মূল লেখায় যান

জোনাকিরা

বনলতা সেনএকান্ত অনুভূতি৪৩টি মন্তব্য

জোনাক জ্বলা রাত ভোরকে আগলে রেখে ঘুরে বেড়াও জোনাকির বেশে মেঘেদের আড়াল চোখে।
কোথায় হারাল আমার সোনা সোনা বন জ্যোৎস্না রাত ভোরকে আঁচলে বেধে।
জোনাকির কাঁপন তুলে ভালোবাসায় বেঁধা ঠাস বুননে এসো,জ্বলি সবুজের শিখা হয়ে।
ছেঁকে তোলা ডোরাকাটা রূপসী হিংসে আমাকে আর জাগ্রত করে না।
সুন্দরের হাতছানি শূন্যে ভাসিয়ে নিবিড় নিশীথের সতী মেয়ে এখনও একাকী।
এসো হে জ্যান্ত জ্যোৎস্না,তোমাতেই করি অবগাহন এই স্বস্তির নির্জন কবর পূর্ণিমায়।

মোট পড়েছেনঃ ৮৫০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৩টি মন্তব্য

      1. আপনাকে বু’ ডেকেছি সাধ করে? এ জন্যই। সত্যি ঘোর আছে।
        প্রলম্বিত রাত ,এজন্য ভোরকে আচলে বেঁধে ফেলেছে। রাত ই জ্যোৎস্না জোনাকি সব।
        রাত কে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে পবিত্র (সতী) হয়ে। সব হিংসের মধ্য থেকে বেছে সব থেকে সুন্দর হিংসাটি ও সে নিচ্ছে না।এমন কিছু নেই যাকে হিংসে করতে পারে। রাত কে ভালোবেসে সে মরে যেতে চায়।

  1. এই এইটূকূ লেখাতে কতোগুলো শব্দ পেলাম? জ্যান্ত জ্যোৎস্না, ছেঁকে তোলা ডোরাকাটা রূপসী হিংসে( মানে কি? ), কবর পূর্ণিমা, রাত টাই নাকি জোনাকির বেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। 🙁

  2. আমার একটা জাতীয় দোষ আছে আপু,
    আমি এরকম মাইকেলীয় ধাঁচের কবিতা বুঝতে পারিনা! এটা আমার কিসের দোষ বলুন তো আপু৷
    তবে জোনাক পোকা কইছেন,ঐ টা বুঝতে পারছি৷ আমাদের গ্রামে বাঁশবনের ফাঁকে ফাঁকে টর্চ লাইট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়,যেন কিছু একটা খুঁজে৷
    কিন্তু কি খুঁজে ওরা,সেটা আল্লাই জানে৷

    1. আপনি লেখায় মন্তব্য দিচ্ছেন তা দেখলেও বিশ্বাস করা কঠিন। ব্যর্থতা একান্তই আমার সুন্দর করে লিখতে পারিনা বলে।
      আমিও বুঝতে চাই টর্চ নিয়ে কি খুঁজে ফেরে।

  3. নির্জন কবর পূর্ণিমায় তরতাজা জ্যোৎস্নাকে পাওয়া যাবেই।
    রাতের মাঝেই তো জ্যোৎস্না, জোনাকিরা আসে
    দেখি এবং উপলব্দি করি ।

    কি বুঝলাম কে জানে ? 🙂
    শুভ কামনা।

  4. ‘নীল স্লিপিং পিলের রাত’ গানটার অনুভুতি যেন ফিরে এল।রাত,জোছনা আর চাঁদ সব মিলেমিশে কেমন ইমোশনাল করে দেয়।ভালো লাগল কবিতা।