বোস কেবিন

প্রাচ্যের ড্যান্ডি নারায়ণগঞ্জ এর সাথে বোস কেবিন এর ইতিহাস ৯৯ বছরের। ২০২১ সালে বোস কেবিন ১০০ বছর হবে।
বোস কেবিন’ একটি চায়ের দোকানের নাম। চা, পরোটা,বাটার বিস্কুটের জন্য বিখ্যাত ছিল
বোস কেবিনের সাথে নানা ইতিহাস রয়েছে।বোস কেবিনের চা প্রথম খেয়ে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু বেশ প্রশংসা করেন। তারপর থেকে এই অঞ্চলে আসলে নেতাজি সুভাষ বসু চা না খেয়ে যেতেন না।
বোস কেবিনের সুনাম এতো টা ছড়িয়ে পরে যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখার্জি, জ্যোতি বসু প্রমুখ আসতেন চা খেতেন গল্প করতেন।
বোস কেবিনের মালিক নৃপেন বসু কে সবাই ভুলু বাবু নামে চিনে। ভুলু বাবুর চা নামেও বেশ পরিচিত ছিল বোস কেবিন।
বোস কেবিন নামে উপন্যাস লিখেছেন লেখক মাসুম রহমান।
নারায়ণগঞ্জ এর ইতিহাস ঐতিহ্য আর দুঃসাহসিক ভাষা আন্দোলন এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্ধুত্বের বন্ধন, প্রেম, বিচ্ছেদ সব কিছু আছে “বোস কেবিনে”।
নারায়ণগঞ্জ এ এখনও এমন মানুষ আছে যারা ৬০ বছর ধরে বোস কেবিনে আড্ডা দিচ্ছেন। বর্তমানে বোস কেবিন পরিচালনা করেন নৃপেন বাবুর নাতি তারক চন্দ্র বসু।স্বাদে হয়তো কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ মানুষের কাছে বোস কেবিন এক ভালবাসার নাম।




১৭টি মন্তব্য
বোস কেবিন, এই প্রথম এর ইতিহাস জানলাম, খুব ভালো লাগলো ঐতিহাসিক জায়গাটা সম্পর্কে জেনে, ধন্যবাদ আপনাকে, আরও লেখা চাই।
ধন্যবাদ
শুভকামনা সবসময়
বোস কেবিন দেখার আগ্রহ জাগলো
স্বাগতম আপনাকে
বাহ্ এই ইতিহাস টি আগে জানা ছিলো না। ধন্যবাদ আপনাকে এমন ঐতিহাসিক বিষয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য। ভালো থাকুন শুভ কামনা রইলো
ধন্যবাদ
নামটা আগেও শুনেছি, কোন একদিন যাওয়ার ইচ্ছেটাও মনে পোষণ করে রাখলাম।
সময় করে ঘুরে আসুন
হুমম, যেতে হবে
বইটি পড়ার যতটা ইচ্ছে হলো
তার’চে শতগুণ বেশি ইচ্ছে হচ্ছে সেখানে বসে একটা পরোটা আর চায়ের স্বাধ নিতে।
ভালো লিখেছেন।
স্বাগতম আপনাকে অবশ্যই আসবেন।
বোস কেবিনের ইতিহাস জেনে ভালো লাগলো। বইটি পড়ার ইচ্ছে রইলো।
ভালো থাকবেন।
দারুণ লেখা ,বেশ ভালো
বোস কেবিন আজ জানলাম তবে বেশ ভালো লাগলো।
একদিন চা খেতে পারলে অবশ্য ভালোই লাগবে, আশা রাখছি।
শুভ কামনা।
বোস কেবিনের কথা আগে থেকেই জানি এর ইতিহাস সহ,
তবে ইচ্ছে আছে নিজে চেখে দেখার।
একদিন যাবো বোস কেবিনে