মূল লেখায় যান

নীরব আর্তনাদ

তৌহিদুল ইসলামএকান্ত অনুভূতি১৬টি মন্তব্য

ব্যস্ত এ শহরের অলিতে গলিতে
অবিরাম ছুটে চলা…
আলতো হাতে পাথুরে দেয়াল ছুঁয়ে
নীথর ক্লান্ত পায়ে,
তপ্ত কালো পীচঢালা পথের বাঁকে বাঁকে
নীলাভ রক্তে যেখানে মিশে থাকে
মুখোশধারী কিছু হায়েনার নগ্ন আলিঙ্গন।

আমি মহাকালের স্রোতে হারিয়ে যেতে চাইনি,
হতে চাইনি নাটাই ছাড়া ঘুড়ি।
অবুঝ এক মায়ায় ঘেরা বন্ধনের সুতোখানি,
আঁকড়ে ধরে আছি খড়কুটো ভেবে।

আমি কখনো হতে চাইনি
মহাশুন্যতার এক নীথর কম্পন।
সেখানে বিরাজমান এক অসহ্য নীরবতা
প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়-
একদিন আমারো সোনালি অতীত ছিল।

[ছবি- নেট থেকে]

মোট পড়েছেনঃ ৮৩০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. না চাইলেও মহাকালের স্রোতে হারিয়ে যেতে হয়
    সমস্ত মায়ার বাঁধন কেটে নাটাই ছেঁড়া ঘুড়ি হয়ে ঘুরতে হয় পথে প্রান্তরে, সহ্য করতে হয় অসহ্য নীরব যন্ত্রণা।

    আসলে কোনো কিছুর বিনিময়ে আমরা ভুলে যেতে পারি না
    ফেলে আসা সুন্দর সোনালী অতীত।

  2. সময়ের স্রোতে কতকিছু বিলীন হয়ে যায় আমরা তার কতটুকু খোঁজ রাখি?
    কিন্তু স্মৃতি আমাদের আঁকড়ে ধরে বিষণভাবে।
    আমরা চাইলেও তা ভুলতে পারিনা।

    আমাদের চারপাশ জুড়ে মুখোশধারী শয়তানের আনাগোনা। যারা নীলাভ রক্তে মিশে থাকে।
    তাদেরকে কখনো ভুলা যায় না।
    তাদের চেনা হয়ে যায়।

    কেবল নীরব আর্তনাদে অনুভব করে যাওয়া।
    যথার্থ লেখনী, দাদা।

    1. আশেপাশে যারা অসহনীয় আচরণ করে তাদেরকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে হয়। যারা পারে তারা বর্তমানকে শক্ত হাতে গড়ে নিজের ভবিষ্যৎ সুন্দর করে। ধন্যবাদ দাদা।

  3. কবিতার শেষ প্যারাটা মনে হয় সবার ই মনের অনুভূতি। এমন করে আমরা সবাই জানি আমাদের সবারই একটা সোনালী অতীত ছিলো ‌। স্মৃতি কখনো হারিয়ে যায় না ঘুমিয়ে থাকে তাইতো ঘুম ভাঙলেই আমরা স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি। চমৎকার ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অফুরন্ত শুভকামনা রইলো