ক্ষুধার্ত শকুন
ওই সে যমুনার চরে,
এক তরী সোনালী ফসলে
ধরেছে আগুন।
এক তরী সোনালী ফসলে
ধরেছে আগুন।
অথবা-
বারুদের ব্যবসা চলছে
জমজমাট;
আনিতে ফাগুন!
বারুদের ব্যবসা চলছে
জমজমাট;
আনিতে ফাগুন!
অথবা-
যমুনার জলে ছড়িয়ে পরে
কিষাণীর খুন; পিঠের গোস্ত
তুলে নিয়ে যায় ক্ষুধার্ত শকুন!
যমুনার জলে ছড়িয়ে পরে
কিষাণীর খুন; পিঠের গোস্ত
তুলে নিয়ে যায় ক্ষুধার্ত শকুন!
মোট পড়েছেনঃ ১২২৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য
আরে বাহ, এ তো অর্থের সাথে ছন্দের দারুণ মিল, বেশ পছন্দ হয়েছে
ধন্যবাদ
খুব ভাল লাগল কবিতাটি।। আপনার লেখার হাত যে খুব ভাল বুঝতে পারছি।। আমার মতো একজন নগন্য মানুষের পক্ষে সমালোচনা করা সম্ভবপর না।। (y) -{@
ধন্যবাদ রকিব লিখন.. -{@ 🙂
চমৎকার
ধন্যবাদ রাইসুল জজ্
কঠিন বাস্তব
বাস্তব
শকুনরা আজ সর্বত্র,এদের প্রতিরোধের উপায় অজানা।
আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, কৃষকের পিঠে যত দিন গোস্ত থাকবে ততদিন ওরা গোস্ত খাবে। শকুনের থাবার কাছে কৃষকেরা অসহায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃষকদের সংঘবদ্ধ হওয়া জরুরী। এই সংঘবদ্ধ কৃষকদের কাণ্ডারি অবশ্যই কোন রাজনৈতিক দলের নেতা হতে পারবে না।
কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা মনে পরে গেল-
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?
কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার ॥
অনেকদিন পর সোনেলায় ঢুকে আপনার কথাই মনে করছিলাম। 😀
আপনার প্রোফাইল পিকচার এ চে গুয়েভারা ছবি দেওয়া, বিদ্রোহ না হোক জেদের প্রমাণ কবিতায় পেলাম। ভালো লিখেছেন কবি।
ধন্যবাদ মেহেদি পাতা। আশা করি জেদের পরেই বিদ্রোহ আসবে। 🙂
ভাল লিখেছেন ।
শকুনরা আজ সবর্ত্রই ।