানুষের, বিবেকের। অফুরন্ত শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
তাইতো বুঝিনা দিদি।
মৃত্যুকে আমরা আমরা ভুলিয়ে ভালিয়ে অমর হয়ে থাকবো, নো চিন্তা।
লেখা ছেড়ে দিলে হবে না।
অফিসের চাপে আছি একা অনেক কাজ করে বই পড়া হয়ে উঠে না। তাই কিছুই হইনা।
আমাদের যদি মৃত্যু ভয় থাকতো তাহলে অন্যায় কমে যেত। আর কারো হক নষ্ট করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত ওই বান্দা তাকে ক্ষমা না করছে। আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন। শুভ কামনা রইলো।
শুভ কামনা আপনার প্রতিও ভায়ালো থাকুন।
প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কবর/ চিতা, স্বর্গ/নরক গন্তব্য যেখানেই হোক মৃত্যু সুনিশ্চিত, সুনির্দিষ্ট। অপরের হ্ক নস্ট করে কেউ-ই পার পায় না। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিকভাবে চলার তাউফিক দিন। আমিন।
শুভ কামনা 🌹🌹
আমিন আপু।
আমার একটা জিনিস মনেহয়, আল্লাহ্ যদি বিচারটা তখনি করতো সেটা ভালো হতো।
সঙ্গে সঙ্গে করলে আল্লাহ পরকাল, কবরের হিসাব, আজাব বা শাস্তি তো রেখেই দিচ্ছেন। আর সব কিছুই মহান আল্লাহ পাক ভালো জানেন। কারণ আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্যই।
‘আমি জিন ও মানবজাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদত ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। অর্থাৎ ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।’ (সুরা যারিয়াত : আয়াত ৫৬)
আপনার সুন্দর মনোভাবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এখানে এতোটুকুই লিখতে চাই,এই নশ্বর ভবসংসারে যাকিছু আছে, সবই অনিশ্চিত! কেবল জীবের মৃত্যুই নিশ্চিত! জগতের সকল জীবের মঙ্গল হোক। সকল জীবই সুখে-শান্তিতে থাকুক।
দাদা,আমি আপনার এই লেখাটি শুধু এবার নিয়ে চারবার বার পড়েছি। তাতে আপনার লেখা পোস্টের মোট পাঠকসংখ্যার সাথে চার(৪) যোগ হলো।
আর সাবিনা ইয়াসমিন দিদির এইলেখাটি আমি গতকাল থেকে অন্তত ৫০ থেকে ৬০বার ফলো করেছি। দেখেছি, কে কী মন্তব্য করছে। আমার করা মন্তব্যের উত্তরটা বা কী। এভাবে ব্লগে শুধু এই পোস্টই ফলো করেছি ৫০/৬০বার। সেটা কি এই পোস্টে ভিউ বাড়েনি? আর এটাও কি আমার বা একজন পাঠকের অপরাধ? যদি অপরাধই হয়ে থাকে তাহলে তো আর জেনেশুনে এমন অপরাধ করতে রাজি নই।
তবে আমি জানি, ব্লগে বা অনলাইনে যারা লেখালেখি করে, তারা শুধু লেখা প্রকাশের পর পাঠকসংখ্যার দিকেই তাকিয়ে থাকেন। বেশি পাঠকসংখ্যা মানে, লেখকের লেখার মান ও পাঠককুলে লেখকের পরিচিতি লাভ করা। কিন্তু এখানে দেখছি এর বিপরীত নিয়ম! এটা সত্যিই অবাক হবার মতো এবং খুবই হাস্যকর!
পরিশেষে বলছি, “আপনাদের ওইসব হীন মনমানসিকতার পরিবর্তন হোক”, এটাই আমার কামনা।
শুভ ব্লগিং।
দাদা ভিউ বাড়া আর নিজেই নিজের পোষ্ট বার বার ভিউ করা এক নয়। আমি আমার পোষ্ট বার বার ভিউ করে পোষ্টের কোন গুনগত মান বাড়ানো যায় না। আমার পোষ্ট ১০০ জন দেখলে এক জিনিস আর কেউ পড়ল না আমিই ১০০ বার রিভিউ বাড়ালাম তাতে কি মান হবে বলুন গুরু।
আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন ।
আপনি আপনার করা এই পোস্ট কতবার দেখেছেন? মানে শুরু থেকে আরও ব্লগারদের মন্তব্যের উত্তর প্রত্যুত্তর দিতে এপর্যন্ত? তাতে ভিউ বাড়বে না কমবে? কেউ কি কারোর নিজের পোস্ট খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়ে সারাদিন একএক করে ভিউ বাড়ানোর জন্য পড়তেই থাকে? কী অবাক কাণ্ডই না দেখছি!
দাদা আডমিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তিগণ এইগুলো জানতে পারে কে কি করছে তাই এই কথার অবতারণ।
মরণ নিশ্চিত এবং অবধারিত সত্য। তথাপি আমরা কেন বিবাদে জড়িয়ে আছি — “যে মানুষের এক নিশ্বাসের পরের নিশ্বাসের নিশ্চয়তা নাই সেই আমরা এতো হানাহানি কিভাবে করার চেষ্টা করি”!
সেটাই ভায়াইজান। আমি এখন থেকে কায়ারো সাথে খারাপ আচরণ রাগারাগি হলেএএ ততখানত মাপ চেয়ে নেয়ার ইচ্ছা পোষন করেছি, আল্লাহ য্রন কবুল করেন। আমিন।
ছুম্মা আমীন।