মূল লেখায় যান

ব্লগার ইঞ্জা ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

তৌহিদুল ইসলামশুভেচ্ছা৭৮টি মন্তব্য

এই সুন্দর ধরাধামে প্রতিটি মানুষই একটি নির্দিষ্ট দিনে জন্ম নেয়। পরিবারে কত হাসি কত সুখ নেমে আসে সেই শিশুটির জন্মদিনে তা বলাই বাহুল্য। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়, সামাজিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পরিচিত হয় বিভিন্ন মাধ্যমে। পুরো প্রকৃয়াটি আমার কাছে প্রকৃতির এক অপার বিস্ময় বলে মনে হয়। আর সে কারণেই পরিচিত আপন মানুষদেরকে আমি সব সময় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতাম একটা সময়।

কারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো আমার কাছে যেমন আনন্দের তেমনি কিছুটা বেদনারও বটে। আনন্দের এ কারনে এই দিনেই সে পৃথিবীতে এসেছিলো। পরিবারের অনাবিল সুখ-শান্তি, সবার হাসিমুখ, কত স্মৃতি!!

বেদনার কারন হচ্ছে জীবনে একটি করে জন্মদিন আসে আর জীবন থেকে একটি করে বছর চলে যায়। মনে হয় আর বুঝি বেশী দেরি নেই! যদিও এসব আমার একান্ত ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা। কিন্তু তারপরেও আমরা হাসিমুখ পছন্দ করি। আনন্দ উৎসব করতে ভালোবাসি। আমিও যে এর ব্যতিক্রম নই!

এরপরে পরিচিতি ঘটে বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক মাধ্যমগুলোর সাথে। ফেসবুক, ব্লগ, ট্যুইটার যারা ব্যবহার করেন এমন কিছু মানুষের সাথে গড়ে ওঠে সখ্যতা। ভার্চুয়াল জগতের মানুষদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে দেখলাম বেশিরভাগ মানুষই আসলে তাদের জন্মদিন পালন করছে বছরের দু’টো। একটি ভার্চুয়াল আর একটি সত্যিকারের জন্মদিন।

ভার্চুয়াল জন্মদিন হলো মনগড়া সার্টিফিকেট বয়স। এই কার্যকারণটিতেই আমার চরম খারাপলাগা তৈরি হয়। আমার নিজের জন্মদিনের ভার্চুয়াল বা সার্টিফিকেট তারিখ আর সত্যিকারে তারিখ আলাদা। একজন মানুষ আমাকে ভালবেসে, শ্রদ্ধা-সম্মান জানিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অথচ আমি স্বীকার করছিনা যে সেই তারিখটি আসল তারিখ নয়। এটি যখন বুঝতে পারলাম তখন এই খারাপলাগা থেকেই আমি আর কাউকেই ভার্চুয়াল মাধ্যমে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাইনা। দীর্ঘদিন পর আজ তার ব্যত্যয় ঘটলো।

আজ সোনেলার জনপ্রিয় ব্লগার ইঞ্জা ভাইয়ের জন্মদিন 🌹

সোনেলা ব্লগে লেখার জন্য আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রথম যে মানুষটি আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন তিনি ব্লগার এম ইঞ্জা ভাই। মুলতঃ আমার লেখনীকে পাঠক সমাজে প্রকাশ্যে নিয়ে আসায় তার অবদান অনস্বীকার্য। অন্তত কিছু মানুষ জানেন তৌহিদ নামে একজন ব্লগার আছেন আর এটি ইঞ্জা ভাইয়ের জন্যই সম্ভব হয়েছে। তাই তার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে কিছু কথা না লিখে থাকতে পারলামনা।

আমার এবং সোনেলা পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে অনেক অভিনন্দন এবং প্রাণঢালা শুভেচ্ছা রইলো। আপনি ভালো থাকবেন সবসময়। সুখে দুঃখে যেভাবে পাশে ছিলেন এভাবেই যেন পাশে পাই সবসময় ভাই।

মোট পড়েছেনঃ ১৪১৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৭৮টি মন্তব্য

  1. কিন্তু আমার একটা ছোট্ট কৌতুহল ছিলো। ইঞ্জা দাদাভাই তৌহিদ ভাইয়াকে ব্লগে আমন্ত্রণ করেন, তাহলে সোনেলার প্রতিষ্ঠাতা কে এবং বর্তমানে পরিচালনা পরিষদে কে কে আছেন।

    1. সোনেলার প্রতি ভালোবাসা থেকে একজন অন্যজনকে আমন্ত্রন জানান এখানে লেখার জন্য, ইঞ্জা ভাই অনেককে এনেছেন ব্লগে। তৌহিদ ভাইও অনেককে আমন্ত্রন জানিয়েছেন। আপনি এসেছেন সুরাইয়া ছোট আপুর মাধ্যমে, আপনিও আবার অনেককে আনবেন। ভালোবাসার একটি চেইনের মত, একজন থেকে অন্যজনকে আমন্ত্রন জানানো। এভাবেই সোনেলার প্রসার ঘটেছে। আপনার মাধ্যমে সম্ভবত মিজানুর রহমান এসেছেন। সমচিন্তার মানুষদের আমন্ত্রন জানান এখানে লেখার জন্য ভাই।
      সোনেলার প্রতিষ্ঠাতা কে এটি কোনো ব্যাপার না, আমরা সবাই সোনেলাকে বুকে ধারন করে আছি। সোনেলা আমাদের সবার।
      শুভ কামনা।

