মূল লেখায় যান

জ্ঞান চর্চা।

সঞ্জয় মালাকারকবিতা২৬টি মন্তব্য

সা দা মা ঠ…..
তুমি কার জন্য লিখছ, আর কার জন্য কাঁদছ,

হয়নি তো আজ জ্ঞান চর্চা
লাজ লজ্জার নেই যে ঘোমটা,
দেখতে যেন কেমন লাগে
সত্য ভুলে মিথ্যে চলে,!
চালচলনে মাসী পিসী
করছে কতই কুটি নাটি,
পরিপাটি অজ্ঞানে, করছে রান্নাবাড়ি!
হয়নি তো আজ জ্ঞান চর্চা
সত্য পথে চলা,
মা কাকীরা দেখছি এখন
সাজেই হারায় বেলা!
নেয় নি তো আজ ঘোমটা তুলে
নতুন বউয়ের সাঁজ,
নষ্ট হবে যে শালিনির চাল
চলনের স্বভাব।
হয়নি তো আজ জ্ঞান চর্চা
পূর্ব পুরুষে বিরাজ,
নিয়ম ভাঙা স্বভাব হলো
কলিযোগের নাচ!
যুগে যুগে কমে যাচ্ছে
মায়ের আচল ছায়া
ট্রলির উপর শিশু নাচে!
যোগে চিহ্ন পাড়া।

 সঞ্জয় মালাকার//

মোট পড়েছেনঃ ৯৪৪জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

২৬টি মন্তব্য

  1. মানুষের জ্ঞানচর্চা মৃত্যুর আগপর্যন্ত চলছেই। কেউ জ্ঞানী হচ্ছে, কেউ আবার নাকি অজ্ঞানীই থেকে যাচ্ছে। যদিও এখনো তেমন কোনও বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে পারিনি, তবুও আপনার লেখা “জ্ঞান চর্চা” পড়ে খুবই ভালো লেগেছে।
    ভালো থাকবেন আশা করি।

  2. শেখার কোন শেষ নেই, মরন এর পূর্ব পর্যন্ত মানুষ শেখে। মা কিন্তু মা ই।
    যে মা সারাদিন চাকরি করে সে সন্তানকে ভালোবাসে না? বাসে সন্তানকে সুখ দিতেই দূরে থাকে। আগে সন্তানরা নানি দাদীর কোলে কোলে বড় হত কিন্তু কাজের সমাজের পরিবেশের বিবর্তনে একান্নবর্তী পরিবার আর নেই মা বেচারী একা হাপিয়ে উঠে স্ট্রলার এর সাহায্য নেয়। মায়ের আদর কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার অবকাশ হওয়ার কথা নয়। এখনো পৃথিবীতে খাটি শুধু মায়ের ভালোবাসা। ধন্যবাদ।

  3. মায়ের আদর বা নারীদের শিক্ষা নিয়ে এইযুগে প্রশ্ন রাখাটা যুক্তি সংগত মনে হলো না। মধ্যযুগে একটা সময় ছিলো, যখন নারীরা শিক্ষা বলতে ধর্মীয় পুস্তক অধ্যায়ন আর গৃহ সজ্জার পাশাপাশি নিজেদের সাজিয়ে রাখাটাকেই মনে করতো। কিন্ত এখন সময় পাল্টেছে। সব ক্ষেত্রেই মেয়েরা/ মায়েরা শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়েছে। একজন পুরুষের চেয়েও নারীর শিক্ষা তার সংসারে বেশি কাজে লাগছে।

    দুঃখিত দাদা, এই লেখাটির সাথে একাত্ব হতে পারলাম না।

    শুভ কামনা 🌹🌹

    1. সবি’ই ঠিক আছে দিদি, কিন্তু কিছু মা এখনে পাল্টায়নি, তারা এখনে সাজগোজে নিজে কে ব্যেস্ত রাখে সন্তানের খেয়ালই নেয়না।
      ধন্যবাদ দিদি, শুভ কামনা রইলো।

  4. মেয়েদের ঘোমটা দিয়ে বসে থাকার দিন শেষ। আজকের এই সময়ে মেয়েরা মেধার পরিচয়ে পিছিয়ে নেই। সংসার, চাকরি, সন্তান সবকিছুই সামলাচ্ছে দক্ষ হাতে। তবে উগ্রতা আর উশৃঙ্খলতা কাম্য নয় কোনোভাবেই।
    মায়ের স্নেহ মমতা, অর্থাৎ আঁচলের ছায়া, সেটা তো প্রশ্নাতীত সৃষ্টির শুরু থেকেই!

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?