মূল লেখায় যান

ভয় নাকি হ্যালুসিনেশন

সুরাইয়া পারভীনঅণুগল্প১৮টি মন্তব্য

কে….! কে এখানে…?

তখন ঘোর সন্ধ্যা। চায়ের কাপ এবং সাথে দু’টো টোস্ট বিস্কুট নিয়ে বসেছি দোতালার দখিনা বারান্দায়। সবে চায়ে বিস্কুট ডুবিয়েছি এমন সময় পুরো শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে উঠলো। মনে হলো অদৃশ্য একটা হাত ছুঁয়ে দিলে আমার কাঁধ। হ্যাঁ ইদানিং এমনই ঘটছে আমার সাথে। সর্বোক্ষণ মনে হচ্ছে কেউ একজন আমার সাথে সাথে চলছে, আমি বসলেও সেও বসছে পাশে। কখনো কাঁধে হাত রাখছে। কেনো এমন মনে হচ্ছে এর যথার্থ কারণ এখনো অগোচরেই রয়েছে?

 

এই ব্যাপারটা লক্ষ্য করছি গত রবিবার থেকে। শনিবার রাত দুইটায় যখন ঘুম ভেঙে গেলো তখন দেখলাম বেলকনির দরজা খোলা রয়েছে। রাতে বই পড়ছিলাম তারপর কখন ঘুমে গেছি টের পাইনি। বেলকনির দরজা লাগাতে গিয়ে চোখে পড়লো আজ শুকোতে দেওয়া জামা কাপড় তোলা হয়নি। কাপড় গুলো তুলতে বেলকনিতে গেলাম। ঠিক তখনই অন্ধকারে চোখ পড়তেই অদ্ভুত এক অনুভূতি অনুভব করলাম! তাড়াহুড়ো করে রুমে এসে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়লাম। সে রাতে আর ঘুম এলো না। অন্ধকার ঘর তবুও চেয়ে রইলাম ছাদের দিকে। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ মনে হলো ঘরে কেউ একটা আছে। অদৃশ্য অস্পৃষ্ট তবুও যেনো অন্ধকারে দেখতে পাচ্ছি কারো কায়া। যেনো অন্ধকারে জলজল করছে কারো লোলুপ দৃষ্টি, বিভৎস দাঁত, লকলকে জিভ।

 

মোট পড়েছেনঃ ১৮৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. আপু আপনার অবচেতন মনে কোন একটা ভয় কাজ করছে যেটা হয়তো আপনি নিজেও বুঝতে পারছেন না। মাঝে মাঝে আমরা সবাই এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হই, কিন্তু এটা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় মনকে শক্ত করা, আর নিজের প্রতি নিজের আস্থা রাখা। ভালো থাকবেন।

    1. আপু এটা একটা অনুগল্প লেখার চেষ্টা করেছি। প্রথমে ভেবেছিলাম রোমান্টিক কিছু লিখবো কিন্তু শেষ‌ অব্দি সমসাময়িক ঘটনাতে এসে থেমে গেছে। গল্পের আমি, আমি নই আপু
      কৃতজ্ঞতা জানাই
      ভালো থাকুন সবসময়

  2. জানেনতো হ্যালুসিনেশন আর ভয় পিঠাপিঠি। একটি বাড়লে অপরটি বাড়ে। তবে ভয় নিজেকে জয় করতে হয় আর হ্যালুসিনেশন জয় করতে অনেকসময় অন্যের সাহায্য নিতে হয়।

    এসবই অবচেতন মনের কল্পনা থেকেই আসে। ভালো থাকুন সবসময়।

    1. চেতনে বা অবচেতনে মন থেকে উঠে আসা কল্প কথা সাজিয়ে রূপকথার গল্প বানাতে ভালোই লাগে। সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময়

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।