মূল লেখায় যান

দাগ থেকে যায়

শিপু ভাইগল্প১৬টি মন্তব্য

সুমন নীলাকে দেখেই পছন্দ করে ফেলে। নীলা স্থানীয় কলেজে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। সুমন দেখতে সুদর্শন, শিক্ষিত এবং বেশ ধনী পরিবারের সন্তান। অল্প দিনেই সুমন নীলার প্রেম হয়ে যায়। সুমন বাসায় জানায় নীলার কথা। মেয়েদের ছোট্ট পরিবার, স্বচ্ছল, আর মেয়েও খুব ভাল। দিনক্ষণ ঠিক হয় সুমনের পরিবারের কয়েকজন যাবে নীলাদের বাড়ি।
সুমনের মা, বড় চাচা, মেঝো চাচা, ছোট বোন আর সম্পর্কে নানা হয় এমন একজন যায় নীলাদের বাসায়। সুমনের মা ও দুই চাচা চমকে যায় নীলাদের বাসায় গিয়ে। মধ্যবিত্ত পরিবার নীলাদের। বাবা নেই। ১৫/১৬ বছর আগে মারা গেছেন। মা তার তিন সন্তানকে বহু কষ্টে মানুষ করেছেন, বড় করেছেন। বড় দুই ভাই এর একজন বিদেশ আরেকজন ভালো জব করে। সাজানো গোছানো ছোট্ট বাসা ওদের। সবই ঠিক ছিল কিন্তু এই বিয়ে সম্ভব না। কারণ প্রায় ১২/১৩ বছর আগে নীলার মা সুমনের বড় ফুফুর বাসায় বুয়ার কাজ করেছিল কিছুদিন!!!

মোট পড়েছেনঃ ৭০৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১৬টি মন্তব্য

  1. কিছু দাগ থেকেই যায়। চাইলেও মুছে ফেলা যায় না। নীলার মায়ের সেই কাজের বুয়ার দাগ এসে পড়লে নিশার জীবনে। তবে সত্যিই যদি ভালোবাসা থাকতো এ দাগটা কে মুছে ফেলার চেষ্টা করতে পারতেন। ভালো লিখেছেন

  2. চরম বাস্তব বিষয়টি তুলে ধরেছেন। আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত / নিম্ন মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি গুলোতে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটেছে। বাবাহীন পরিবারে বি এ পাশ মেয়ের ভেঙে যেতে দেখেছি, মা গার্মেন্টস এ কাজ করেছে বলে। ছেলে শিক্ষিত ভালো চাকরি করেও পছন্দমতো মেয়েকে বিয়ে করতে পারেনি বাবার দুই বিয়ের কারনে। এছাড়া আরো অনেক বিয়ে ভেঙে যায় শুধুমাত্র পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড এর কারনে। মানুষ শিক্ষায় উন্নতি করতে পারলেও মননে এখনো পিছিয়ে আছে। হয়তো সুদিন আসবে নয়তো না,,,

    নিয়মিত লেখা দেয়ার জন্যে এক্সট্রা শুভ কামনা,
    পরেরটার অপেক্ষায় রইলাম 🙂

  3. সামাজিক মানসিকতা পাল্টাতে সময় লাগবে আমাদের অনেক।
    আমাদের দেশে মানুষকে বিচার করা হয় কাজ এর ভিত্তিতে,
    সামাজিক অবস্থানও নির্নয় হয় পেশার ভিত্তিতে।
    এই সীমাবদ্ধতা থাকবে আরো দু এক জেনারেশন।

    শিপু ভাইকে ব্লগে নিয়মিত দেখে ভালো লাগছে,
    শুভ কামনা।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?