মূল লেখায় যান

কেনো এতো নৃশংসতা?

সুরাইয়া পারভীনএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

কতোটা পাষণ্ড হলে,
নিষ্পাপ অবুঝ ঘুমন্ত ঔরসজাত শিশুটিকে-
কেউ করতে পারে রক্তাক্ত ক্ষত বিক্ষত?

কতোটা কষাই হলে,
আপন হাতে লালিত নিজ সন্তানকে-
কেউ করতে পারে জবাই?

কতোটা মস্তিষ্ক বিকৃতি হলে-
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে আদরের মানিককে
কেউ করতে পারে নৃশংস হত্যা?

যে হাত অভুক্ত ক্রন্দনরত-
শিশুটির মুখে খাবার তুলে দিতো,
সেই হাত কি করে এমন নির্বিচারে-
শিশুটির বুকে ছুরি বসিয়ে দিলো?

যে ছায়ায় বেড়ে ওঠার কথা ছিল
তারই নিকষ কালো ছায়ায় অতলে তলিয়ে গেলো তুহিন
কেনো কেনো কেনো এতো নৃশংসতা ?

মোট পড়েছেনঃ ৮৬০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. আপু যখন পেপার পত্রিকায় দেখি এরকম নৃশংসতা তখন বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। কি করে একজনকে খুন করতে পারে!! কি করে একটি ছোট্ট অবুঝ শিশুকে মেরে ফেলে রেখে যেতে পারে!!!

    আপনার লেখা পড়ে আপ্লুত হলাম।

  2. পাঁচ বছরের শিশু তুহিনকে ঘুমন্ত অবস্থায় কোলে করে ঘরের বাইরে নিয়ে আসেন বাবা। আর বাবার কোলেই ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু তুহিনকে ছুরি দিয়ে গলাকেটে খুন করেন চাচা নাসির উদ্দিন।

    তুহিনের হত্যাকারী তার বাবা, চাচা এবং চাচাতো ভাই এই প্রথম কোনো হত্যা মামলার আসামি হননি; তিনি আরও একটি হত্যা মামলার পাশাপাশি আরও দুটি মামলার আসামি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান এএসপি মিজানুর রহমান।

  3. আমি একটা নিউজ পোর্টালে দু’মাস সাব-ইডিটরের ভূমিকায় কাজ করেছি। পরে বিরক্ত হয়ে ছেড়ে দিছি। দিনে পনেরটা নিউজ করলে তার মধ্যে আট-দশটা থাকে মারামারি খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই………

    আমি সাংবাদিকতার ছাত্র হয়েও ভাবি মানুষ কেন যে টাকা দিয়ে পত্রিকা কিনে পড়ে! মনেহচ্ছে টাকা দিয়ে অশান্তি কিনতেছে।

  4. এই নিউজগুলো যখন দেখি, তখন কিছু লেখা বা কমেন্ট করারমতো মানসিক স্থিতি হারিয়ে ফেলি। নিউজ লিংকে ঢুকলেই প্রতিদিন, প্রতি ঘন্টায় কোনো না কোনো পৈচাশিক ঘটনা পড়তে হয়। তখন মনে হয় আমরা কোন স্তরের মানুষ, আর এরা কোন স্তরের। যেখানে আমরা এমন নিউজ পড়ার শক্তি পাইনা, সেখানে তারা এগুলো ঘটিয়ে বেড়ায়!