      1. শুধুই কৌতুহল থেকে জিজ্ঞেস করলাম। তবে একটা সময় ব্লগার রাজীব হত্যার পরে ব্লগ সম্পর্কে আকর্ষণ বেড়ে যায়। কিন্তু বন্ধু মহলের কেউ ব্লগে না থাকার কারণে বিস্তারিত জানা হয়নি। অনেকটা নেতিবাচক চিন্তা ও ছিলো। কিন্তু সোনেলায় আসার পর থেকে গত দুই মাসে আমি ব্লগের দুনিয়া চষে বেড়ালাম। সোনেলার পাশাপাশি বাংলা কবিতার ব্লগেও কবিতা দিচ্ছি। কিন্তু খুবই কম। ওখানে পুরনো লেখা পোস্ট করি। যাই হোক সোনেলায় আমার প্রথম ব্লগার জীবন শুরু, কাজেই সোনেলার প্রতি টান সবচেয়ে বেশি। এখানেই আছি ইনশাআল্লাহ।

  2. জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও প্রানঢালা ভালোবাসা সোনেলার এই প্রিয় সোনালী মানুষ ইঞ্জা ভাইকে।
    একজন নিপাট ভদ্রজন এই ইঞ্জা ভাই,
    অনলাইনে আমার গুটি কয়েক সেরা বন্ধুদের একজন তিনি।
    হাসি আনন্দের মাঝে কাটুক তার সমস্ত সময়।

    1. ভাইজানকে অনেক ভালোবাসা, আমি ছোট মানুষ যা আজ আমাকে পরিচিত করেছে এই ব্লগ সমাজে, এর জন্য আপনার অবদান অনস্বীকার্য,আমি নিপাট ভদ্রলোক কিনা জানিনা, কিন্তু এক সময় আমি প্রচন্ড জেদি ও একরোখা হিসাবে বন্ধুমহল ও আত্মীয়দের মাঝে ভয়ের কারণ ছিলাম, সত্যি বলতে কি আমি কখনো কম্প্রোমাইজ করতে শিখিনি।

  3. আমার ফেসবুক আইডি খোলার সময় সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখটিই দেয়া ছিল। কিন্তু সেই জন্মতারিখে যখন সবাই শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করলো, তখন নিজের কাছেই কেমন যেন খারাপ লাগলো। পরেরদিনই এডিট করে আসল জন্মতারিখটি দিয়ে দিলাম।
    যাইহোক, ইঞ্জা ভাইয়া বোধকরি সবারই একজন প্রিয় মানুষ। তাঁর সাথে আমার পরিচয় অল্পদিনের। তবুও এ অল্প সময়ের মধ্যেই পেয়েছি তাঁর অকৃত্রিম আন্তরিকতা আর স্নেহ। এত অল্প সময়ে কাউকে আপন করে নেয়ার গুণ যাঁর মধ্যে থাকে তাঁকে শ্রদ্ধা না করে পারা যায়!
    জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা ভাইয়া। আপনার মুখের সরল হাসিটি অক্ষত থাক আজীবন।

    1. সুন্দর বললেন আপু। আমার আইডি এন আই ডি ভেরিফাইড করা বলে সার্টিফিকেট তারিখই দিতে হয়েছে।

      ইঞ্জা দাদা অনেক ভালো মনের একজন মানুষ। সোনেলায় তার অবদান অনস্বীকার্য। ভালো থাকবেন আপু।

  4. প্রথমে ইঞ্জাভাইকে অজস্র শুভেচ্ছা জন্মদিনের। অনেক অনেক শুভ কামনা। সুস্থ্য সুন্দর কাটুক আগামী যুগ যুগান্তর। একজন সর্বজন প্রিয় মানুষ ইঞ্জা ভাই।

    তৌহিদ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। জন্মদিনের এমন এক শুভেচ্ছা পোস্ট দেবার জন্য।

  5. তাঁর প্রশংসা করলেও কম হয়ে যাবে কথা ফুরোবেনা।তাঁর গুণগান গাইলেও পাতা শেষ গাওয়া শেষ হবে না।এক কথায় অত্যান্ত বন্ধুভাবাপন্ন অনন্য চরিত্রের অধিকারী আজ তার শুভ জন্মদিন।
    ভাল থাকুন সব সময় প্রতিদিন প্রতি ক্ষণ। শুভ জন্মদিন।

  6. শ্রদ্ধেয় ইঞ্জা দাদা’র শুভ জন্মদিনে শুভেচ্ছা-সহ শুভকামনা থাকলো।
    ভালো থাকুন সবা, আগামী দিনগুলো হোক আনন্দম। তৌহিদ দাদাকেও শুভেচ্ছা ভালোবাসা ।

  7. হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ
    হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ
    হ্যাপি বার্থ ডে
    হ্যাপি বার্থ ডে
    হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউউউউউউউউউউ

    হ্যাপি বার্থ ডে ইঞ্জা ভাইজান। জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা, অনেকগুলো ফুলের শুভেচ্ছা রইলো।
    খুব ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন
    দোয়া করি শত শত বছর বেঁচে থাকুন সুন্দর এই পৃথিবীতে,,,,

    আর হ্যা, আমার কিন্ত একটা দশ কেজি ওজনের কেক চাই ☺☺

    1. ইঞ্জা ভাই সোনেলার সুখে দুখে সবসময় পাশে ছিলেন এবং থাকবেন ইনশাআল্লাহ। আপনিও আমাদের সবার মাঝে নিজের ভালোবাসা আর লেখা দিয়ে মন জয় করে নিয়েছেন ভাই।

      ভালো থাকবেন সবসময়।