মূল লেখায় যান

ঘৃন্য রাজনীতি আর কতদিন ?

ছারপোকাবিবিধ১৮টি মন্তব্য

অবরোধকারীদের ছোড়া পেট্রলবোমায়
আগুনে পুড়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন
অজস্র নীরিহ তাজুল ।হাসপাতালের
বেডে শুয়ে যন্ত্রনায় ছটফট
করতে হচ্ছে তাদের।যে হাত দিয়ে কাজ
করতো তারা আজ সে হাত এ তাদের
অকেজো ।
তারা কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে তাদের
হাত পা আগুনে জ্বলসে গেছে , মুখমন্ডল
অনেকটা বিকৃত হয়ে গেছে ।পরিবারের
সদস্য রা এ চিনতে কষ্ট হচ্ছে ।
সংসারের সবকিছুই
হয়ে গেছে এলোমেলো ।চোখে মুখে শুধু
অন্ধকার দেখছে এখন তাদের পরিবার ।
পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিই
যদি কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তাহলে
কিভাবে চলবে তাদের পরিবার ?বন্ধ
হয়ে যাবে তাদের আয়ের একমাত্র পথ । অন্কুরে থাকতেই চাপা পড়ে যাবে তাদের স্বপ্নগুলো ।গরিবরা একদিন
কাজে না যাইলে না খেয়ে থাকতে হয় । অবরোধ থাকার পর ও পেটের দায়ে তাদের বের হতে হয় ।পেট বাঁচাতে গিয়ে যদি এই আগুনে দ্বগ্ধ
হতে হয় তাহলে কি করবে নীরিহ
জনগন ?

আর কত ঘৃন্য রাজনীতির শিকার
হতে হবে নীরিহ জনগন কে ।আর কত চোখের সামনে জ্বলতে দেখবে আপন মানুষ গুলোকে ।আর কত বাঁচার আর্তনাদ শুনতে হবে । এর কি কোন সমাধান হবে না ?

আমার মত আপনার মত অজস্র
মানুষের দু চোখ
বেড়ে গড়িয়ে পড়ছে রাজনীতির
ঘৃনামিশ্রিত অশ্রু ।যারা কোনোদিন
রাজনৈতিক মিছিল মিটিংয়ে যায়নি । কোনোদিন
কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদে জড়াইনি । তারা এ আজ রাজনীতির গ্যাঁড়াকলের
শিকার । এ দেশের
রাজনীতি মানে হানাহানি ,মারামারি ।

ঘৃনা করি ঘৃন্য এই রাজনীতি কে ।

মোট পড়েছেনঃ ৬৩৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. এই ঘৃণ্য রাজনীতি থেকে আমাদের কখনোই পরিত্রান নেই। বনের রাজা সিংহ কে একটা করে পশু ভেট দিতে হতো, ধরে নিন আমাদের মসনদের দুজনের জন্য এ আমাদের ভেট।

    1. হুম ভাই এই রাজনীতির কথা এখন কেউ এ শুনতে চায় না । আমি ও রাজনীতি জড়িত কোন পোস্ট দেই না ।তারপরে ও দিতে হলো চোখের সামনে এসব ঘটছে তারপরে ও কিছু বলতে পারছি না ।তাদের কথা একটা এ হয় মারো না হয় মরো ।