মূল লেখায় যান

ব্যাথাভরা একদিন

খাদিজাতুল কুবরাকবিতা১০টি মন্তব্য

আজ বুকটায় বড় যন্ত্রণা!
এই মাত্র পেলাম বহুল কাঙ্খিত একটি সফল বেদনা,
বাম স্কন্ধে সুখের মত রিনরিনে ব্যাথার আনাগোনা!
এ ব্যাথা হৃদযন্ত্র টের পায়না,
টের পায়না মনের গোপন আয়না!
তোমার আধেক ব্যাথা শুষে নেয় নিকোটিন,
আধেক নেয় আকাশের নীল।
আমি যে বন্দিনী!
কুৎসা জুগুপ্সার ভয়ে সূর্য দেখা হয়নি কোনদিন।
আমার ব্যাথার কথা বলা বারণ,
হৃদয়টাই বারংবার শুষে হয় নীল!
সেই একমাত্র ব্লটিং।
ভালো থেকো হে সভ্য পৃথিবী,
ভালো থেকো সুশীল!
ভালো থেকো প্রিয় প্রজাপতি তুমি ও।
ঢেকে রাখা ঘাসের মতন, বিবর্ণতা আমার মূল রঙ!
আমি আজ রাজাধিরাজ ব্যাথার রাজ্যপাটে!
ব্যাথাগুলো সাজানো প্রাসাদে!
শুনেছি যন্ত্রণার রঙ নাকি নীল!
নীল শাড়ির নিপাট ভাজে কি যন্ত্রণা লুকানো থাকবে?
আলমারি খুললেই হুড়মুড়িয়ে গায়ে পড়বে?
নেপথলিনের সাথে মিশে থেকে নাকে সুড়সুড়ি দেবে?
বড় শখ করে কিনেছিলাম তোমার প্রিয় রঙ!
সাথে রুপোর গয়না, গয়না এখন শিকল।

বুঝলে অনিমেষ,
ভালোবাসা এমনই সর্বনাশ!
প্রমত্ত পদ্মার চেয়ে ও ভয়াল তার গ্রাস!

মোট পড়েছেনঃ ৭৫২জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. ব্যাথা গুলো গোপনেই থাকে। অভিমানে ব্যাথার পাহাড় জমলে কার কি আসে যায়। ভালোবাসার রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। প্রমত্তা পদ্মার ঘোলা জলে হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসা যায় না। শুভ কামনা রইলো।

  2. অনিমেষ এগুলো বুঝে না। তাদের ব্যথা শুষে নেয়ার অনেকানেক উপাদান থাকে। কাঙ্ক্ষিত যাতনা গুলো যখন বুক ফুঁড়ে হৃদপিণ্ডটা এফোড় ওফোড় করতে থাকে, তার খবর অনিমেষ এর কাছে পৌছয়না। গয়নার শেকলে বাঁধা বন্দীর শোক কারো কাছেই পৌঁছাতে পারে না।

    1. ছোট বেলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রীর পত্র পড়ে মনে হয়েছিল, এ আবার কেমনতর যন্ত্রণা যে একেবারে সব ছেড়ে চলে যেতে হয়।
      কিন্তু আজ বুঝতে পারি, নারীর বেদনা ঠিক কতখানি।
      কবিতার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে, আপনার মন্তব্যে।
      অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।